খুলনা | বৃহস্পতিবার | ০৭ মে ২০২৬ | ২৪ বৈশাখ ১৪৩৩

টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে ৪-৫ নম্বরে শেষ করতে চায় বাংলাদেশ

ক্রীড়া প্রতিবেদক |
০৩:৫৫ পি.এম | ০৭ মে ২০২৬

 

গতকালই শাহীন শাহ আফ্রিদি জানিয়েছিলেন, বাংলাদেশের বিপক্ষে সিরিজের মধ্য দিয়ে টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে চোখ রাখছে পাকিস্তান। বাংলাদেশের নজর অবশ্য অত উঁচুতে নেই। আপাতত টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে চার-পাঁচে শেষ করতে চায় নাজমুল হোসেন শান্তর দল।

টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ২০২৩-২৫ চক্রটা অসাধারণ কাটে বাংলাদেশের। সেই চক্রে পয়েন্ট টেবিলের সপ্তম স্থানে শেষ করে টাইগাররা। তালিকায় বাংলাদেশের নিচে ছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজ, পাকিস্তানের মতো দল। সেই চক্রে বাংলাদেশ জিতে চারটি ম্যাচে।

নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ২০২৩ সালে ঘরের মাঠে ম্যাচ জয়ের পর ২০২৪ সালের আগস্টে পাকিস্তানের বিপক্ষে টেস্ট সিরিজটি ২-০ ব্যবধানে জিতে বাংলাদেশ।

২০২৪ সালের নভেম্বরে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে একটি টেস্ট ম্যাচও জিতে শান্তর দল। সেই প্রেরণা কাজে লাগিয়েই চলমান চক্রে আরো বেশি ভালো ফলাফল করতে চায় বাংলাদেশ। আর শুরুটা করতে চায় পাকিস্তানের বিপক্ষে আগামীকাল শুরু হতে যাওয়া ঘরের মাঠের সিরিজটি দিয়েই।

সংবাদ সম্মেলনে নিজের লক্ষ্যের কথা জানিয়ে শান্ত বলেন, আমার মনে হয় গত দুই বছর আমরা ভালো ক্রিকেট খেলেছি, যেটা আপনি বললেন যে ৭ নম্বরে শেষ করেছি। আমার মনে হয় এটা ভালো একটা অর্জন। ধীরে ধীরে এই জায়গাটায় উন্নতি হচ্ছে, যেটা এর আগের চক্রগুলোতে হয়নি। এ বছর লক্ষ্য থাকবে আমার মনে হয় তার থেকে আরেকটু যদি ভালো পারফর্ম করতে পারি, চার, পাঁচ এরকম যদি শেষ করতে পারি, খুবই ভালো লাগবে।

চলতি বছর পাকিস্তান সিরিজ ছাড়াও আরো দুটি টেস্ট সিরিজে খেলবে বাংলাদেশ। আগস্টে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজ খেলবে টাইগাররা। ১৩ আগস্ট ডারউইনে শুরু হবে প্রথম টেস্ট, ২২ আগস্ট ম্যাকায়তে শুরু হবে দ্বিতীয় টেস্ট।

এরপর নভেম্বরে সাউথ আফ্রিকার বিপক্ষে দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজ খেলবে বাংলাদেশ। প্রথম টেস্টটি ১৫ নভেম্বর জোহানেসবার্গে, দ্বিতীয়টি ২৩ নভেম্বর সেঞ্চুরিয়নে। অস্ট্রেলিয়া-সাউথ আফ্রিকার কন্ডিশনে নিয়মিত না খেলার কারণে সিরিজগুলো চ্যালেঞ্জিং হবে বলেই বিশ্বাস শান্তর। এ কারণে ঘরের মাঠে থাকা সিরিজগুলোতে বাড়তি নজর দিচ্ছেন বাংলাদেশের টেস্ট অধিনায়ক। অবশ্য নিজ দলের ওপর যথেষ্ট আত্মবিশ্বাসও আছে তার।

শান্ত আরো বলেন, চ্যালেঞ্জ আছে, বেশ কিছু বিদেশ সফর আছে যেটা আমাদের জন্য একদমই নতুন হবে- অস্ট্রেলিয়া, সাউথ আফ্রিকা আছে। কিন্তু আমার মনে হয় যে সিরিজগুলো আমাদের ঘরের মাঠে আমরা খেলব, এগুলো খুব গুরুত্বপূর্ণ এবং প্রতিপক্ষের শক্তিমত্তা অনুযায়ী আমরা ঐ ধরনের কন্ডিশন তৈরি করার চেষ্টা করব। কিন্তু এখন যেটা আমি একটু আগে বললাম যে টিমটা খুব ভারসাম্যপূর্ণ আছে- পেস বোলিং, স্পিন বোলিং এবং ব্যাটসম্যান।

প্রিন্ট

আরও সংবাদ