খুলনা | রবিবার | ২৬ এপ্রিল ২০২৬ | ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩

সাকলাইনকে অলরাউন্ডার হিসেবেই দেখছেন লিটন

ক্রীড়া প্রতিবেদক |
০৩:৫৪ পি.এম | ২৬ এপ্রিল ২০২৬

 

নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে প্রথম দুই টি-টোয়েন্টিতে বিশ্রাম দেয়া হয়েছে মুস্তাফিজুর রহমান, তাসকিন আহমেদ ও নাহিদ রানাকে। তাদের জায়গায় সুযোগ দেয়া হয়েছে আব্দুল গাফফার সাকলাইন ও রিপন মন্ডলের মতো তরুণ পেসারদের। মূলত বাংলাদেশ দলের মূল বোলারদের বিকল্প তৈরি রাখতে এবং ভবিষ্যতের জন্য তাদের তৈরি করতে তাদের সুযোগ দিয়েছে বাংলাদেশ।

কিউইদের বিপক্ষে সিরিজ শুরুর আগে সংবাদ সম্মেলনে এমনটাই জানিয়েছেন বাংলাদেশ দলের টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক লিটন দাস। তিনি মনে করেন মুস্তাফিজের মতো বোলারের কোনো বিকল্প নেই। তবে কোনো কারণে ইনজুরির কারণে তারকা পেসাররা ছিটকে গেলে যেন সাকলাইন-রিপনরা তৈরি থাকেন সেই ভাবনাতেই নেয়া হয়েছে তাদের।

সংবাদ সম্মেলনে লিটন বলেন, সামগ্রিকভাবে আমার সব বোলারই খুব ভালো। যদি দেখেন, মুস্তাফিজ তো মুস্তাফিজই। তার জায়গার শূন্যতা পূরণ করা খুব কঠিন। তবে একই সঙ্গে আপনাকে এটা মনে রাখতে হবে, যেদিন মুস্তাফিজ খেলবে না, কোনো কারণে যদি চোটে পড়ে, তখন তো অন্য কাউকে খেলতেই হবে। তাই আমরা সেই চেষ্টা করেই দলটা তৈরি করছি। খেলোয়াড়রা যত বেশি ম্যাচ খেলার সুযোগ পাবে, তারা ধীরে ধীরে উন্নতি করবে, মুস্তাফিজের মতো না হলেও তার কাছাকাছি যেতে পারবে।

সর্বশেষ বিপিএলে রাজশাহী ওয়ারিয়র্সের হয়ে খেলেছিলেন সাকলাইন। তিনি ৯ ম্যাচে ৯ উইকেট নিয়েছিলেন বল হাতে। পাশাপাশি ৪ ম্যাচে ব্যাট হাতে করেছিলেন ৫৪ রান। লিটন তাকে অলরাউন্ডার হিসেবেই বিবেচনা করছেন। বাংলাদেশ অধিনায়ক আশাবাদী তাকে দলের সঙ্গে রেখে ভবিষ্যতের জন্য গড়ে তুলতে পারবেন।

লিটন বলেন, সাকলাইনকে আমি আমার দৃষ্টিতে একজন অলরাউন্ডার হিসেবে দেখি। হয়তো আপনি কোন ফরম্যাটের কথা বলছেন জানি না, তবে এখন ফরম্যাট টি-টোয়েন্টি। আমার আশা, সে বিপিএলে রাজশাহীর হয়ে খুব ভালো খেলেছে। সেখান থেকেই সে নজর কেড়েছে। তাই চেষ্টা করব তাকে এখানে ধীরে ধীরে গড়ে তোলার, দলের সঙ্গে রেখে এমন পর্যায়ে নেওয়ার যেন আমরা তাকে খেলাতে পারি এবং সে আমাদের প্রতিদান দিতে পারে।

ওয়ানডে সিরিজে প্রথম ম্যাচে হেরে পিছিয়ে পড়েছিল বাংলাদেশ। এরপর টানা দুই ম্যাচ জিতে সিরিজ নিশ্চিত করে টাইগাররা। টি-টোয়েন্টিতেও মাঠে নামার আগে কিউইদের সমীহ করছেন লিটন। তিনি মনে করিয়ে দিয়েছেন তারা গত টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সেমি ফাইনালিস্ট। দলটি তরুণ ক্রিকেটারদের নিয়ে গড়া হলেও সামর্থ্যের কোনো অভাব নেই তাদের। তাই সতর্ক বাংলাদেশ।

তিনি যোগ করেন, নিউজিল্যান্ড একটি বড় নাম। বিশ্ব ক্রিকেটে তাদের রেকর্ড সবসময়ই ভালো। শেষ বিশ্বকাপেও তারা টি-টোয়েন্টিতে সেমিফাইনাল খেলেছে। হয়তো তারাও নতুন খেলোয়াড় নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করছে। কিন্তু যখন একটি দেশ বড় দল হিসেবে পরিচিত, তখন তাদের অবশ্যই সম্ভাবনা থাকে। আর এই ফরম্যাটটাই এমন যে দুইজন ব্যাটসম্যান বা দুইজন বোলার ভালো খেললেই ম্যাচ জেতা সম্ভব। তাই আমাদের চেষ্টা থাকবে আগের মতোই ভালো ক্রিকেট খেলা এবং নিজেদের সেরাটা দেওয়া।

প্রিন্ট

আরও সংবাদ