খুলনা | বুধবার | ১৩ মে ২০২৬ | ৩০ বৈশাখ ১৪৩৩

সাবেক মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন মারা গেছেন

খবর প্রতিবেদন |
০১:২২ পি.এম | ১৩ মে ২০২৬

 

কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন মারা গেছেন।

বুধবার (১৩ মে) সকাল ১০টায় ঢাকার স্কয়ার হাসপাতালে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। তার পরিবার সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

তিনি চট্টগ্রাম-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য। চট্টগ্রাম-১ আসন থেকে তিনি আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে ১৯৭৩, ১৯৮৬, ১৯৯৬, ২০০৮,২০১৪ ও ২০১৮ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয় লাভ করেন। তিনি গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় এবং বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সাবেক মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

১৯৪৩ সালের ১২ জানুয়ারি তারিখে চট্টগ্রামের মীরসরাই উপজেলার ধুম গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি চট্টগ্রাম কলেজিয়েট স্কুল থেকে মেট্রিকুলেশন পাশ করেন। ১৯৬২ সালে স্যার আশুতোষ সরকারি কলেজ থেকে তিনি এইচএসসি পরীক্ষায় পাশ করেন। ১৯৬৬ সালে লাহোরের ইঞ্জিনিয়ারিং ও কারিগরী বিশ্ববিদ্যালয়ের মাইনিং ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে বিএসসি সম্পন্ন করেন তিনি।

১৯৬৪ সালে তার বাবা সর্বপ্রথম কক্সবাজারে হোটেল সায়মন প্রতিষ্ঠা করেন। পরে তিনি সেই হোটেলের কার্যক্রম আরও বিস্তৃত করেন। বর্তমানেও এটি কক্সবাজারের হোটেলগুলোর মধ্যে অন্যতম প্রধান একটি হোটেল হিসেবে বিবেচিত।

দাম্পত্য জীবনে তিনি স্ত্রী আয়েশা সুলতানার সাথে সংসার করেছেন। তার তিন ছেলে ও একজন মেয়ে রয়েছে।

তিনি চট্টগ্রাম কলেজিয়েট স্কুল থেকে মেট্রিকুলেশন পাশ করেন। ১৯৬২ সালে স্যার আশুতোষ সরকারি কলেজ থেকে তিনি এইচএসসি পরীক্ষায় পাশ করেন। ১৯৬৬ সালে লাহোরের ইঞ্জিনিয়ারিং ও কারিগরি বিশ্ববিদ্যালয়ের মাইনিং ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে বিএসসি সম্পন্ন করেন তিনি।

১৯৭০ সালে তিনি সর্বপ্রথম তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান প্রাদেশিক পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হন। মহান মুক্তিযুদ্ধে তিনি সেক্টর-১ এর সাব-সেক্টর কমান্ডার ছিলেন। ১৯৭২ সালে তিনি সংবিধান প্রণেতাদের মধ্যে তিনি অন্যতম। ১৯৮৬ সালে জাতীয় সংসদে তিনি বিরোধী দলীয় হুইপ এবং ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন সরকারের বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন এবং গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের মতো গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন।

২০০৮ সালে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার পর তিনি জাতীয় সংসদে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের স্থায়ী কমিটির সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। রাজনীতিতে আসার পর তিনি দলের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করেন।

২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন সরকারের পতন হলে ওই বছরের ২৭ অক্টোবর রাজধানীর ভাটারা এলাকা থেকে পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে। তার বিরুদ্ধে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন কেন্দ্রিক সহিংসতাসহ বিভিন্ন অভিযোগে একাধিক মামলা করা হয়েছিল। পরবর্তী সময়ে ওই বছরের আগস্ট মাসে তিনি ধাপে ধাপে সব মামলায় আদালত থেকে জামিন পান। ২০২৫ সালের ১৪ আগস্ট বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকা অবস্থায় তিনি কারামুক্তি পান।

প্রিন্ট

আরও সংবাদ