খুলনা | শনিবার | ২৫ এপ্রিল ২০২৬ | ১২ বৈশাখ ১৪৩৩

ফুটবল বিশ্বকাপ ফাইনালের এক টিকিটের মূল্য ২৫ কোটি!

ক্রীড়া প্রতিবেদক |
০৪:১৭ পি.এম | ২৫ এপ্রিল ২০২৬

 

আর কিছুদিন পরই মাঠে গড়াচ্ছে ফিফা ফুটবল বিশ্বকাপ ২০২৬। গ্যালারিতে বসে খেলা দেখতে উন্মাদনায় মাতছেন ফুটবলভক্তরা। ফাইনাল খেলা মাঠে বসে দেখতে চাইলে এক লোভনীয় প্রস্তাব লুফে নিতে পারেন আপনিও। চাইলে চার বন্ধু মিলেও একসঙ্গে খেলা উপভোগ করতে পারবেন। আগামী ১৯ জুলাই ফাইনালের ভেন্যু মেটলাইফ স্টেডিয়ামের গোলপোস্টের ঠিক পেছনের গ্যালারিতে চারটি টিকিট পাওয়া যাচ্ছে। তবে এর জন্য গুনতে হবে টিকিটপ্রতি ২৫ কোটি টাকার বেশি! অর্থাৎ চার বন্ধুকে চার টিকিট পেতে ১০০ কোটি টাকার বেশি দিতে হবে।

সিএনএনের প্রতিবেদনে জানা যায়, ‘ক্যাটাগরি-১’-এর এই আসনগুলো লোয়ার ডেক বা নিচের তলার একেবারে ওপরের সারিতে। এগুলো ঠিক গোলপোস্টের পেছনে এবং একটি এক্সিট পয়েন্ট বা বের হওয়ার পথের কাছে। এই আসনগুলোর টিকিট একেকটির দাম চাওয়া হচ্ছে ২২ লাখ ৯৯ হাজার ৯৯৮.৮৫ মার্কিন ডলার, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ২৫ কোটি ৬০ লাখ টাকা।

পুনর্বিক্রয় তালিকায় আরও একটি টিকিট দেখা গেছে, যেটির দাম ২২ লাখ ৯৯ হাজার ৯৯৮.৮৫ ডলার। তবে সেটি ‘ক্যাটাগরি-৩’-এর টিকিট, যার অবস্থান স্টেডিয়ামের একদম ওপরের দিকে গোলপোস্টের পেছনে।

ক্যাটাগরি ১-এর ওই চারটি আসনের ঠিক দুই সারি সামনের আসনগুলো পুনর্বিক্রয় (রিসেল) হচ্ছে ১৬ হাজার ডলারের কিছু বেশি দামে। এমনকি মাঠের আরও কাছের কিছু টিকিট বিক্রি হচ্ছে ২৪ হাজার ডলারের বেশিতে।

এই টিকিটগুলো ফিফার নিজস্ব টিকিট পুনর্বিক্রয়ের ওয়েবসাইট ‘রিসেল মার্কেটপ্লেস’-এ বিক্রির জন্য তোলা হয়েছে। এটি একটি অফিশিয়াল প্ল্যাটফর্ম, যেখানে টিকিট ক্রেতারা তাঁদের টিকিট অন্যদের কাছে পুনরায় বিক্রি করতে পারেন। এই পোর্টালে টিকিটের দাম কত হবে, তা ফিফা নিয়ন্ত্রণ করে না। যার ফলে টিকিটধারীরা ইচ্ছেমতো দাম হাঁকাতে পারেন। তবে প্রতিটি কেনাবেচা থেকে ফিফা উভয় পক্ষের কাছ থেকে ১৫ শতাংশ হারে কমিশন কেটে নেয়।

সিএনএন স্পোর্টসকে ফিফার এক মুখপাত্র বলেন, ‘ফিফার রিসেল মার্কেটপ্লেস সমর্থকদের জন্য নিরাপদ, স্বচ্ছ ও সুরক্ষিত পরিবেশে টিকিট কেনাবেচার সুযোগ করে দেয়। এখানে প্রযোজ্য ফি উত্তর আমেরিকার ক্রীড়া ও বিনোদন জগতের প্রচলিত নিয়মের সঙ্গে সংগতিপূর্ণ।’

