খুলনা | মঙ্গলবার | ২১ এপ্রিল ২০২৬ | ৮ বৈশাখ ১৪৩৩

এসএসসিতে প্রশ্নফাঁস হয়নি, পরবর্তী পরীক্ষাগুলোও পর্যবেক্ষণে থাকবে

খবর প্রতিবেদন |
০২:৪৩ পি.এম | ২১ এপ্রিল ২০২৬


চলতি বছরের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার প্রথম দিনে কোথাও কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি এবং প্রশ্নপত্র ফাঁসেরও কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহসানুল হক মিলন।

মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) দুপুরে রাজধানীর আন্তজার্তিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটের আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন তিনি।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, কোথাও কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। প্রশ্ন আউটের কোনো সম্ভাবনা নেই এবং হয়নি। এবং এই ধরনের কোনো আলোচনাও নেই। আমি সর্বপ্রথমেই ধন্যবাদ জানাবো সাংবাদিকদের, আপনারা সবাই সহযোগিতা করেছেন। এই পরীক্ষা সুস্থ স্বাভাবিক হোক। এজন্য আপনারা পূর্ব থেকেই বিভিন্নভাবে যে পদক্ষেপগুলো নিয়েছি এগুলো আপনারা বারবার টেলিভিশনে নিউজপেপারে প্রচারিত করেছেন বিধায়। সারা জাতি জেনেছে যে পরীক্ষা এবার সুন্দর হবে এবং নকলমুক্ত হবে, প্রশ্নপত্র ফাঁস হবে না।

তিনি বলেন, আনন্দ উদ্দীপনা নিয়ে আমাদের এই জেনজিরা পরীক্ষা দিচ্ছে এটি সত্যিই অভাবনীয় এবং তাদের যে আনন্দ উৎফুল্লতা আমি যাওয়ার পরে এতে সত্যিই সমাদৃত হয়েছি। আপনারা আগামী পরীক্ষাগুলোকে এভাবেই সহযোগিতা করবেন। পরের পরীক্ষাগুলো আমি যতটা সম্ভব মনিটরিং করব এবং আমার টিম মনিটরিং করবে এবং আপনারাও করবেন। এর মাঝে যদি কোনো অপ্রীতিকর ঘটনার সংবাদ আপনার পেয়ে থাকেন তাহলে আমাকে জানাবেন।

এহছানুল হক মিলন বলেন, একটি বাচ্চা যদি ট্রাফিকে দেরি হয়ে যায়, কীভাবে তাকে সান্ত্বনা দিয়ে তার অস্থিরতা কমিয়ে তাকে কীভাবে নিয়ে যাবে এটা প্রত্যেকটা অভিভাবকের এবং টিচারদের এই ধরনের ট্রেনিং রয়েছে। আমার মনে হয় এটা অ্যাড্রেস করবে সবাই। ডিএমপির কমিশনার গতকাল আমাকে বিশেষভাবে রিকোয়েস্ট করেছিলেন যে পরীক্ষা কেন্দ্রগুলো যেন সকাল আটটা থেকে খোলা থাকে। যারা আগে আসতে চায়, দূর দূরান্ত থেকে সেই ব্যবস্থা আমরা রেখেছি। তবুও যারা খানিকটা দেরি হয়েছে তাদের নিয়ে নিশ্চয়ই আমি আশা করব তারা যেন বিভ্রান্ত না হয় ভয় না পায়। তাদেরকে সহযোগিতা করাটাই হচ্ছে আমাদের প্রথম কাজ।

সকাল ১০টায় নয়টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ড, কারিগরি শিক্ষা বোর্ড ও মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ৩ হাজার ৮৮৫টি কেন্দ্রে একযোগে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হয়।

প্রথম দিন ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে বাংলা (আবশ্যিক) প্রথম পত্র এবং সহজ বাংলা প্রথম পত্রের পরীক্ষা হয়। আর মাদরাসার কোরআন মাজিদ ও তাজবিদ এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে বাংলা দ্বিতীয় পত্রের পরীক্ষা হয়।

এ বছর ১১টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে মোট ১৮ লাখ ৫১ হাজার ৪২৩ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিচ্ছে। এর মধ্যে ছাত্র ৯ লাখ ৩০ হাজার ৩০৫ জন এবং ছাত্রী ৯ লাখ ২১ হাজার ১১৮ জন। এবারের পরীক্ষা প্রশ্নফাঁসমুক্ত, স্বচ্ছ ও সুষ্ঠু পরিবেশে অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে শিক্ষা বোর্ডগুলো সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে। বিশেষ করে পরীক্ষার্থীদের নিরাপত্তা ও স্বচ্ছতা নিশ্চিতে প্রথমবারের মতো প্রতিটি কেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা স্থাপনসহ 'একগুচ্ছ' পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

প্রিন্ট

আরও সংবাদ