খুলনা | বৃহস্পতিবার | ০৪ জুন ২০২৬ | ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

সাগর-রুনি হত্যা মামলার তদন্তে অগ্রগতি নেই, কারণ জানালেন অ্যাটর্নি জেনারেল

খবর প্রতিবেদন |
০৪:১৪ পি.এম | ০৩ জুন ২০২৬


সাংবাদিক দম্পতি সাগর সারওয়ার ও মেহেরুন রুনি হত্যা মামলার আগের তদন্ত কর্মকর্তাদের বর্তমান টাস্কফোর্স খুঁজে পাচ্ছেন না। এ কারণে তদন্তে আশানুরূপ অগ্রগতি হচ্ছে না বলে জানিয়েছেন অ্যাটর্নি জেনারেল মোহাম্মদ রুহুল কুদ্দুস কাজল।

বুধবার (৩ জুন) অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয়ে সকালে সাংবাদিক দম্পতি সাগর-রুনির সন্তান মেঘ ও এই মামলার বাদী রুনির ভাই নওশের রোমানের সঙ্গে মামলার তদন্ত সম্পর্কে সাক্ষাৎকালে তিনি একথা বলেন।

অ্যাটর্নি জেনারেল আরও জানান, ঘটনার অনেক আলামত ও নথিপত্রও তাদের হাতে আসেনি। সাংবাদিক দম্পত্তি সাগর-রুনি হত্যা মামলার অনেক আলামত গায়েব। ধারাবাহিকতা না থাকায় নতুন তদন্ত দলকে বেগ পেতে হচ্ছে। তবুও বিচারিক ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে তদন্ত চলমান আছে।

এসময় বাবা-মা হত্যার বিচার চান সন্তান মেঘ। আর অ্যাটর্নি জেনারেল তাকে আশ্বস্ত করেন।

১৪ বছরেও সাংবাদিক দম্পত্তি সাগর সরওয়ার ও মেহেরুন রুনি হত্যা মামলায় কুল কিনারা করতে পারেনি কোন সংস্থাই। প্রায় একবছর আগে উচ্চ আদালতেও নির্দেশে উচ্চ পর্যায়ের টাস্কফোর্স গঠন করা হলেও তারাও রয়েছেন অন্ধকারে।

অ্যাটর্নি জেনারেল রুহুল কুদ্দুস কাজল বলেন, ঘটনার তদন্তের চেইন অব অ্যাকশন নেই। ওই সময় ঘটনার পর আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর যারা ক্রাইম সিনে গেছেন তাদের কোনোভাবে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না।

সাগর-রুনি হত্যা মামলা আলো আধারের মধ্যে ঘুরপাক খেলেও আলোর মুখ দেখবে বলে প্রত্যাশা আইনজীবী শিশির মনিরের।

বাদীপক্ষের আইনজীবী শিশির মনির বলেন, অতীতে যে তদন্ত হয়েছে সেই তদন্তের সময়কার কিছু জবানবন্দি ফাইল বন্দি করা আছে। এবং আমি দুটো ডিএনএ রিপোর্ট দেখেছি। একটা রিপোর্ট তো আমেরিকার একটি ইনস্টিটিউশন থেকে করা। এ জন্য আমার মনে হয়, প্রগেস রিপোর্টটা আপনাদের দেখালে বা পাবলিক ডকুমেন্টে হিসেবে কোর্ট থেকে নিলে সেটা যখন পরিবার দেখতে পাবে তখন আলো আধারের মাঝখানে কিছু আশার আলো দেখতে পাবে।

২০১২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি সাংবাদিক দম্পতি সাগর সরওয়ার ও মেহেরুন রুনি ঢাকার পূর্ব রাজাবাজারের বাসায় খুন হন৷ ১৪ বছর পার হলেও এই হত্যার মোটিভ এবং প্রকৃত অপরাধীদের চিহ্নিত করতে পারেনি তদন্তকারী কয়েকটি সংস্থা। শুধু কয়েকজনকে জিজ্ঞাসাবাদে আটকে আছে মামলাটি।

প্রিন্ট

আরও সংবাদ