খুলনা | মঙ্গলবার | ০৭ জুলাই ২০২৬ | ২২ আষাঢ় ১৪৩৩

পরিদর্শনে এমপি ও পাউবো কর্মকর্তারা

বটিয়াঘাটার কাজীবাছা নদীর শহর রক্ষা বাঁধ হুমকির মুখে

বটিয়াঘাটা প্রতিনিধি |
০১:৫৭ এ.এম | ০৭ জুলাই ২০২৬


বটিয়াঘাটা উপজেলার জলমা ইউনিয়নের তেঁতুলতলা ও জলমা-কচুবুনিয়া এলাকায় শহর রক্ষা বেড়িবাধ চরম হুমকির মুখে।কাজীবাছা নদীর গ্রোতের তোড়ে যে কোন মুহূর্তে ভেঙ্গে গিয়ে প্লাবিত হতে পারে জলমা ইউনিয়নের বিস্তির্ণ এলাকাসহ খুলনা মহানগরীর বড় বড় জনগুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা। খবর পেয়ে সংসদ সদস্য আমীর এজাজ খান ও খুলনা পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তারা গত রোববার রাত সাড়ে ৮ টায় ভাঙন কবলিত এলাকা পরিদর্শন করেন। এমপি পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তাদের ভাঙ্গন রোধে বিকল্প ভেড়িবাঁধ নির্মাণের নির্দেশনা প্রদান করেন।
উল্লেখ্য উপজেলার জলমা ইউনিয়নের তেঁতুলতলা ও জলমা-কচুবনিয়া সংলগ্ন এলাকার উক্ত ভাঙ্গন রোধে বিভিন্ন সময় পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তারা মাঝে মধ্যে লোক দেখানো কাজ করে বিল ভাউচার তৈরি করে মোটা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগ রয়েছে। স্থায়ী সমাধানকল্পে পানি উন্নয়ন বোর্ড বড় ধরনের কোন পদক্ষেপ না নেযায় নদী ভাঙ্গন লেগেই রয়েছে। যার ফলশ্র“তিতে জলমা ইউনিয়নের জলমা মৌজার হাজার হাজার একর জমি, জলমা-কচুবুনিয়া গ্রামের শত শত ঘরবাড়ি কাজীবাছা নদীর গ্রোতের তোড়ে ভাঙনে সম্পূর্ণ নদী গর্ভে বিলীন হয়ে গেছে । কিন্তু বিগত সরকারের আমলে স্থায়ী সমাধানে কোন পদক্ষেপ গ্রহণ করনি। বিগত সরকারের আমলে স্থানীয় সংসদ সদস্যদের এ অঞ্চলের সাধারণ মানুষ নদী ভাঙন রোধে বিভিন্ন সময় স্থায়ী কাজ করার দাবি উত্থাপিত করলেও তা কোনদিন আলোর মুখ দেখেনি। যে কারণে কয়েক মাস পর পর উক্ত স্থানে নদী ভাঙন লেগে রয়েছে । চলতি বর্ষা মৌসুমে নদী ভাঙ্গন আরো মারাত্মক আকার ধারণ করার আশঙ্কা রয়েছে । 
সংসদ সদস্য আমীর এজাজ খান পরিদর্শনে এসে ভাঙন রোধে স্থায়ী সমাধান কল্পে পানি উন্নয়ন বোর্ডকে বিকল্প ভেড়িবাঁধ নির্মাণের নির্দেশনা প্রদান করেন। এসময় তার সঙ্গে দলীয় নেতাকর্মী মধ্যে উপজেলা বিএনপি’র সদস্য সচিব খন্দকার ফারুক হোসেন, সাংবাদিক ইন্দ্রজিৎ টিকাদার, বিএনপি নেতা সৈয়দ মনিরুল ইসলাম হিরো, যুবদলের সদস্য সচিব বাহাদুর মুন্সী, বিএনপি নেতা কাশেম খান, মোঃ সুমনসহ পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

প্রিন্ট

আরও সংবাদ