খুলনা | বৃহস্পতিবার | ১৬ এপ্রিল ২০২৬ | ২ বৈশাখ ১৪৩৩

উৎসবমুখর ও বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে খুলনায় বাংলা নববর্ষ উদযাপন

নিজস্ব প্রতিবেদক |
০২:০১ এ.এম | ১৬ এপ্রিল ২০২৬


উৎসবমুখর ও বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে উদযাপিত হয়েছে বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩। দিনব্যাপী নানা আয়োজনে বরণ করে নেয় বাংলা নতুন বছরকে। অনুষ্ঠানের মধ্যে ছিলো বর্ষবরণ, বৈশাখি শোভাযাত্রা, আলোচনা সভা, পুরস্কার বিতরণ, লোকজ মেলা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। বাংলা নববর্ষের এবারের প্রতিপাদ্য ‘নববর্ষের ঐকতান, গণতন্ত্রের পুনরুত্থান’।
খুলনা জেলা প্রশাসন : মঙ্গলবার সকালে রেলওয়ে স্টেশন প্রাঙ্গণ থেকে বৈশাখি শোভাযাত্রা বের হয়ে নগরীর বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে শহিদ হাদিস পার্কে গিয়ে শেষ হয়। শোভাযাত্রায় সরকারি-বেসরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক সংগঠন, শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষ অংশ নেন।
পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে খুলনা শহিদ হাদিস পার্কে আলোচনা সভা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, পুরস্কার বিতরণ ও লোকজ মেলা অনুষ্ঠানে খুলনা বিভাগীয় কমিশনার (ভারপ্রাপ্ত) মোহাম্মদ নাজমুল হক বলেন, পহেলা বৈশাখ বাঙালির চিরায়ত ঐতিহ্য ও সর্বজনীন উৎসব। বাঙালির লোকসংস্কৃতির সাথে বাংলা নববর্ষ ওতপ্রোতভাবে জড়িত। 
খুলনা জেলা প্রশাসক হুরে জান্নাতের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (উন্নয়ন) আবু সায়েদ মোঃ মনজুর আলম, সরকারি-বেসরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, বিভিন্ন সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনের প্রতিনিধি, শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।
নববর্ষ উপলক্ষে জেলা কারাগার, হাসপাতাল ও সরকারি শিশু পরিবার, এতিমখানা সমূহে ঐতিহ্যবাহী বাংলা খাবার পরিবেশন এবং শিশু পরিবারের শিশুদের নিয়ে ঐতিহ্যবাহী সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এছাড়া জেল কয়েদিদের তৈরি বিভিন্ন দ্রব্যাদি প্রদর্শনী, কারাবন্দিদের পরিবেশনায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং নাটক প্রদর্শন করা হয়। সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান স্ব-স্ব ব্যবস্থাপনায় উৎসবমুখর পরিবেশে বাংলা নববর্ষ উদযাপন করে। পহেলা বৈশাখে শহিদ হাদিস পার্কে দিনব্যাপী লোকজ মেলা অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলায় অনুরূপ কর্মসূচি উদযাপন করে।
খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় : উৎসবমুখর ও বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে উদযাপিত হয়েছে বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩। দিনব্যাপী নানা আয়োজনে বিশ্ববিদ্যালয় পরিবার বরণ করে নেয় বাংলা নতুন বছরকে। সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের হাদী চত্বরে বেলুন, ফেস্টুন ও পায়রা উড়িয়ে কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ রেজাউল করিম। