খুলনা | শুক্রবার | ০৫ জুন ২০২৬ | ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

দুই দায়িত্ব একসঙ্গে পালনের নজির আছে: খলিলুর রহমান

খবর প্রতিবেদন |
১১:৩২ পি.এম | ০৪ জুন ২০২৬

 

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের (ইউএনজিএ) ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি নির্বাচিত হওয়ার পর পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দায়িত্বে থাকা নিয়ে যে আলোচনা চলছে, তা নিয়ে কোনো জটিলতা দেখছেন না পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান। তিনি বলেছেন, জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের সভাপতি ও দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দায়িত্ব একসঙ্গে পালনের নজির অতীতেও রয়েছে।

আজ বৃহস্পতিবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে খলিলুর রহমান বলেন, ‘চাকরি ছাড়ব কি না, ছুটি নেব কি না, এটাই তো প্রশ্ন? এত ব্যস্ত হবেন না, এটার প্রিসিডেন্স আছে।’

চার দশক আগের একটি উদাহরণ টেনে খলিলুর রহমান বলেন, ‘আজ থেকে ৪০ বছর আগে আমাদের সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী হুমায়ুন রশীদ চৌধুরী জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি নির্বাচিত হয়েছিলেন। আমি তখন তাঁর ব্যক্তিগত সচিব ছিলাম। তিনি দুই দায়িত্বই সফলভাবে পালন করেছিলেন। তখন ছিল ইন্টারনেটপূর্ব যুগ। এখন প্রযুক্তির এই সময়ে দুটো কাজ একসঙ্গে করা আরও সহজ।’

প্রসঙ্গত, গত মঙ্গলবার জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি নির্বাচনে সাইপ্রাসের প্রার্থীকে পরাজিত করে বিজয়ী হন খলিলুর রহমান। তবে নির্বাচনের পর থেকে আলোচনা শুরু হয়—তিনি পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দায়িত্বে বহাল থাকবেন, নাকি সভাপতির দায়িত্ব পালনের জন্য পদত্যাগ বা ছুটিতে যাবেন।

তবে গত ১৩ মে নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে এক অনানুষ্ঠানিক মতবিনিময় সভায় খলিলুর রহমান বলেছিলেন, নির্বাচিত হলে তিনি সবার জন্য নিরপেক্ষ ও পূর্ণকালীন সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। একই সঙ্গে তিনি ইঙ্গিত দিয়েছিলেন, প্রয়োজন হলে এক বছরের জন্য ছুটিতে যেতে পারেন।

সে সময় খলিলুর রহমান বলেছিলেন, ‘আমি কি পদত্যাগ করব? না। আমার প্রধানমন্ত্রী (তারেক রহমান) আমাকে স্পষ্টভাবে বলেছেন, পূর্ণকালীন দায়িত্ব পালনের জন্য তিনি আমাকে এক বছরের সময় দেবেন। পদত্যাগই একমাত্র পথ নয়, আমি ছুটিও নিতে পারি।’

আজ আবারও সেই বক্তব্য উল্লেখ করে খলিলুর রহমান বলেন, বিষয়টি নিয়ে আগেই পরিষ্কার ব্যাখ্যা দেওয়া হয়েছে।

অনেকেই জার্মানির উদাহরণ টানছেন উল্লেখ করে খলিলুর রহমান বলেন, জার্মানির যিনি সাধারণ পরিষদের সভাপতি হয়েছেন, তিনি পররাষ্ট্রমন্ত্রী ছিলেন ঠিকই, কিন্তু তাঁর দল নির্বাচনে হেরে যাওয়ায় তিনি মন্ত্রী পদে থাকতে পারেননি। বিষয়টি ভিন্ন ছিল।

প্রিন্ট

আরও সংবাদ