প্ল্যাটফর্মটি কানাডা, যুক্তরাষ্ট্র ও আন্তর্জাতিক ফুটবলপ্রেমীদের জন্য উন্মুক্ত। তবে স্থানীয় আইনের কারণে মেক্সিকোর নাগরিকেরা এই পোর্টালে টিকিটের গায়ের দামের চেয়ে বেশি অর্থ দাবি করতে পারেন না।

বর্তমানে এই মার্কেটপ্লেসে ফাইনাল ম্যাচের সাধারণ টিকিটের সর্বনিম্ন পুনর্বিক্রয় মূল্য প্রায় ১১ হাজার ডলার। অন্যদিকে হুইলচেয়ার ব্যবহারকারীদের জন্য সংরক্ষিত টিকিটের সর্বনিম্ন দাম ঠেকেছে প্রায় ১৫ হাজার ডলারে।

অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসের প্রতিবেদনে জানা যায়, ফিফা গত সপ্তাহে তাদের নিজস্ব সাইটে ফাইনাল ম্যাচের কিছু নতুন অফিশিয়াল টিকিট ছেড়েছিল, যেগুলোর প্রতিটির দাম রাখা হয়েছিল ১০ হাজার ৯৯০ ডলার।

ইতিহাসের সবচেয়ে ‘সাশ্রয়ী’ বিশ্বকাপ হওয়ার কথা থাকলেও টিকিটের এমন আকাশচুম্বী দাম সাধারণ দর্শকদের চোখ কপালে তুলছে। সেই সঙ্গে টুর্নামেন্ট চলাকালে যাতায়াত খরচ নিয়েও উদ্বেগ বাড়ছে। এ প্রসঙ্গে ফিফা সিএনএনকে জানিয়েছে, ‘বাজারের চাহিদা বিবেচনা করে ফিফার টিকিটের দাম ও ক্যাটাগরি নির্ধারণ করা হয়েছে। বিভিন্ন ধাপে টিকিট ছাড়া হয়েছে, যার মধ্যে সবচেয়ে সাশ্রয়ী “ক্যাটাগরি-৪” এবং অংশগ্রহণকারী দেশগুলোর জন্য ফাইনালসহ প্রতিটি ম্যাচে অন্তত ১ হাজার টিকিট রাখা হয়েছে মাত্র ৬০ ডলারে।’

উচ্চমূল্যের টিকিট বিক্রির এই শোরগোলের মধ্যেই ফিফা নিজেদের একটি অলাভজনক সংস্থা হিসেবে উল্লেখ করে জানিয়েছে, অর্জিত সব অর্থ ফুটবলের উন্নয়নের কাজে পুনরায় বিনিয়োগ করা হবে।

সিএনএনের প্রতিবেদনে জানা যায়, ‘ক্যাটাগরি-১’-এর এই আসনগুলো লোয়ার ডেক বা নিচের তলার একেবারে ওপরের সারিতে অবস্থিত। এগুলো ঠিক গোলপোস্টের পেছনে এবং একটি এক্সিট পয়েন্ট বা বের হওয়ার পথের কাছে। এই আসনগুলোর টিকিট একেকটির দাম চাওয়া হচ্ছে ২২ লাখ ৯৯ হাজার ৯৯৮.৮৫ মার্কিন ডলার, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ২৫ কোটি ৬০ লাখ টাকা।

পুনর্বিক্রয় তালিকায় আরও একটি টিকিট দেখা গেছে যেটির দামও ২২ লাখ ৯৯ হাজার ৯৯৮.৮৫ ডলার। তবে সেটি ক্যাটাগরি-৩-এর টিকিট, যার অবস্থান স্টেডিয়ামের একদম ওপরের দিকে গোলপোস্টের পেছনে।

ক্যাটাগরি ১-এর ওই চারটি আসনের ঠিক দুই সারি সামনের আসনগুলো পুনর্বিক্রয় (রিসেল) হচ্ছে ১৬ হাজার ডলারের কিছু বেশি দামে। এমনকি পিচের আরও কাছের কিছু টিকিট বিক্রি হচ্ছে ২৪ হাজার ডলারের বেশিতে।

