খুলনা | রবিবার | ১৭ মে ২০২৬ | ৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

আজকের শিক্ষার্থীরাই ভবিষ্যতে কম্পিউটার বিজ্ঞানে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে : খুবি উপাচার্য

খুবি প্রতিনিধি |
০২:০৬ এ.এম | ১৭ মে ২০২৬


খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে জাতীয় হাই স্কুল প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতা (এনএইচএসপিসি) ও বাংলাদেশ সাইবার সিকিউরিটি অলিম্পিয়াড (বিসিএসও)-২০২৬ এর খুলনা আঞ্চলিক পর্ব অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল (বিসিসি) ও জাতীয় সাইবার সিকিউরিটি এজেন্সির আয়োজনে এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের সহযোগিতায় দিনব্যাপী এ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। প্রতিযোগিতায় প্রোগ্রামিংয়ের তিনটি ক্যাটাগরিতে ১০০ জন এবং কুইজের দু’টি ক্যাটাগরিতে ২০০ জন শিক্ষার্থী অংশ নেন।
প্রতিযোগিতা শেষে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিক লিয়াকত আলী মিলনায়তনে পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. মোঃ রেজাউল করিম।
বক্তব্যে উপাচার্য বলেন, আজকের শিক্ষার্থীরাই ভবিষ্যতে কম্পিউটার বিজ্ঞানে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে। এ প্রতিযোগিতা প্রমাণ করেছে, শুধু বড় শহর বা নামী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নয়, দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকেও মেধাবী শিক্ষার্থীরা উঠে আসছে। এ ধরনের আয়োজন শিক্ষার্থীদের নিজেদের দক্ষতা ও সক্ষমতা তুলে ধরার সুযোগ তৈরি করে। তিনি শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিনির্ভর উদ্ভাবনী চিন্তায় এগিয়ে আসার আহŸান জানান।
কম্পিউটার সায়েন্স এ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং ডিসিপ্লিনের প্রধান ড. মোঃ রফিজুল হকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিলের পরিচালক শেখ মফিজুর রহমান। স্বাগত বক্তৃতা করেন সিএসই ডিসিপ্লিনের প্রভাষক ফারহান সাদিক। 
এ সময় প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতার জুনিয়র, সেকেন্ডারি ও হায়ার সেকেন্ডারি এই তিন ক্যাটাগরিতে পাঁচজন করে এবং কুইজ প্রতিযোগিতার জুনিয়র ও সিনিয়র ক্যাটাগরিতে ১০ জন করে বিজয়ীর নাম ঘোষণা করা হয়।
প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়া অর্নব সাহা বলেন, এ ধরনের প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে আমরা নতুন কিছু শেখার সুযোগ পাই। এছাড়াও এই প্রতিযোগিতার অভিজ্ঞতা ভবিষ্যতে আমাদের কাজে লাগবে। 
পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে সিএসই ডিসিপ্লিনের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবকসহ খুলনা অঞ্চলের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

প্রিন্ট

আরও সংবাদ