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, বাংলা নববর্ষ বাঙালির হাজার বছরের সংস্কৃতি, ঐতিহ্য ও আত্মপরিচয়ের এক উজ্জ্বল প্রতীক। নতুন বছর বরণের এই আয়োজন আমাদের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের প্রতি দায়বদ্ধতা ও ভালোবাসার বহিঃপ্রকাশ।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ হারুনর রশীদ খান, ট্রেজারার প্রফেসর ড. মোঃ নূরুন্নবী, বাংলা নববর্ষ উদযাপন কমিটির সভাপতি ও ব্যবস্থাপনা এবং ব্যবসায় প্রশাসন স্কুলের ডিন প্রফেসর ড. রুমানা হক, রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) প্রফেসর ড. এস এম মাহবুবুর রহমান এবং কমিটির সদস্য সচিব ও ছাত্র বিষয়ক পরিচালক প্রফেসর ড. মোঃ নাজমুস সাদাত। 
উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষে শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের স্বতঃস্ফ‚র্ত অংশগ্রহণে হাদী চত্বর থেকে বের হয় বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা। শোভাযাত্রাটি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটক ঘুরে দ্বিতীয় ফটক দিয়ে প্রবেশ করে কেন্দ্রীয় মাঠে গিয়ে শেষ হয়। কাঠের তৈরি মোটিফ, মুখোশ, আল্পনা, ঢাক-ঢোলসহ নানা ঐতিহ্যবাহী অনুষঙ্গে সজ্জিত শোভাযাত্রাটি পুরো ক্যাম্পাসে ছড়িয়ে দেয় নববর্ষের রঙিন আবহ।
পরে কেন্দ্রীয় মাঠে বৈশাখী মেলার উদ্বোধন করেন উপাচার্য। মেলায় শিক্ষার্থীদের উদ্যোগে পিঠা-পুলি, হস্তশিল্প, ঐতিহ্যবাহী পোশাক ও নানা পণ্যের স্টল বসানো হয়। শিশুদের জন্য ছিল নাগরদোলা, ম্যাজিক শোসহ বিভিন্ন বিনোদনের আয়োজন। এছাড়াও বিকেল ৪টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত আয়োজন করা হয় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।
শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পাশাপাশি বিপুল সংখ্যক দর্শনার্থীর উপস্থিতিতে পুরো বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গণ পরিণত হয় এক আনন্দঘন মিলনমেলায়। সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে গ্রহণ করা হয় প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা।
খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় : উৎসবমুখর ও বর্ণিল আয়োজনের মধ্যদিয়ে বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ উদযাপন করেছে কুয়েট। দিনব্যাপী নানা কর্মসূচির মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস জুড়ে বিরাজ করে প্রাণের উচ্ছ¡াস, ঐতিহ্যের আবহ এবং আনন্দঘন পরিবেশ। সকাল ৯টা ১০ মিনিটে স্টুডেন্ট ওয়েলফেয়ার সেন্টারের সামনে ‘বৈশাখী উৎসব ১৪৩৩’-এর উদ্বোধন ঘোষণা করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মুহাম্মদ মাছুদ। এরপর সকাল ৯টা ১৫ মিনিটে স্টুডেন্ট ওয়েলফেয়ার সেন্টার প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হয় বর্ষবরণ সংগীত। পরে সকাল সাড়ে ৯টায় একই প্রাঙ্গণ থেকে বর্ণাঢ্য ‘বৈশাখী শোভাযাত্রা’ বের হয়ে ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সড়ক ও পার্শ্ববর্তী এলাকা প্রদক্ষিণ করে। শোভাযাত্রায় শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের স্বতঃস্ফ‚র্ত অংশগ্রহণে পুরো ক্যাম্পাস উৎসবের রঙে রঙিন হয়ে ওঠে।
এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের খেলার মাঠে ঐতিহ্যবাহী ‘বৈশাখী মেলা’র আয়োজন করা হয়। মেলায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ফজলুল হক হল, লালন শাহ হল, খানজাহান আলী হল, ড. এমএ রশীদ হল, রোকেয়া হল, অমর একুশে হল এবং শহীদ স্মৃতি হলের শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন আঙ্গিকে গ্রামবাংলার ঐতিহ্য তুলে ধরে স্টল স্থাপন করেন। ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মুহাম্মদ মাছুদ এবং পরিচালক (ছাত্র কল্যাণ) প্রফেসর ড. মোঃ হাসান আলী বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনিয়র শিক্ষকদের সঙ্গে নিয়ে স্টল পরিদর্শন করেন। এ সময় ভাইস-চ্যান্সেলর শিক্ষার্থীদের প্রকৌশল শিক্ষার পাশাপাশি গ্রামবাংলার ঐতিহ্যকে সৃজনশীলভাবে উপস্থাপনের জন্য প্রশংসা করেন।
দিনব্যাপী খেলার মাঠে অস্থায়ী মঞ্চে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশিত হয়। এছাড়া মেলায় ছিল গ্রামবাংলার চিরচেনা নানা আয়োজন, যেমনÑসার্কাস, মোরগ লড়াই, বাউল সংগীত, ম্যাজিক শো, ট্রেজার হান্ট, ঘুড়ি উৎসব, নাগরদোলা ও বিভিন্ন রাইড, ঘোড়ার গাড়ি এবং পালকিসহ বিভিন্ন বিনোদনমূলক কার্যক্রম। পাশাপাশি শিক্ষক বনাম ছাত্র দড়ি টানাটানি এবং শিক্ষকগণের জন্য হাড়িভাঙা প্রতিযোগিতাও অনুষ্ঠিত হয়।
বর্ষবরণ-১৪৩৩ উপলক্ষে বৈশাখী শোভাযাত্রা, আলপনা ও বৈশাখী মেলায় সেরা স্টল প্রদানকারী হলসমূহের মধ্যে বিজয়ীদের পুরস্কার প্রদান করা হয়। বৈশাখী শোভাযাত্রায় প্রথম স্থান অর্জন করে ফজলুল হক হল, দ্বিতীয় হয় রোকেয়া হল এবং তৃতীয় হয় লালন শাহ হল। আলপনা প্রতিযোগিতায় প্রথম হয় লালন শাহ হল, দ্বিতীয় রোকেয়া হল এবং তৃতীয় খানজাহান আলী হল। বৈশাখী মেলায় সেরা স্টল নির্বাচিত হয় শহীদ স্মৃতি হল; দ্বিতীয় স্থান অর্জন করে রোকেয়া হল এবং তৃতীয় হয় ফজলুল হক হল। পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মুহাম্মদ মাছুদ, পরিচালক (ছাত্র কল্যাণ) প্রফেসর ড. মোঃ হাসান আলী এবং বিভিন্ন হলের প্রভোস্টগণ।
অনুষ্ঠানসমূহে প্রধান অতিথি ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মুহাম্মদ মাছুদ। প্রধান অতিথির বক্তব্যে ভাইস-চ্যান্সেলর বলেন, “বাংলা নববর্ষ আমাদের বাঙালি সংস্কৃতি, ঐতিহ্য ও অসা¤প্রদায়িক চেতনার প্রতীক। এই উৎসব আমাদের মাঝে স¤প্রীতি, সৌহার্দ্য এবং নতুন উদ্যমে এগিয়ে যাওয়ার প্রেরণা যোগায়। কুয়েট পরিবার যেভাবে ঐতিহ্যকে ধারণ করে স্বতঃস্ফ‚র্তভাবে অংশগ্রহণ করেছে, তা সত্যিই প্রশংসনীয়।
অনুষ্ঠানসমূহে সভাপতিত্ব করেন পরিচালক (ছাত্র কল্যাণ) প্রফেসর ড. মোঃ হাসান আলী। উল্লেখ্য, এর আগে ১৩ এপ্রিল ক্যাম্পাস জুড়ে ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়। শিক্ষার্থীরা আলপনা অঙ্কন, প্যান্ডেল নির্মাণ, শোভাযাত্রার উপকরণ তৈরি এবং সাংস্কৃতিক মঞ্চ প্রস্তুতের কাজ সম্পন্ন করে উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি করে। সার্বিক ব্যবস্থাপনায় ছিল বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র কল্যাণ দপ্তর। দিনব্যাপী সকল অনুষ্ঠান শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হয়েছে।