এই টিকিটগুলো ফিফার নিজস্ব টিকিট পুনর্বিক্রয়ের ওয়েবসাইট ‘রিসেল মার্কেটপ্লেস’-এ বিক্রির জন্য তোলা হয়েছে। এটি একটি অফিশিয়াল প্ল্যাটফর্ম যেখানে টিকিট ক্রেতারা তাঁদের টিকিট অন্যদের কাছে পুনরায় বিক্রি করতে পারেন। এই পোর্টালে টিকিটের দাম কত হবে, তা ফিফা নিয়ন্ত্রণ করে না। যার ফলে টিকিটধারীরা ইচ্ছেমতো দাম হাঁকাতে পারেন। তবে প্রতিটি কেনাবেচা থেকে ফিফা উভয় পক্ষের কাছ থেকে ১৫ শতাংশ হারে কমিশন কেটে নেয়।

সিএনএন স্পোর্টসকে ফিফার এক মুখপাত্র বলেন, ‘ফিফার রিসেল মার্কেটপ্লেস সমর্থকদের জন্য নিরাপদ, স্বচ্ছ ও সুরক্ষিত পরিবেশে টিকিট কেনাবেচার সুযোগ করে দেয়। এখানে প্রযোজ্য ফি উত্তর আমেরিকার ক্রীড়া ও বিনোদন জগতের প্রচলিত নিয়মের সঙ্গেই সংগতিপূর্ণ।’

এই প্ল্যাটফর্মটি কানাডা, যুক্তরাষ্ট্র ও আন্তর্জাতিক ফুটবলপ্রেমীদের জন্য উন্মুক্ত। তবে স্থানীয় আইনের কারণে মেক্সিকোর নাগরিকেরা এই পোর্টালে টিকিটের গায়ের দামের চেয়ে বেশি অর্থ দাবি করতে পারেন না।

বর্তমানে এই মার্কেটপ্লেসে ফাইনাল ম্যাচের সাধারণ টিকিটের সর্বনিম্ন পুনর্বিক্রয় মূল্য প্রায় ১১ হাজার ডলার। অন্যদিকে, হুইলচেয়ার ব্যবহারকারীদের জন্য সংরক্ষিত টিকিটের সর্বনিম্ন দাম ঠেকেছে প্রায় ১৫ হাজার ডলারে।

অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসের প্রতিবেদনে জানা যায়, ফিফা গত সপ্তাহে তাদের নিজস্ব সাইটে ফাইনাল ম্যাচের কিছু নতুন অফিশিয়াল টিকিট ছেড়েছিল, যেগুলোর প্রতিটির দাম রাখা হয়েছিল ১০ হাজার ৯৯০ ডলার।

ইতিহাসের সবচেয়ে ‘সাশ্রয়ী’ বিশ্বকাপ হওয়ার কথা থাকলেও টিকিটের এমন আকাশচুম্বী দাম সাধারণ দর্শকদের চোখ কপালে তুলছে। সেই সঙ্গে টুর্নামেন্ট চলাকালীন যাতায়াত খরচ নিয়েও উদ্বেগ বাড়ছে। এ প্রসঙ্গে ফিফা সিএনএনকে জানিয়েছে, “বাজারের চাহিদা বিবেচনা করে ফিফার টিকিটের দাম ও ক্যাটাগরি নির্ধারণ করা হয়েছে। বিভিন্ন ধাপে টিকিট ছাড়া হয়েছে, যার মধ্যে সবচেয়ে সাশ্রয়ী ‘ক্যাটাগরি-৪’ এবং অংশগ্রহণকারী দেশগুলোর জন্য ফাইনালসহ প্রতিটি ম্যাচে অন্তত ১০০০টি টিকিট রাখা হয়েছে মাত্র ৬০ ডলারে।”

উচ্চমূল্যের টিকিট বিক্রির এই শোরগোলের মধ্যেই ফিফা নিজেদের একটি অলাভজনক সংস্থা হিসেবে উল্লেখ করে জানিয়েছে, অর্জিত সব অর্থ ফুটবলের উন্নয়নের কাজে পুনরায় বিনিয়োগ করা হবে।

প্রিন্ট

আরও সংবাদ