খুলনা | সোমবার | ১৫ জুন ২০২৬ | ৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

প্রাথমিকে সংগীতের শিক্ষক নিয়োগে সম্মতি দেয়নি মন্ত্রিপরিষদ

খবর প্রতিবেদন |
০৬:১৫ পি.এম | ১৪ জুন ২০২৬

 

প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সংগীত শিক্ষক নিয়োগে মন্ত্রিপরিষদ সম্মতি দেয়নি বলে জানিয়েছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

রোববার (১৪ জুন) জাতীয় সংসদের অধিবেশনে এ বিষয়ে শিক্ষামন্ত্রীর কাছে জানতে চান জামায়াতের সংসদ সদস্য মো. নূরুল ইসলাম। তিনি বলেন, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক নিয়োগ বিধিমালা ২০২৫ অনুযায়ী প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে সহকারী শিক্ষক সংগীত পদটি সৃষ্টি করা হয়েছে; তার বর্তমান অবস্থা কী?

জামায়াতের সংসদ সদস্যের প্রশ্নের লিখিত উত্তরে শিক্ষামন্ত্রী জাতীয় সংসদকে জানান, প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সংগীত বিষয়ের শিক্ষক পদটি সৃজনের বিষয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে অসম্মতি প্রদান করা হয়েছে।

সম্প্রতি প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ সংবাদ সম্মেলন করে বলেন, প্রাথমিক শিক্ষায় সংগীত, নৃত্যকলা ও ক্রীড়াভিত্তিক শিক্ষা সম্প্রসারণের ফলে ভবিষ্যতে বিপুলসংখ্যক বিশেষায়িত শিক্ষক ও প্রশিক্ষকের প্রয়োজন হবে। সংগীত, নৃত্যকলা, চারুকলা, নাট্যকলা ও ক্রীড়া বিষয়ে শিক্ষিত তরুণ–তরুণীদের নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে এবং এসব বিষয়ে টেকসই ক্যারিয়ার পাথওয়ে গড়ে উঠবে। আগামী পাঁচ বছরে এ খাতে ৫০ থেকে ৬০ হাজার নতুন কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা হবে।  

এছাড়া গত বছরের ২৮ আগস্ট ‘সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক নিয়োগ বিধিমালা, ২০২৫’ এর প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। এতে অন্যান্য বিষয়ের সঙ্গে সংগীত ও শারীরিক শিক্ষা বিষয়ে সহকারী শিক্ষক নিয়োগের সুযোগ রাখা হয়েছিল।

এরপর ধর্মভিত্তিক বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতারা বিভিন্ন সভা, সেমিনার, বিক্ষোভ সমাবেশে নাচ-গানের শিক্ষকের বদলে ধর্ম শিক্ষক নিয়োগ দেওয়ার দাবি করেন। নাচ-গানের শিক্ষক নিয়োগ বাতিল করা না হলে তারা আন্দোলনেরও হুমকি দেন।

আন্দোলনের মুখে গত নভেম্বরে বিধিমালা সংশোধন করে অন্তর্বর্তী সরকার। তাতে শুধুমাত্র প্রধান শিক্ষক ও সহকারী শিক্ষক নিয়োগের কথা বলা হয়। সংগীত ও শারীরিক শিক্ষা বিষয়ে শিক্ষক নিয়োগের সুযোগ বাদ দেওয়া হয়।

প্রিন্ট

আরও সংবাদ