খুলনা | শনিবার | ১৩ জুন ২০২৬ | ২৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

খুসিমেক হাসপাতাল পরিদর্শনে হুইপ বকুল

উদ্ধার কর্মীদের মানবিকতার ঋণ বিএনপি কখনো ভুলবে না

খবর বিজ্ঞপ্তি |
০২:২৯ এ.এম | ১৩ জুন ২০২৬


খুলনা সিটি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ অগ্নিকান্ডের ঘটনায় কোনো রোগীর জীবনহানী না হওয়ায় মহান রাব্বুল আলামিনের দরবারে গভীর শুকরিয়া জ্ঞাপন করেন জাতীয় সংসদের হুইপ ও খুলনা-৩ আসনের সংসদ সদস্য ও কেন্দ্রীয় বিএনপি ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক রকিবুল ইসলাম বকুল। শুক্রবার রাত পৌনে ৮টার দিকে অগ্নিকান্ডে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হাসপাতাল ভবনটি সরেজমিনে পরিদর্শন করেন তিনি। 
পরিদর্শনকালে তিনি গণমাধ্যম কর্মীদের জানান, দ্রুত সময়ের মধ্যে বন্ধ হয়ে যাওয়া হাসপাতালটি পুনরায় চালু করার ব্যবস্থা করা হচ্ছে। সেই সাথে হাসপাতাল থেকে স্থানান্তরিত আড়াইশ’রও বেশি রোগীর চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করার জন্য সর্বোচ্চ পর্যায়ের তদারকি করা হচ্ছে।
ক্ষতিগ্রস্ত হাসপাতাল ভবন পরিদর্শন শেষে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে হুইপ রকিবুল ইসলাম বকুল বলেন, সিটি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে অগ্নিকান্ডের খবর পাওয়া মাত্রই ফায়ার সার্ভিস, পুলিশ, র‌্যাব, বিজিবি সদস্যসহ বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদল, স্বেচ্ছাসেবক দল, শ্রমিক দল এবং রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির সর্বস্তরের নেতা-কর্মীরা যেভাবে নিজেদের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে উদ্ধার কাজে ঝাঁপিয়ে পড়েছেন, তা সত্যিই নজিরবিহীন ও প্রশংসার দাবি রাখে। এই কঠিন ও ভয়াবহ সময়ে তারা যে মানবিক ও দায়িত্বশীল ভ‚মিকা পালন করেছেন, তা বিএনপি চিরকাল কৃতজ্ঞচিত্তে মনে রাখবে। তিনি আরও জোর দিয়ে বলেন, বিএনপি সবসময়ই একটি জনবান্ধব ও গণমুখী রাজনৈতিক দল। দেশের যেকোনো প্রাকৃতিক বা মানবসৃষ্ট সংকটে সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়াতে বিএনপি অতীতেও দ্বিধা করেনি, ভবিষ্যতেও আরও বেশি দায়িত্বশীল ভ‚মিকা পালন করবে। ক্ষমতার দাপট নয়, জনগণের সেবাই বিএনপি’র মূল লক্ষ্য। 
হুইপ বকুল এ সময় উপস্থিত গণমাধ্যমকর্মী ও নেতৃবৃন্দকে আশ্বস্ত করে বলেন, অগ্নিকান্ডের পর খুলনা সিটি মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে জরুরি ভিত্তিতে স্থানান্তর করে যেসব রোগীকে খুলনার বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে, তাদের প্রত্যেকের চিকিৎসার খোঁজখবর সার্বক্ষণিকভাবে রাখা হচ্ছে। রোগীদের দ্রুত আরোগ্য ও সার্বিক নিরাপত্তায় দলীয় নেতা-কর্মীদের বিভিন্ন হাসপাতালে তৎপর থাকার এবং প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করার কঠোর নির্দেশ দেন তিনি। 
এ সময় উপস্থিত হন খুলনা মহানগর ও জেলা বিএনপি এবং অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের শীর্ষ নেতারা। একই সাথে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ। উপস্থিত নেতৃবৃন্দের মধ্যে ছিলেন মহানগর বিএনপি’র সভাপতি ও কেডিএর নবনিযুক্ত চেয়ারম্যান এড. এস এম শফিকুল আলম মনা, খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশ (কেএমপি) কমিশনার মোহাম্মদ জাহিদুল হাসান, জেলা বিএনপি’র আহবায়ক মনিরুজ্জামান মন্টু, নগর বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক ও বিসিবি’র পরিচালক শফিকুল আলম তুহিন, খুলনা সিটি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ও ড্যাব খুলনা জেলার সভাপতি ডাঃ রফিকুল ইসলাম বাবলু এবং ডাঃ মোস্তফা কামাল, মহানগর বিএনপি’র সাবেক যুগ্ম-আহবায়ক চৌধুরী শফিকুল ইসলাম হোসেন, মহানগর সাংগঠনিক সম্পাদক মাসুদ পারভেজ বাবু ও চৌধুরী হাসানুর রশিদ মিরাজ, সদর থানা বিএনপি’র সভাপতি কে এম হুমায়ুন কবীর ও সাধারণ সম্পাদক মোল্লা ফরিদ আহমেদ, সোনাডাঙ্গা থানা বিএনপি’র সভাপতি হাফিজুর রহমান মনি ও সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান আসাদ, খালিশপুর থানা বিএনপি’র সভাপতি এড. শেখ মোহাম্মাদ আলী বাবু, দৌলতপুর থানা বিএনপি’র সভাপতি এম. মুর্শিদ কামাল ও সাধারণ সম্পাদক শেখ ইমাম হোসেন। এছাড়াও আরও উপস্থিত ছিলেন মহানগর যুবদলের আহবায়ক আব্দুল আজিজ সুমন, মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক মিরাজুর রহমান মিরাজ, মহানগর শ্রমিক দলের আহবায়ক মজিবর রহমান ও সদস্য সচিব শফিকুল ইসলাম শফি, মহানগর ছাত্রদলের আহবায়ক মো. তাজিম বিশ্বাস, কৃষক দলের আহবায়ক আক্তারুজ্জামান সজিব তালুকদারসহ খুলনা মহানগরের আওতাধীন বিভিন্ন থানা, ওয়ার্ড এবং অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের শত শত শীর্ষ নেতৃবৃন্দ ও সাধারণ কর্মীবৃন্দ।
 

প্রিন্ট

আরও সংবাদ