খুলনা | শুক্রবার | ০৮ মে ২০২৬ | ২৫ বৈশাখ ১৪৩৩

আগামীতে নোট-গাইডের দরকার হবে না: শিক্ষামন্ত্রী

খবর প্রতিবেদন |
০৫:২৪ পি.এম | ০৮ মে ২০২৬


শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহসানুল হক মিলন বলেছেন, বর্তমান শিক্ষা ব্যবস্থা এমন দিকে ধাবিত হচ্ছে, যেখানে নোট-গাইড আর দরকার হবে না। তবে শিক্ষার্থীদের সহায়তার জন্য সহযোগী বই থাকবে বলে জানিয়েছেন তিনি।

আজ শুক্রবার দুপুর ১২টায় বাংলা একাডেমিতে বাংলাদেশ পুস্তক প্রকাশক ও বিক্রেতা সমিতির বার্ষিক সাধারণ সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, শিক্ষকরা যে প্রেসক্রিপশন দেন, এই নোট-গাইড পড়তে হবে; এটা করা যাবে না। শিক্ষকদের সহযোগী বইয়ের তালিকা দিয়ে দিতে হবে, শিক্ষার্থীরা সেটা কিনবে।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আমি কখনও এপ্রিশিয়েট করতে পারবো না যে, নোট-গাইড বই থাকুক। কিন্তু বই তো বন্ধ হবে না। গাইড বইয়ের ভেতরে অনেক লুপস রয়েছে; যেমন কিছু কিছু প্রতিষ্ঠানের গাইড বই থেকেই আমাদের শিক্ষকরা প্রশ্ন করেন; এমন কথাও শোনা যায়। শিক্ষকদের দিয়ে গাইড বিতরণের বিষয়েও বিগত সরকারের সময় পত্রপত্রিকায় এসেছে। হাজার হাজার কোটি টাকা অর্জনের কথাও শোনা গেছে, এগুলো বাস্তব-অবাস্তবের সমন্বয়। আমার শিক্ষকরা যদি প্রেসক্রিপশন দিতে থাকেন যে এই নোট-গাইড করতে হবে, আর সেটাকে যদি আপনারা কনভিন্স করেন, তাহলে এখানে মূলত নিয়ন্ত্রণ দরকার। সহকারী ও সহযোগী বই থাকবে এবং যারা জানবে তারা কিনবে।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, চীনের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক দীর্ঘদিনের। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এ সম্পর্ক বিনির্মাণে জোর দিয়েছিলেন। এ সম্পর্ক আগামীর প্রত্যাশিত বাংলাদেশ বিনির্মাণে বিশেষ ভূমিকা রাখবে। বিশেষ করে বাংলাদেশের শিক্ষাক্ষেত্রের উন্নয়নে চীন আরও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে।

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ একটি জনবহুল দেশ। আমরা যদি এই জনসংখ্যাকে জনসম্পদে রূপান্তরিত করতে পারি তাহলে দেশকে আরও উন্নত পর্যায়ে নিতে সক্ষম হব। এজন্য আমাদের কারিগরি সেক্টরের উপর গুরুত্ব দিতে হবে। দেশের বর্তমান প্রজন্মকে দক্ষ ও বৈশ্বিক মানের মানবসম্পদ হিসেবে গড়ে তুলতে চীনের সঙ্গে যৌথভাবে শিক্ষা ও কারিগরি খাতে সহযোগিতা আরও বৃদ্ধি করতে হবে।

এ সময় তিনি জানান, ব্যবসায়ীদের সুবিধা হলে বই বিক্রিকে শিল্প হিসেবে স্বীকৃতি দিতে বাধা নেই।  আমি চাই মুদ্রণশিল্পে একে অন্যের পরিপূরক হিসেবে কাজ করুক। আপনাদের অনুরোধ করব; বইয়ের ব্যবসা করেন ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য।

তবে বই ছাপানোর ক্ষেত্রে মানসম্মত কাগজ ব্যবহার করার পরামর্শ দেন শিক্ষামন্ত্রী।’

প্রিন্ট

আরও সংবাদ