খুলনা | রবিবার | ২৬ জুলাই ২০২৬ | ১১ শ্রাবণ ১৪৩৩

সাতক্ষীরায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ধর্ষণের শিকার শিশুর চিকিৎসা ব্যয় বহনের আশ্বাস জেলা প্রশাসনের

নিজস্ব প্রতিবেদক, সাতক্ষীরা |
১১:৫৭ পি.এম | ১৪ জুলাই ২০২৬


সাতক্ষীরায় ধর্ষণের শিকার হয়ে সামেক হাসপাতালের গাইনি ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন দ্বিতীয় শ্রেণির স্কুলছাত্রী ৭ বছর বয়সি শিশুর চিকিৎসার ভার নিয়েছেন জেলা প্রশাসন। সোমবার রাতে জেলা প্রশাসনের একটি প্রতিনিধিদল সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ (সামেক) হাসপাতালে গিয়ে গুরুতর জখম ওই শিশুটির সার্বিক চিকিৎসার ব্যয় বহনের আশ্বাস দেন।
সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক মিজ কাউসার আজিজ-এর পক্ষে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট রিপন বিশ্বাসের নেতৃত্বে সহকারী কমিশনার সাইফুল ইসলাম, ইসতিয়াক আহমেদ অপু ও মোঃ শাহেদ হোসেন সোমবার রাতে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন শিশুটিকে দেখতে যান। এসময় জেলা প্রশাসনের অন্যান্য কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন।
অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট রিপন বিশ্বাস বলেন, সাত বছর বয়সী একটি শিশু নির্যাতনের শিকার হয়েছে, যা অত্যন্ত দুঃখজনক। আমরা জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে শিশুটির খোঁজখবর নিয়েছি এবং চিকিৎসকের সাথে কথা বলেছি। শিশুটিকে কেবিন থেকে বেডে স্থানান্তর করা হয়েছে। সে শারীরিকভাবে এখন আশঙ্কামুক্ত হলেও কিছুটা মানসিক ট্রমার মধ্যে রয়েছে। আমরা ভুক্তভোগী পরিবারের পাশে আছি এবং জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে তার চিকিৎসার যাবতীয় ব্যয় বহনের আশ্বাস দিয়েছি।
এর আগে রোববার (১২ জুলাই) বিকাল ৬টার দিকে সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ফিংড়ি ইউনিয়নের কুলতিয়া এলাকার একটি বাড়ির ছাদে দ্বিতীয় শ্রেণির এক শিক্ষার্থী (৭) ধর্ষণের শিকার হয়। ওই এলাকার হাবিবের ছেলে আহসান উল্লাহ (১৬) শিশুটিকে পেয়ারা দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে ছাদে নিয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। ঘটনার পর শিশুটির শরীর থেকে প্রচুর রক্তক্ষরণ হতে থাকলে দ্রুত সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় পরে তাকে সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। এ ঘটনায় সোমবার রাতে ওই শিশুর মা বাদী হয়ে সাতক্ষীরা সদর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলায় ধর্ষক আহসান উল্লাহকে একমাত্র আসামি করা হয়েছে।
সাতক্ষীরা সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মুহাঃ মাসুদুর রহমান বলেন, এ ঘটনায় থানায় একটি মামলা রেকর্ড করা হয়েছে। আসামিকে গ্রেফতারের জন্য পুলিশের সর্বাত্মক চেষ্টা অব্যাহত রেখেছে। আশা করছি দ্রুত ধর্ষককে গ্রেফতার করা সম্ভব হবে।
 

প্রিন্ট

আরও সংবাদ