খুলনা | বৃহস্পতিবার | ২৮ মে ২০২৬ | ১৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজকে গোপনে সহায়তা দিচ্ছে মার্কিন নৌবাহিনী

খবর প্রতিবেদন |
০৩:৫৪ পি.এম | ২৭ মে ২০২৬


যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান উত্তেজনা এবং অনিশ্চিত আলোচনা পরিস্থিতির মধ্যে হরমুজ প্রণালি অতিক্রমকারী বাণিজ্যিক জাহাজগুলোকে নীরবে সহায়তা দিচ্ছে মার্কিন নৌবাহিনী। মঙ্গলবার (২৬ মে) এমন তথ্য জানিয়েছে ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল।

মার্কিন সামরিক কর্মকর্তাদের বরাতে প্রতিবেদনে বলা হয়, ওমান উপকূলসংলগ্ন জলপথ দিয়ে যাওয়ার সময় ২০ লাখ ব্যারেল অপরিশোধিত তেলবাহী একটি গ্রিক সুপারট্যাংকারকে মার্কিন নৌবাহিনী নিরাপত্তা সহায়তা দিয়েছে। মার্চের শুরু থেকে উপসাগরীয় এলাকায় আটকে থাকা জাহাজটি বর্তমানে ভারতে যাওয়ার পথে রয়েছে।

তবে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র আনুষ্ঠানিকভাবে বাণিজ্যিক জাহাজ এসকর্ট কার্যক্রম পুনরায় চালু করেনি। যদিও আগামী কয়েক দিনে সুপারট্যাংকার ও কনটেইনার জাহাজসহ অন্তত এক ডজন জাহাজকে সহায়তা দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।

এদিকে মঙ্গলবার ইরান অভিযোগ করেছে, হরমুজ প্রণালির কাছে হামলা চালিয়ে যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করেছে যুক্তরাষ্ট্র। তবে ওয়াশিংটনের দাবি, এসব হামলা ছিল 'আত্মরক্ষামূলক' এবং তা ক্ষেপণাস্ত্র স্থাপনা ও মাইন পেতে থাকা নৌযান লক্ষ্য করে চালানো হয়েছে।

নিউইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মার্কিন গোয়েন্দারা ইরানের সম্ভাব্য সামরিক তৎপরতার তথ্য পাওয়ার পর সোমবার দক্ষিণ ইরানের কয়েকটি লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালানো হয়। মার্কিন যুদ্ধবিমান ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর দুটি স্পিডবোট ডুবিয়ে দেয়, যেগুলো হরমুজ প্রণালিতে মাইন পেতে চেষ্টা করছিল বলে দাবি করা হয়েছে।

বিশ্বের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ তেল ও গ্যাস সরবরাহের জন্য গুরুত্বপূর্ণ এই হরমুজ প্রণালি ঘিরে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। সেন্টকম জানিয়েছে, এপ্রিলের মাঝামাঝি থেকে ইরানি বন্দরমুখী বা সেখান থেকে বের হওয়া ১০৮টি বাণিজ্যিক জাহাজের গতিপথ পরিবর্তন করা হয়েছে।

অন্যদিকে ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) বলেছে, যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করলে তারা পাল্টা জবাব দেওয়ার অধিকার রাখে। একই সঙ্গে তারা একটি মার্কিন এমকিউ-৯ ড্রোন ভূপাতিত করার দাবি করেছে। যদিও পেন্টাগন এ দাবি অস্বীকার করেছে।

প্রিন্ট

আরও সংবাদ