খুলনা | বৃহস্পতিবার | ১৪ মে ২০২৬ | ৩১ বৈশাখ ১৪৩৩

খুবির বিজ্ঞান, প্রকৌশল ও প্রযুক্তিবিদ্যা স্কুলের ১৫ শিক্ষার্থী পেলেন ডিন’স এ্যাওয়ার্ড

খবর বিজ্ঞপ্তি |
০২:২৯ এ.এম | ১৪ মে ২০২৬


মেধা ও একাডেমিক কৃতিত্বের স্বীকৃতিস্বরূপ খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞান, প্রকৌশল ও প্রযুক্তিবিদ্যা স্কুলভুক্ত আটটি ডিসিপ্লিনের ১৫ জন  শিক্ষার্থী ডিন’স এ্যাওয়ার্ড লাভ করেছেন। বুধবার বেলা সাড়ে ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ইউআরপি ডিসিপ্লিনের লেকচার থিয়েটারে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে ২০২৫ ও ২০২৬ সালে এ্যাওয়ার্ডপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের হাতে ক্রেস্ট ও সম্মাননাপত্র তুলে দেওয়া হয়।
২০২৫ সালে ডিন’স এ্যাওয়ার্ড পাওয়া শিক্ষার্থীরা হলেন স্থাপত্য ডিসিপ্লিনের কানিজ ফাতিমা খুশি (প্রাপ্ত সিজিপিএ ৩.৮৬), কম্পিউটার সায়েন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং ডিসিপ্লিনের সুমাইয়া জান্নাতি (প্রাপ্ত সিজিপিএ ৩.৯৩), ইলেক্ট্রনিক্স এন্ড কমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং ডিসিপ্লিনের ফাতিমা রহমান (প্রাপ্ত সিজিপিএ ৩.৮৭), গণিত ডিসিপ্লিনের সোনালি তরফদার (প্রাপ্ত সিজিপিএ ৩.৯৩), পদার্থবিজ্ঞান ডিসিপ্লিনের মোঃ সাজ্জাদ হোসেন ইমন (প্রাপ্ত সিজিপিএ ৩.৮৯), রসায়ন ডিসিপ্লিনের শ্রেয়সী কুন্ডু (প্রাপ্ত সিজিপিএ ৩.৯৫) এবং পরিসংখ্যান ডিসিপ্লিনের ওয়াসিম সামি খান (প্রাপ্ত সিজিপিএ ৩.৯৩)।
২০২৬ সালে ডিন’স এ্যাওয়ার্ড পাওয়া শিক্ষার্থীরা হলেন স্থাপত্য ডিসিপ্লিনের সুরেশ বিশ্বকর্মা (প্রাপ্ত সিজিপিএ ৩.৮৪), কম্পিউটার সায়েন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং ডিসিপ্লিনের সুস্মিতা বিশ্বাস (প্রাপ্ত সিজিপিএ ৩.৮৯), নগর ও গ্রামীণ পরিকল্পনা ডিসিপ্লিনের শোভন দাস (প্রাপ্ত সিজিপিএ ৩.৮১), ইলেক্ট্রনিক্স এন্ড কমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং ডিসিপ্লিনের আরিফুল ইসলাম (প্রাপ্ত সিজিপিএ ৩.৮৩), গণিত ডিসিপ্লিনের মোঃ আনিসুর রহমান পলাশ (প্রাপ্ত সিজিপিএ ৩.৯৪), পদার্থবিজ্ঞান ডিসিপ্লিনের উপেন্দ্র সেন চাকমা (প্রাপ্ত সিজিপিএ ৩.৯৪), রসায়ন ডিসিপ্লিনের মাহফুজা ইসলাম (প্রাপ্ত সিজিপিএ ৩.৯৭) এবং পরিসংখ্যান ডিসিপ্লিনের মোঃ সৌরভ হোসেন (প্রাপ্ত সিজিপিএ ৩.৯২)।
এবারের ডিন’স এ্যাওয়ার্ডের একটি বিশেষ দিক হলো, স্থাপত্য ডিসিপ্লিনের নেপালি শিক্ষার্থী সুরেশ বিশ্বকর্মা এ সম্মাননা অর্জন করেছেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিকীকরণ ও বিদেশি শিক্ষার্থীদের একাডেমিক সাফল্যের ক্ষেত্রে এটি একটি ইতিবাচক দৃষ্টান্ত হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
এ্যাওয়ার্ড প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতা করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ রেজাউল করিম। এ সময় তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের সাফল্যে অভিভাবকদের পাশাপাশি শিক্ষকরাও গর্বিত হন। ভবিষ্যৎ জীবনেও এ সাফল্যের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে হবে। তিনি আরও বলেন, একাডেমিক সাফল্যের পাশাপাশি গবেষণায় সম্পৃক্ত হলে তার ইতিবাচক ফল পাওয়া যায়। বিশেষ করে বিভিন্ন মর্যাদাপূর্ণ স্কলারশিপ অর্জনের জন্য মানসম্পন্ন গবেষণা ও পেপার পাবলিকেশন গুরুত্বপূর্ণ।
উপাচার্য বলেন, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়কে গবেষণাধর্মী ও ইমপ্যাক্টফুল বিশ্ববিদ্যালয়ে পরিণত করার লক্ষ্যে নানা উদ্যোগ বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। শিক্ষার্থীদের জন্য গবেষণায় সম্পৃক্ত হওয়ার অনুক‚ল পরিবেশ তৈরি করা হয়েছে এবং কোলাবরেটিভ ও মাল্টি-ডিসিপ্লিনারি গবেষণায় উৎসাহ দেওয়া হচ্ছে। তিনি শিক্ষার্থীদের থিসিস ও গবেষণার আউটকাম শোকেসিংয়ের উদ্যোগ নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহŸান জানান।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ হারুনর রশীদ খান। বিজ্ঞান, প্রকৌশল ও প্রযুক্তিবিদ্যা স্কুলের ডিন প্রফেসর ড. মোঃ আশরাফুল আলমের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন জীববিজ্ঞান স্কুলের ডিন প্রফেসর ড. মোঃ গোলাম হোসেন ও ছাত্র বিষয়ক পরিচালক প্রফেসর ড. মোঃ নাজমুস সাদাত। স্বাগত বক্তৃতা করেন ইউআরপি ডিসিপ্লিনের প্রফেসর ও দি অফিস অব ইন্টারন্যাশনাল অ্যাফেয়ার্সের পরিচালক ড. মোঃ আশিক উর রহমান।
এ্যাওয়ার্ডপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের মধ্য থেকে অনুভ‚তি ব্যক্ত করেন স্থাপত্য ডিসিপ্লিনের কানিজ ফাতিমা খুশি ও গণিত ডিসিপ্লিনের মোঃ আনিসুর রহমান পলাশ। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন ইউআরপি ডিসিপ্লিনের প্রভাষক সুমাইয়া নাজ।
অনুষ্ঠানে বিভিন্ন স্কুলের ডিন, সংশ্লিষ্ট স্কুলভুক্ত ডিসিপ্লিনসমূহের প্রধানবৃন্দ, শিক্ষকবৃন্দ, অ্যাওয়ার্ডপ্রাপ্ত শিক্ষার্থী এবং তাদের অভিভাবকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। 

প্রিন্ট

আরও সংবাদ