খুলনা | বৃহস্পতিবার | ০৭ মে ২০২৬ | ২৪ বৈশাখ ১৪৩৩

ফুরিয়ে আসছে হামের কিট আর আছে ১৩টি

খবর প্রতিবেদন |
০১:৩৫ এ.এম | ০৭ মে ২০২৬


দু-চার দিনের মধ্যে নতুন চালান না এলে কিটের অভাবে হাম শনাক্তের পরীক্ষায় বিঘœ ঘটতে পারে। দেশে হাম পরীক্ষার একমাত্র স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র মহাখালীর জনস্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটের হাতে এখন ১৩টি কিট অবশিষ্ট আছে, যা দিয়ে হাজার দেড়েক নমুনা পরীক্ষা করা সম্ভব। তবে এই কিট শেষ হওয়ার আগেই নতুন চালানা আসার সম্ভাবনা রয়েছে বলে দাবি করেছেন জনস্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটের পরিচালক মোমিনুর রহমান।
ঢাকার মহাখালীর জনস্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটের ল্যাবেই কেবল হামের পরীক্ষা হয়। এই ল্যাবে দিনে ছয় শতাধিক নমুনা পরীক্ষার সক্ষমতা রয়েছে। এর আগে গেল মাসের মাঝামাঝি সময়ে কিটের সংখ্যা কমে গিয়েছিল। এবার সেটি কমতে কমতে ১৩টিতে নামার তথ্য দিয়েছেন ইনস্টিটিউটের একাধিক কর্মকর্তা।
তাদের হিসাবে, একটি কিটের মাধ্যমে ৯০টি নমুনা পরীক্ষা করা যায়। আর দেশ থেকে প্রতিদিন গড়ে নমুনা আসে ৩০০টি। সেই হিসাবে ১৩টি কিটের মাধ্যমে আর পাঁচ-ছয় দিন নমুনা পরীক্ষা করা সম্ভব হবে।ইনস্টিটিউটের কর্মকর্তারা জানান, জানুয়ারি মাসে ছিল ৫৭টি কিট ছিল। পরে আরো ৭০টি কিট সংগ্রহ করা হয়। সব মিলিয়ে ১২৭টি কিট এ বছর এসেছে। এর মধ্যে ১০ হাজার ৫৯৭ স্যাম্পল পরীক্ষ করতে ১১৪টি কিট শেষ হয়েছে।
বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউটের একজন চিকিৎসক নাম প্রকাশ না করে বলেন, “আমরা নমুনা পাঠানোর ৪ থেকে ৫ দিন পর ফল হাতে পাই। অনেক সময় এক সপ্তাহও লেগে যায়। বর্তমান যে পরিস্থিতি, তাতে হামের পরীক্ষার ফল দ্রুত পাওয়া উচিত।”
জনস্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটের পরিচালক মোমিনুর রহমান বিডিনিউজ টোয়েন্টিটফোর ডটকমকে বলেন, “হামের টেস্টিং কিট আমাদের কাছে থাকা সাপেক্ষে সর্বোচ্চ পরীক্ষাই হয়। তবে এখন কিটের সংখ্যা কমে গেছে। “আগামী দু-এক দিনের মধ্যে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মাধ্যমে ৩০টি কিট পাওয়ার কথা রয়েছে। এ ছাড়া সামনে আরো ১০০ কিট আসবে। তখন আবার সর্বোচ্চ হারে পরীক্ষা করা সম্ভব হবে।” তিনি আরো বলেন, হামের কিটের মেয়াদ বেশি দিন থাকে না; ছয় মাসের মতো থাকে। “তাই খুব বেশি নিয়ে এসে সংগ্রহ করে রাখার মতো অবস্থাও নেই। কারণ সব কিট বিশ্ব স্বাস্থা সরবরাহ করে। আবার বিদেশে তৈরির পর আসতে আসতে আরো এক মাস লেগে যায়।”

প্রিন্ট

আরও সংবাদ