নর্থ ওয়েস্টার্ন ইউনিভার্সিটি : পহেলা বৈশাখ উদযাপন উপলক্ষে অনুষ্ঠিত হলো বর্ণাঢ্য বৈশাখী শোভাযাত্রা। মঙ্গলবার সকাল ১০টায় নগরীর সোনাডাঙ্গা মোড়স্থ ইউনিভার্সিটির প্রশাসনিক ভবনের সামনে থেকে এ বর্ণাঢ্য বৈশাখী শোভাযাত্রা শুরু হয়ে সোনাডাঙ্গা মোড়, শিববাড়ি মোড় ঘুরে তেঁতুলতলা মোড়স্থ ইউনিভার্সিটির ভবন-২ এ গিয়ে শেষ হয়। বর্ণাঢ্য বৈশাখী শোভাযাত্রায় উপস্থিত ছিলেন ইউনিভার্সিটির ভারপ্রাপ্ত ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর কানাই লাল সরকার। এ সময় তাঁর সাথে উপস্থিত ছিলেন নর্থ ওয়েস্টার্ন ইউনিভার্সিটির বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি অনুষদের ডীন ড. মোঃ ইমজামাম-উল-হোসেন, ব্যবসায় প্রশাসন বিভাগের অধ্যাপক ও পহেলা বৈশাখ-১৪৩৩ উদযাপন কমিটির আহŸায়ক ড. মোঃ রউফ বিশ্বাস, সিএসই বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ও পহেলা বৈশাখ-১৪৩৩ উদযাপন কমিটির সদস্য সচিব মোঃ আসাদুজ্জামান, রেজিস্ট্রার ড. শেখ শফিকুর রহমান, প্রক্টর শকীল আহমদ, বিভাগীয় প্রধানগণ, সহকারী প্রক্টরবৃন্দ, দপ্তর প্রধানগণ, শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ। পরে নগরীর তেঁতুলতলা মোড়স্থ ইউনিভার্সিটির ভবন-২ এ পান্তা উৎসবের আয়োজন করা হয়। পান্তা উৎসবে নর্থ ওয়েস্টার্ন ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থীসহ সর্বস্তরের শিক্ষক, কর্মকর্তা কর্মচারীবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন।
কেকেবিএইউ : বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রসহ বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্য দিয়ে খুলনা খান বাহাদুর আহ্ছানউল্লা বিশ^বিদ্যালয়ে পহেলা বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ উদ্যাপন করা হয়। এ উপলক্ষে সকাল সাড়ে ১০টায় উপাচার্য (ডেজিগনেট) প্রফেসর ড. মোঃ আনিসুর রহমানের নেতৃত্বে বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস প্রাঙ্গণ থেকে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা শুরু হয়। শোভাযাত্রাটি গল্লামারী হয়ে পুনরায় ক্যাম্পাসে এসে শেষ হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিন প্রফেসর ড. আনোয়ারুল হক জোয়ারদার, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মোঃ মিজানুজ্জামান, আয়োজক কমিটির সভাপতি রথীন্দ্র নাথ মহালদারসহ বিভিন্ন বিভাগের প্রধান, প্রক্টর, শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারী এই শোভাযাত্রায় অংশগ্রহণ করেন। শোভাযাত্রা শেষে সমাবেত অংশগ্রহণকারীদের উদ্দেশ্যে উপাচার্য সংক্ষিপ্ত শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন। বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্যে ছিল হাঁড়ি ভাঙ্গা, বালিশ বদল, ঘুড়ি উড়ানো, সাংস্কৃতিত অনুষ্ঠান, মধ্যাহ্ন ভোজন। এ উপলক্ষে শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে ৫টি স্টল সাজানো হয়। স্টলগুলোতে বাঙালি সংস্কৃতির বিভিন্ন অনুষঙ্গের উপস্থাপন করা হয়। এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে মহাসড়কে আল্পনায় সাংস্কৃতিক শৈলী ফুটিয়ে তোলা হয়। 
