খুলনা | রবিবার | ১৪ জুন ২০২৬ | ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

ক্রিকেটার নাঈমকে মারধর: খুলশী থানার ওসি প্রত্যাহার

খবর প্রতিবেদন |
০১:০৮ এ.এম | ১৪ জুন ২০২৬

 

জাতীয় দলের ক্রিকেটার নাঈম হাসানকে মারধর করে থানায় নেওয়া এবং থানায় দুর্ব্যবহার নিয়ে দিনভর আলোচনার মধ্যে খুলশী থানার ওসি মো. আরিফুর রহমানকে প্রত্যাহার করা হয়েছে।

শনিবার রাত ১২টার দিকে সিএমপির সহকারি কমিশনার (পিআর) আমিনুর রশিদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, খুলশী থানার ওসিকে দায়িত্ব থেকে প্রত্যাহার করে পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়েছে। তার স্থলে খুলশী থানার ওসি হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে বাকলিয়া থানা ওসিকে। এছাড়া নগরীর অন্য একটি থানায় আগে ওসি হিসেব দায়িত্ব পালনকারী একজনকে বাকলিয়া থানার ওসির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

ক্রিকেটার নাঈম হাসানের সঙ্গে ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে এ সিদ্ধান্ত কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, না, এটি নিয়মিত দায়িত্ব বন্টণের অংশ হিসেবে করা হয়েছে।

এর আগে জাতীয় দলের ক্রিকেটার নাঈম হাসানের সঙ্গে ‘অপেশাদার’ আচরণের অভিযোগ পাওয়ার পর শনিবার দুই পুলিশ সদস্যকে সাময়িক বরখাস্ত করে চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশ (সিএমপি)।

এ সংক্রান্ত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, “বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের খেলোয়াড় নাঈম হাসান রাতে ঢাকা থেকে নিজ বাসায় ফেরার পথে খুলশী থানাধীন লালখান বাজার এলাকায় খুলশী থানা পুলিশের রাত্রিকালীন মোবাইল-৩৩ টিমের সঙ্গে একটি অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার সম্মুখীন হন।

“ঘটনার প্রাথমিক তদন্তে দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে অপেশাদার আচরণের অভিযোগ পাওয়ায় সংশ্লিষ্ট পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত খুলশী থানার এসআই (নিরস্ত্র) মো. শফিকুল ইসলাম ভুঁইয়া ও কনস্টেবল মো. রাসেল চৌধুরীকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।”

এ ঘটনা তদন্তে তিন সদস্যের একটি কমিটি গঠন করার কথাও জানিয়েছিলেন সিএমপি কমিশনার হাসান মো. শওকত আলী।

এর আগে শুক্রবার রাতে ঢাকা থেকে ফেরার পথে নগরীর লালখান বাজার মোড় এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। জাতীয় দলের ক্রিকেটার নাঈম হাসানকে চট্টগ্রামে পুলিশ পরিচয়ে মারধর ও থানায় ধরে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠে।

থানার নেওয়ার পর নিজের পরিচয় দেয়ার পরও খুলশী থানার ওসি মো. আরিফুর রহমান চোখ নামিয়ে কথা বলার নির্দেশ দেন বলে অভিযোগ নাঈমের। পরে বিসিবির শীর্ষ কর্তাদের টেলিফোন পেয়ে ওসি নাঈম হাসানকে আপনি সম্বোধন করে বসতে বলেন।

এরপর শুক্রবার গভীর রাতে নাঈম হাসানের বাবা, স্বজন ও স্থানীয় বাসিন্দারা থানায় যায়। তারপর পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা থানায় আসেন।

এই ঘটনায় নিন্দা জানিয়ে জাতীয় দলের সাবেক ও বর্তমান ক্রিকেটাররা ফেইসবুকে সরব হন।

প্রিন্ট

আরও সংবাদ