খুলনা | বুধবার | ২৯ এপ্রিল ২০২৬ | ১৫ বৈশাখ ১৪৩৩

অতি গরমে টিকা ভ্যাকসিন নষ্টের আশঙ্কা

হামে আক্রান্তের তালিকার শীর্ষে পাইকগাছা

নিজস্ব প্রতিবেদক |
০১:৩১ এ.এম | ২৯ এপ্রিল ২০২৬


মহামারি প্রতিরোধে খুলনা জেলায় জরুরি ভিত্তিতে হাম রুবেলা ক্যাম্পেইন চলছে। আক্রান্তের তালিকায় শীর্ষে রয়েছে পাইকগাছা উপজেলা। অতি গরমে টিকা ভ্যাকসিন নষ্ট হতে পারে এমন আশঙ্কা করছেন স্থানীয় স্বাস্থ্য বিভাগ। গাভীর তৈরি এ টিকার দুই দশমিক আট ডিগ্রী তাপমাত্রা সহনীয়। জেলায় এ পর্যন্ত ২০ জন শিশু হামে আক্রান্ত হয়েছে বলে নিশ্চিত করা হয়েছে।তার মধ্যে পাইকগাছায় ৭ জন। হাম সন্দেহে দিঘলিয়া উপজেলায় একজন শিশু মারা গেছে।
গতকাল মঙ্গলবার বিকেল সাড়ে ৩টায় সিভিল সার্জন কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য প্রকাশ করা হয়। 
ইউনিসেপ, বিশ^ স্বাস্থ্য সংস্থ্যা ও গাভী নামক টিকা উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান এ ক্যাম্পেইনে সার্বিক সহযোগিতা করছে। সিভিল সার্জন ডাঃ মাহফুজা খাতুনের সভাপতিত্বে এ সময় ডেপুটি সিভিল সার্জন ডাঃ মোঃ মিজানুর রহমান ও বিশ^ স্বাস্থ্য সংস্থার প্রতিনিধি ডাঃ নাজমুর রহমান সজিব উপস্থিত ছিলেন।
জেলায় ১ লাখ ৫৬ হাজার ৮২০ জন শিশু টিকাদানের লক্ষ্যমাত্রার আওতায় আনা হয়েছে বলে সংবাদ কর্মীদের অবহিত করা হয়। স্বাস্থ্য বিভাগের সাথে সংশি¬ষ্টরা বলেন, এ পর্যন্ত লক্ষ্যমাত্রার ৪৩ শতাংশ অর্জন হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বাকি ৯০ হাজার শিশুকে টিকা দেওয়া হবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশাবাদী।
স্বাস্থ্য সংশি¬ষ্টরা তথ্য দিয়েছেন একজন শিশু আক্রান্ত হলে তার সংস্পর্শে ১২-১৮ জন আক্রান্ত হতে পাবে। দেশের অন্যান্য স্থানে টিকা দেওয়ার পরেও ১১ শতাংশ আক্রান্ত হয়েছে বলে তথ্য উপস্থাপন করা হয়। কর্মকর্তারা আশংকায় আছেন দাবদাহে টিকা নষ্ট হলে রোগ প্রতিরোধে ৫০ শতাংশ ক্ষমতা হারিয়ে যাবে। জেলায় এ পর্যন্ত ২৫ হাজার ৯০০ ভায়াল এসেছে, যা পর্যাপ্ত বলে সংশ্লি¬ষ্টরা অভিভাবকদের উদ্বেগের অবসান ঘটিয়েছে।
এর আগে গত ১৫ মার্চ থেকে জেলায় টিকার প্রাদুর্ভাব দেখা দেয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে গত ২০ এপ্রিল থেকে চার সপ্তাহের হাম রুবেলা ক্যাম্পেইন শুরু হয়। কেসিসি এলাকায় আগামী ২০ মে পর্যন্ত এ কর্মসূচি চলবে। এর আগে গত ৫ এপ্রিল থেকে প্রথম ধাপে এ ভ্যাকসিন দেওয়া হয়।

প্রিন্ট

আরও সংবাদ