খুলনা | রবিবার | ০৩ মে ২০২৬ | ২০ বৈশাখ ১৪৩৩

মেহেরপুরে ১১ বছরের শিশুকে ধর্ষণের দায়ে একজনের যাবজ্জীবন

খবর প্রতিবেদন |
০৩:২১ পি.এম | ০৩ মে ২০২৬


মেহেরপুরে ১১ বছরের শিশু ধর্ষণের দায়ে আসামি দাউদ আলীকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডাদেশ দিয়েছে আদালত। আজ রোববার (৩ মে) দুপুরে শিশু সহিংসতা ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. তাজুল ইসলাম এ দণ্ডাদেশ দেন। এছাড়াও আরো এক লক্ষ টাকা অর্থদণ্ড অনাদায়ে আরও এক বছরের কারাদণ্ডাদেশ দেয়া হয়েছে।

সাজাপ্রাপ্ত আসামি শহরের তাঁতীপাড়ার কাছেদ আলীর ছেলে।

মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০১৮ সালের ১৮ই জুন শিশুটি পাশ্ববর্তী চাচার বাড়িতে ঘুমানোর জন্য রাত ১০ টার সময় বাড়ি থেকে রওনা দেয়। পথিমধ্যে শিশুটিকে একা পেয়ে দাউদ আলী নানা প্রলোভন দেখিয়ে তার বাড়িতে নিয়ে যায়। একপর্যাযে শিশুটিকে জোর পূর্বক ধর্ষণ করে। শিশুটি চাচার বাড়িতে পৌঁছেছে কিনা পরিবার থেকে রাতেই খবর নেয়া হয়। কিন্তু তারপর থেকেই তার আর কোনো সন্ধান মেলে না। রাতভর বিভিন্ন জায়গায় খুঁজে না পেয়ে ভোর থেকে আবারও শিশুটির সন্ধানে চেষ্টা করতে থাকে পরিবার।

অনেক খোঁজাখুজির পর পরদিন সকাল ৭ টার দিকে অসুস্থ অবস্থায় শিশুটিকে দাউদের বাড়িতে পাওয়া যায়। তার শারীরিক অবস্থা দেখে স্বজনরা জিজ্ঞাসাবাদ করলে একপর্যায়ে শিশুটি বলে তাকে দাউদ আলী বাড়িতে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করেছে।

পরে শিশুটির বাবা বাদি হয়ে ২০১৮ সালের ১৯ জুন মেহেরপুর সদর থানায় ধর্ষণের মামলা দায়ের করেন। ঐ বছরের ১৩ আগস্ট দাউদকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট দেয় পুলিশ।

১১ জনের সাক্ষ্য শেষে রোববার দুপুরে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের রায় দেন আদালত। পাশাপাশি আরো এক লাখ টাকা অর্থদণ্ডাদেশ ও অনাদায়ে আরও এক বছরের কারাদণ্ডের আদেশ দেয় আদালতের বিচারক।

আদালতে রাষ্ট্র পক্ষের আইনজীবী ছিলেন অ্যাডভোকেট মোস্তাফিজু রহমান তুহিন আর আসামি পক্ষের আইনজীবী ছিলেন অ্যাডভোকেট পল্লভ ভট্টাচার্য, অ্যাডভোকেট কামরুল হাসান ও অ্যাডভোকেট গোলাম মোস্তফা।

প্রিন্ট

আরও সংবাদ