খুলনা | শুক্রবার | ১২ জুন ২০২৬ | ২৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

আশাশুনিতে খেলার মাঠ নিয়ে হাইকোর্টে চলমান মামলা গোপন রেখে তদন্ত

আশাশুনি (সাতক্ষীরা) প্রতিনিধি |
১২:১৫ এ.এম | ১২ জুন ২০২৬


আশাশুনির চাপড়ায় খেলার মাঠ নিয়ে হাইকোর্টে চলমান মামলা গোপন রেখে তৃতীয় ব্যক্তি নিম্ন আদালতে সাংবাদিকসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে ১৪৫ ধারায় মামলা দায়ের করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। মামলার সরজমিনে তদন্ত করেছেন বুধহাটা ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম। গত মঙ্গলবার (৯ জুন) সকাল ১০ টায় স্থানীয় সরকারি রেজিষ্টার্ড সার্ভেয়ার ও বুধহাটা ভূমি অফিসের সহকারি শেখ রুবেল হোসেনকে সাথে নিয়ে ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম বিবাদপূর্ণ স্থান চাপড়া হিন্দোল যুব সংঘের দখল ও পরিচালনাধীন আমিন উদ্দীন ক্রীড়া উদ্যানে (খেলার মাঠ) উপস্থিত হন। 
মামলার বাদী ও বিবাদী উভয়পক্ষের লোকজন এবং শতাধিক গণ্যমান্য ব্যক্তি, চাপড়া হিন্দোল যুব সংঘের কর্মকর্তা, খেলোয়াড়সহ স্থানীয় সাংবাদিকদের উপস্থিতিতে ভূমি কর্মকর্তা তদন্তকার্য পরিচালনা করেন। তিনি সার্ভেয়ার দ্বারা খেলার মাঠ ও ক্লাবের দখলাধীন পুকুর মাপজরিপ করেন এবং বাদী পক্ষ ও উপস্থিত সকল শ্রেণি পেশার লোকের কাছে মাঠ ও পুকুর দখলের বিষয়ে শোনাবোঝা করেন। উপস্থিত সকলে এমনকি বাদী পক্ষের জনৈক নুরুল ইসলামসহ উপস্থিত প্রায় সবাই স্বীকার করেন হিন্দোল যুব সংঘের নিয়ন্ত্রণাধীন আমিন উদ্দীন ক্রীড়া উদ্যান ৮০ এর দশকে সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসকের অনুদানে এম, এ গফ্ফার সরদারের দানকৃত জমি পুকুর কেটে মাঠ ভরাট করা হয়। এই মাঠে হিন্দোল যুব সংঘের খেলোয়াড়রা খেলাধুলা করেই সাতক্ষীরা স্টেডিয়ামে ফুটবল, ক্রিকেট ও ভলিবলের এ ডিবিশনে খেলা করে কখনো চ্যম্পিয়ন কখনো রানার্সআপ হওয়ার গৌরব অর্জন করেছে। 
উপস্থিত সকল শ্রেণিপেশার মানুষ, খোলোয়াড় ও উভয় পক্ষের মানুষের নিকট জেনে শুনে এমনকি মাঠের পরিবেশ দেখে ভূমি কর্মকর্তা (নায়েব) সকলের সামনে সাংবাদিকদের জানান, বিবাদপূর্ণ সম্পত্তি খেলার মাঠ এবং এখানে ধান্য চাষ বা কোন প্রকার আবাদ হয়না এটা প্রমাণিত এবং সরকারি অর্থায়নে মাটি কেটে পুকুরে পরিনত করা ও মাঠ ভরাট করা হয়েছিল বলেও উভয় পক্ষ স্বীকার করেছেন। তাছাড়া মাঠ এবং পুকুর ক্লাবের দখলাধীন পুকুরে মৎস্য চাষ করা হয়।

প্রিন্ট

আরও সংবাদ