খুলনা | শুক্রবার | ১৯ জুন ২০২৬ | ৬ আষাঢ় ১৪৩৩

এক গ্রাম, এক শিল্প বিষয়ক সেমিনারে বিভাগীয় কমিশনার

দেশের নারীরা হাঁস, মুরগি, গরু ছাগল পালন ও শাকসবজি চাষ করে স্বাবলম্বী হতে পারবেন

নিজস্ব প্রতিবেদক |
০২:১৯ এ.এম | ১৮ জুন ২০২৬


খুলনা বিভাগীয় কমিশনার মোঃ আবদুল্লাহ হারুন বলেছেন, ‘এক গ্রাম, এক শিল্প’ এটি একটি পাইলট প্রকল্প। যেহেতু উদ্যোগ নেয়া সহজ কিন্তু বাস্তবায়ন করা কঠি। এই উদ্যোগটি বাস্তবায়নে সরকারের পাশাপাশি সকলের সহযোগিতা প্রয়োজন।  এখানে সর্বপ্রথমে একটি গ্রামকে বেছে নেয়া হবে। দেশের নারীরা হাঁস, মুরগি, গরু ছাগল পালন ও শাকসবজি চাষ করে স্বাবলম্বী হতে পারবেন। এ উদ্যোগের মাধ্যমে মানুষের কর্মসংস্থান হবে বলে তিনি আশা করেন। 
বুধবার খুলনা বিভাগীয় কমিশনারের সম্মেলনকক্ষে ‘এক গ্রাম, এক শিল্প’ বিষয়ক অনুষ্ঠিত সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় একতা বলেন ।
অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (সার্বিক) আবু সায়েদ মোঃ মনজুর আলমের সভাপতিত্বে সেমিনারে আলোচক ছিলেন পরিবেশ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মোঃ আসিফুর রহমান ও খুলনা বিশ^বিদ্যালয়ের নগর ও গ্রামীণ পরিকল্পনা ডিসিপ্লিনের সহকারী অধ্যাপক এস এম তাফসিরুল ইসলাম। মূলপ্রবন্ধ উপস্থাপন করেন সাইন ষ্টোর লিমিটেডের দেশ মিডিয়া ও ব্যবস্থাপনা স্বত্বাধিকারী মোঃ হারুন অর রশীদ। সেমিনারে বিভাগীয় সমাজসেবা কার্যালয়ের পরিচালক অনিন্দিতা রায়, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (উন্নয়ন ও মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনা) ইরুফা সুলতানা, ডিআইজি কার্যালয়ের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোঃ আসিফ ইকবাল প্রমুখ বক্তৃতা করেন।
‘এক গ্রাম, এক শিল্প’ এর উদ্দেশ্য এবং সুবিধা হলো গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর অব্যবহৃত বা লক্ষ্যহীন শ্রমের ব্যবস্থাপনা, বাড়ির আঙ্গিনায় অব্যবহৃত জমির ব্যবহার, শিশু-কিশোরদের কর্মশীল চিন্তার বিকাশ ঘটানো, ১০ বছর বয়স থেকেই অর্থনৈতিক সম্পৃক্ততা ও কর্ম ব্যবস্থাপনার সাথে পরিচয়, শিক্ষা ও কর্মের সাথে সম্পৃক্ততা, উৎপাদিত পণ্যের মূল্য কম এবং এলাকা ভিত্তিক পণ্য, রুট তৈরি ও অনুসরণ করা, শিক্ষা ও কর্ম উভয়ে একে অপরের পরিপূরক করে তোলা, পরিবেশ রক্ষা ও সচেতনতা, গ্রামের উৎপাদিত কৃষি পণ্যকে প্রক্রিয়াজাতকরণের মাধ্যমে সরাসরি বাজারজাত ও পর্যটন শিল্পের বিকাশ।
সেমিনারে সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি, উদ্যোক্তা ও গণমাধ্যমকর্মী অংশ নেন।    

প্রিন্ট

আরও সংবাদ