খুলনা | রবিবার | ০৫ জুলাই ২০২৬ | ২০ আষাঢ় ১৪৩৩

বেলুচিস্তানে কোস্ট গার্ড ক্যাম্পে হামলা ৩০ জন নিহতের দাবি বিএলএ’র

খবর প্রতিবেদন |
০১:৫৩ এ.এম | ০৫ জুলাই ২০২৬


পাকিস্তানের বেলুচিস্তান প্রদেশে পাকিস্তান কোস্ট গার্ডের একটি ক্যাম্পে আত্মঘাতী হামলার দায় স্বীকার করেছে নিষিদ্ধ বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠন বেলুচ লিবারেশন আর্মি (বিএলএ)। 
সংগঠনটির দাবি, হামলায় অন্তত ৩০ জন নিরাপত্তা সদস্য নিহত হয়েছেন এবং আরও অনেকে আহত হয়েছেন। তবে এ দাবির সত্যতা এখনো নিশ্চিত করেনি পাকিস্তান সরকার বা দেশটির নিরাপত্তা বাহিনী।
শুক্রবার প্রকাশিত এক বিবৃতিতে বিএলএ জানায়, বৃহস্পতিবার (৩ জুলাই) সন্ধ্যা ৬টা ৩২ মিনিটে তাদের বিশেষ ইউনিট ‘মাজিদ ব্রিগেড’-এর এক সদস্য বিস্ফোরকবোঝাই একটি মাজদা গাড়ি নিয়ে কোস্ট গার্ডের ক্যাম্পে আত্মঘাতী হামলা চালান। সংগঠনটির ভাষ্য অনুযায়ী, বিস্ফোরণে ক্যাম্পের বড় একটি অংশ ধ্বংস হয়ে যায়।
বিএলএ’র আরও দাবি, বিস্ফোরণের পর তাদের ‘ফতেহ স্কোয়াড’-এর সদস্যরা ক্যাম্পে প্রবেশ করে নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যদের লক্ষ্য করে সশস্ত্র হামলা চালায়। ধ্বংসস্তূপের নিচে আরও সদস্য আটকে থাকায় নিহতের সংখ্যা বাড়তে পারে বলেও দাবি করেছে সংগঠনটি।
বেলুচিস্তানভিত্তিক সংবাদমাধ্যম দ্য বেলুচিস্তান পোস্ট জানিয়েছে, গোয়াদর জেলার কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ উপকূলীয় শহর জিওয়ানির পানওয়ান এলাকায় অবস্থিত পাকিস্তান কোস্ট গার্ডের একটি ক্যাম্পে এ হামলা চালানো হয়।
বিএলএ’র মুখপাত্র জিয়ান্দ বেলুচের নামে প্রকাশিত বিবৃতিতে বলা হয়েছে, হামলাটি তাদের বিশেষ ইউনিট ‘মাজিদ ব্রিগেড’ পরিচালনা করেছে এবং এটি ছিল একটি আত্মঘাতী কমান্ডো অভিযান।
যদিও সংগঠনটি ৩০ জনের বেশি নিরাপত্তা সদস্য নিহত এবং আরও কয়েক ডজন আহত হওয়ার দাবি করেছে, পাকিস্তানের সামরিক বা বেসামরিক কর্তৃপক্ষ এখন পর্যন্ত হতাহতের বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক তথ্য প্রকাশ করেনি। ফলে হামলায় প্রকৃত ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
বিএলএ জানিয়েছে, বেলুচিস্তানে পাকিস্তানের নিরাপত্তা বাহিনীর বিরুদ্ধে চলমান অভিযানের অংশ হিসেবেই এ হামলা চালানো হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে সংগঠনটি প্রদেশটির বিভিন্ন সামরিক, আধাসামরিক ও সরকারি স্থাপনাকে লক্ষ্য করে হামলা চালিয়ে আসছে।

প্রিন্ট

আরও সংবাদ