খুলনা | শুক্রবার | ১৫ মে ২০২৬ | ১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

‘অবৈধ পাচার রোধে সরকার কঠোর অবস্থানে সরকার’

বেড়েছে কোরবানির গরুর চামড়ার দাম, বর্গফুটে ২-৩ টাকা

খবর প্রতিবেদন |
০২:০৭ এ.এম | ১৪ মে ২০২৬


পবিত্র ঈদুল আযহা সামনে রেখে কোরবানির পশুর চামড়ার নতুন দাম নির্ধারণ করেছে সরকার। এবারের সিদ্ধান্তে লবণযুক্ত গরুর চামড়ায় প্রতি বর্গফুটে ২ টাকা এবং খাসির চামড়ায় ৩ টাকা বাড়ানো হয়েছে। এ বছর ঢাকায় গরুর প্রতি বর্গফুট লবণযুক্ত চামড়ার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৬২ থেকে ৬৭ টাকা, যা গত বছর ছিল ৬০ থেকে ৬৫ টাকা। অন্যদিকে ঢাকার বাইরে গরুর প্রতি বর্গফুট লবণযুক্ত চামড়ার দাম নির্ধারণ করা হয় ৫৭ থেকে ৬২ টাকা, যা গত বছর ছিল ৫৫ থেকে ৬০ টাকা।
বুধবার বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে কোরবানি সম্পর্কিত বিষয়াদির সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা নিশ্চিতকরণ সভা শেষে সাংবাদিকদের এ দাম জানান বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। 
গরুর চামড়া (ঢাকা মহানগর) : প্রতি বর্গফুট ৬২ থেকে ৬৭ টাকা (গত বছর ছিল ৬০-৬৫ টাকা)। গরুর চামড়া (ঢাকার বাইরে) : প্রতি বর্গফুট ৫৭ থেকে ৬২ টাকা (গত বছর ছিল ৫৫-৬০ টাকা)। খাসির চামড়া (সারা দেশে) : প্রতি বর্গফুট ২৫ থেকে ৩০ টাকা। বকরির চামড়া (সারা দেশে) : প্রতি বর্গফুট ২২ থেকে ২৫ টাকা।
বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির ব্রিফিংয়ে জানান, কোরবানির পশুর চামড়া যেন অযতেœ নষ্ট না হয়, সে লক্ষ্যে জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের মাধ্যমে মাঠপর্যায়ে সরকারি ব্যবস্থাপনায় লবণ পৌঁছে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। 
মন্ত্রী আরও জানান, চামড়া সংরক্ষণের জন্য মাংস ব্যবসায়ী এবং মাদ্রাসার সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। প্রশিক্ষণ ও লবণ সরবরাহ নিশ্চিত করতে সরকারের প্রায় ২০ কোটি টাকা ব্যয় হবে। 
দেশের চামড়া শিল্প রক্ষা এবং অবৈধ পাচার রোধে সরকার কঠোর অবস্থানে রয়েছে বলে জানান বাণিজ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘চামড়া পাচার রোধে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকতে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।’ সরকার একটি সমন্বিত উদ্যোগের মাধ্যমে দেশীয় চামড়া শিল্পকে এগিয়ে নিতে চায় বলে তিনি উল্লেখ করেন।
মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তাদের প্রতি কঠোর নির্দেশ দিয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘কোরবানির চামড়া সংগ্রহ ও সংরক্ষণে যেন কোনো ধরনের অব্যবস্থাপনা তৈরি না হয়, সেদিকে বিশেষ নজর রাখতে হবে।’ এ সময় বাণিজ্য মন্ত্রী বলেন, এবারও চামড়া সংরক্ষণের ১৭ কোটি ৬০ লাখ টাকার লবণ বিনামূল্যে দেবে সরকার। 
এ সময় মন্ত্রী বলেন, আগামী কোরবানির ঈদে আমাদের কোনো চামড়া যেন নষ্ট না হয় সেজন্য আমরা কাজ করছি। প্রতিটি জেলা এবং উপজেলা প্রশাসন সংশ্লিষ্ট মসজিদ-মাদ্রাসার লোকদের ডেকে এনে প্রশিক্ষণ দেবেন। তারা কোরবানির পরে চামড়া সংরক্ষণ করবেন।

প্রিন্ট

আরও সংবাদ