খুলনা সাংবাদিক ইউনিয়ন : পহেলা বৈশাখ উদযাপন করলো আনন্দঘন দিবসটি পালনে সংগঠনটি সাংস্কৃতিক উৎসবে। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন খুলনা রেঞ্জ ডিআইজি মোঃ রেজাউল হক, কেএমপি কমিশনার মোহাম্মদ জাহিদ হাসান, নগর বিএনপি’র সভাপতি শফিকুল আলম মনা ও সাধারণ সম্পাদক শফিকুল আলম তুহিন, জেলা বিএনপি’র সদস্য সচিব ও জেলা পরিষদ প্রশাসক মনিরুল হাসান বাপ্পি, মহানগর বিএনপি’র সাংগঠনিক সম্পাদক হাসানুর রশীদ মিরাজ, শেখ সাদী ও মাসুদ পারভেজ বাবু, সদর থানা বিএনপি’র সভাপতি কেএম হুমায়ুন কবির, সোনাডাঙ্গা থানা বিএনপি’র সভাপতি হাফিজুর রহমান মনি, সিপিবি’র নগর কমিটির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান বাবু, বৃহত্তর খুলনা উন্নয়ন সংগ্রাম সমন্বয় কমিটির সভাপতি শেখ আশরাফ উজ জামান, খুলনা বিভাগীয় উইমেন চেম্বার অব কমার্সের প্রধান শামীমা সুলতানা শীলু, বিএমএ খুলনার সভাপতি ডাঃ বাহারুল আলম, খুলনা শিশু হাসপাতালের তত্ত¡াবধায়ক ডাঃ প্রদীপ দেবনাথ, খুলনা প্রেসক্লাব আহবায়ক এনামুক হক ও সদস্য সচিব রফিউল ইসলাম টুটুল, সাবেক সভাপতি এস এম হাবিব, সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোতাহার রহমান বাবু ও শেখ দিদারুল আলম, খুলনা রিপোর্টার ইউনিটির আহবায়ক গৌরাঙ্গ নন্দী, কেইউজের সাবেক সভাপতি আনোয়ারুল ইসলাম কাজল, সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোঃ সাহেব আলী ও মোঃ শাহ আলম, সম্পাদক পরিষদের সভাপতি দৈনিক প্রবর্তন সম্পাদক মোস্তফা সরোয়ার, সাধারণ সম্পাদক দৈনিক খুলনাঞ্চল সম্পাদক মিজানুর রহমান মিল্টন ও কোষাধ্যক্ষ দৈনিক সময়ের খবর সম্পাদক মোঃ তরিকুল ইসলাম, দফতর সম্পাদক দৈনিক খুলনা প্রতিদিনের সম্পাদক সোহাগ দেওয়ান, বিএফইউজে’র সহকারী মহাসচিব এহতেশামুল হক শাওন, বিএফইউজে’র অপর অংশের যুগ্ম-মহাসচিব মোঃ হেদায়েৎ হোসেন মোল্লা ও নির্বাহী সদস্য কৌশিক দে বাপী, খুলনা মেট্রোপলিটন সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি মোঃ রাশিদুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাক রানা, খুলনা টিভি রিপোর্টারস এসোসিয়েশনের সভাপতি মোস্তফা জামাল পপলু ও সাধারণ সম্পাদক রকিবুল ইসলাম মতি, সাবেক সভাপতি সুনীল দাশ, সাবেক কোষাধ্যক্ষ শেখ লিয়াকত হোসেন, বাংলাদেশ ফটো জার্নালিস্ট এসোসিয়েশন খুলনার সাবেক সভাপতি মোঃ জাহিদুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক কামরুল আহসান, খুলনা সাংবাদিক ইউনিয়নের সহ-সভাপতি কাজী শামীম আহমেদ, যুগ্ম-সম্পাদক মীর মনির, কোষাধ্যক্ষ শেখ জাহিদুল ইসলাম, প্রচার ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক মিলন হোসেন, নির্বাহী সদস্য নেয়ামুল হোসেন কচি, উত্তম সরকার, সাবেক কোষাধ্যক্ষ অভিজিৎ পাল প্রমুখ।
খুলনা মহিলা পলিটেকনিক ইন্সটিটিউট : সরকারি খুলনা মহিলা পলিটেকনিক ইন্সটিটিউটে পালন করা হলো বাংলা নববর্ষ। অনুষ্ঠানে অধ্যক্ষ কাজী নেয়ামুল শাহীনের সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন ইলেকট্রনিক্স বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ও চীফ ইন্সট্রাক্টর পলি রানী দাস, ননটেক বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ও চীফ ইন্সট্রাক্টর নিমাই চন্দ্র সরদার ও মোঃ আমিরুল ইসলাম, কম্পিউটার সাইন্স অ্যান্ড টেকনোলজি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ও ইন্সট্রাক্টর গৌতম কুমার ধর, আর্কিটেকচার টেকনোলজি বিভাগের প্রধান ও চিফ ইন্সট্রাক্টর মোঃ সাইফুল ইসলাম, সিভিল টেকনোলজির বিভাগীয় প্রধান ও ইন্সট্রাক্টর মৌসুমী আক্তার।

প্রিন্ট

আরও সংবাদ