খুলনা | মঙ্গলবার | ১৪ জুলাই ২০২৬ | ৩০ আষাঢ় ১৪৩৩

থাইল্যান্ডে বারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে নিহত ২৭

খবর প্রতিবেদন |
১২:২৯ পি.এম | ১৩ জুলাই ২০২৬

 

ব্যাংককের একটি বারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে অন্তত ২৭ জন নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছেন থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী।রোববার (১২ ‍জুলাই) মধ্যরাতের কিছু পরেই ঘটনাস্থলে পৌঁছান দমকলকর্মীরা। সেখানে গিয়ে তারা দেখতে পান, আগুনে ঘেরা বারের সামনের দরজা দিয়ে আতঙ্কিত লোকজন প্রাণ বাঁচাতে বেরিয়ে আসছেন।

এক্সে পোস্ট করা ফুটেজে দেখা যায়, বারটির ভেতর থেকে বিশাল শিখা বেরিয়ে আসছে, আর মানুষ দৌড়ে বেরিয়ে আসছে। কেউ চিৎকার করছেন, কেউ পড়ে যাচ্ছেন। অন্তত দুজনকে আগুনে জ্বলতে দেখা যায়।

প্রধানমন্ত্রী অনুতিন চার্নভিরাকুল ঘটনাস্থলে সাংবাদিকদের জানান, এখন পর্যন্ত ২৭টি মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে এবং আরও কয়েকজনকে হাসপাতালে নেয়া হয়েছে। তিনি বলেন, আগুন লাগার কারণ এখনও তদন্তাধীন।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, দমকলকর্মীরা প্রায় আধা ঘণ্টার মধ্যে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হন, তবে ততক্ষণে ক্ষয়ক্ষতি ছিল ভয়াবহ।

স্থানীয় প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নিহত ২৭ জনের মধ্যে ৯ জন পুরুষ এবং ১৮ জন নারী। ৬০ জনেরও বেশি মানুষ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

থাই সংবাদমাধ্যম থাইরাথ জানিয়েছে, এখনও বেশ কয়েকজন নিখোঁজ রয়েছেন।

প্রধানমন্ত্রী সাংবাদিকদের বলেন, আগুন লাগার সময় সেখানে গান পরিবেশন করছিলেন এমন একজন সংগীতশিল্পীর সঙ্গে তিনি কথা বলেছেন।

চার্নভিরাকুলবলেন, তিনি জানান, কাট-আউট সুইচে আগুন লেগেছিল, এরপর খুব দ্রুত সবকিছু ঘটে যায়। বিস্ফোরণের মতো শব্দ হয় এবং সবাই ধোঁয়া ও আগুন থেকে বাঁচতে পালানোর চেষ্টা করে।

“তাদের অনেকেই বেরিয়ে আসতে পারেননি, কারণ তারা ভবনের পেছনের দিকে গিয়ে ধোঁয়া ও আগুন থেকে বাঁচতে টয়লেটে আশ্রয় নেয়ার চেষ্টা করেছিলেন। আর সেখানেই আমরা বেশিরভাগ মরদেহ খুঁজে পাই।”

স্থানীয়ভাবে ‘রং বিয়ার না লাত ফ্রাও’ নামে পরিচিত বারটি ব্যাংককের চাতুচাক জেলায় অবস্থিত। থাই সংবাদমাধ্যম ডেইলি নিউজ জানিয়েছে, এটি এলাকাটির একটি জনপ্রিয় রেস্তোরাঁ ও বিনোদনকেন্দ্র।

প্রিন্ট

আরও সংবাদ