খুলনা | শনিবার | ২০ জুন ২০২৬ | ৭ আষাঢ় ১৪৩৩

চুয়াডাঙ্গায় আইসিটি কর্মকর্তার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

চুয়াডাঙ্গায় প্রতিনিধি |
০১:৫১ এ.এম | ২০ জুন ২০২৬


চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলা পরিষদের আইসিটি কর্মকর্তা মাহমুদুর রহমানের (৩৫) ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শুক্রবার সকালে জীবননগর পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের বসতিপাড়া এলাকার একটি ভাড়া বাসা থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহত মাহমুদুর রহমান ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার ঝিটকেপুতা গ্রামের আতাউর রহমানের ছেলে। তিনি ২০২৫ সালের ফেব্র“য়ারি মাসে জীবননগর উপজেলা পরিষদে আইসিটি অফিসার হিসেবে যোগদান করেন। চাকরির সুবাদে স্ত্রী ও সন্তানকে নিয়ে তিনি বসতিপাড়ায় ওয়াহেদ বিশ্বাসের বাড়ির তৃতীয় তলায় ভাড়া থাকতেন।
জানা যায়, মাহমুদুর রহমানের তিন বছরের একটি ছেলে সন্তান রয়েছে। তার স্ত্রী ইতি খাতুন বর্তমানে পাঁচ মাসের অন্তঃসত্ত¡া। পারিবারিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে মাঝে মধ্যে মনোমালিন্য হতো বলে এলাকাবাসী জানিয়েছেন।
নিহতের স্ত্রী ইতি খাতুন জানান, স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে ছোটখাটো ঝগড়া হলেও তা পরে মিটে যেত। ঘটনার আগের রাতে তাদের মধ্যে কোনো বিরোধ হয়নি। সকালে মাহমুদুর রহমান ঘুম থেকে উঠে ছেলের জন্য জুস কিনতে বাইরে যান। পরে বাসায় ফিরে একটি কক্ষে প্রবেশ করে দরজা বন্ধ করে দেন। এরপর দীর্ঘ সময় দরজা না খোলায় তিনি ডাকাডাকি শুরু করেন। একপর্যায়ে প্রতিবেশীদের সহায়তায় দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করলে তাকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান।
নিহতের বাবা আতাউর রহমান জানান, তার ছেলে ও পুত্রবধূর মধ্যে প্রায়ই ঝগড়া ও মনোমালিন্য হতো। শুক্রবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে মাহমুদুর রহমান তার মায়ের সঙ্গে ফোনে কথা বলেন এবং খোঁজখবর নেন। এরপর হঠাৎ করেই ফোন কেটে দেন। কিছুক্ষণ পর আমরা তার মৃত্যুর খবর জানতে পারি।
থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সোলায়মান শেখ জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত শেষে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ বিস্তারিত জানা যাবে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

প্রিন্ট

আরও সংবাদ