খুলনা | শনিবার | ১৮ জুলাই ২০২৬ | ৩ শ্রাবণ ১৪৩৩

খুলনায় চলছে মাসব্যাপী বৃক্ষরোপণ অভিযান ও বৃক্ষমেলা

ছুটির দিনে স্টলগুলোতে দর্শনার্থী ও ক্রেতাদের সরব উপস্থিতি

আল মাহমুদ প্রিন্স |
০২:৪১ এ.এম | ১৮ জুলাই ২০২৬


শুক্রবার ছিল সাপ্তাহিক ছুটির দিন। আর আবহাওয়া কিছুটা ভালো থাকায় খুলনা বিভাগীয় বৃক্ষরোপণ অভিযান ও বৃক্ষমেলার স্টলগুলোতে ছিল সরব উপস্থিতি। ক্রেতা ও বিক্রেতা উভয়ের মধ্যে যেন ব্যস্ততার প্রতিযোগিতা চলছিলো। আর একারণেই বাড়ছে বিভিন্ন প্রজাতির ফলজ, বনজ, ভেষজ, ঔষধি, শোভা বর্ধনকারী গাছের চারা বিক্রি। 
সরেজমিন ঘুরে দেখা গেছে, শুক্রবার বিকেলে বৃক্ষমেলার স্টলগুলোতে ছিল নারী-পুরুষ, তরুণ-তরুণী ও স্কুল, কলেজগামী শিক্ষার্থীদের পদচারণা। কেউ গাছের চারা কিনতে, কেউ প্রিয়জনকে নিয়ে মেলায় ঘুরতে, কেউ পরিবার-পরিজন নিয়ে এসেছেন তাদের পছন্দের গাছের চারা কিনতে।  সার্বক্ষণিক মেলার নিয়ন্ত্রণ কক্ষ থেকে খোঁজ-খবর নেওয়া হচ্ছে ।    
‘বৃক্ষরোপণে সাজাই দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’ এ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে ১১ জুলাই থেকে ১১ আগস্ট পর্যন্ত মাসব্যাপী এ মেলা। মাসব্যাপী খুলনা বিভাগীয় বৃক্ষরোপণ অভিযান ও বৃক্ষমেলার উদ্যোগ নিয়েছেন জেলা প্রশাসন এবং খুলনা সুন্দরবন পশ্চিম বন বিভাগ। সরকারি প্রতিষ্ঠানের ১০টি স্টলসহ মোট ৬২টি স্টল রয়েছে। 
নার্সারী মালিকদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, স্টলগুলো পরিপাটি করে সাজিয়ে গুছিয়ে রেখেছেন। নার্সারীতে পানি জমে থাকায় ফলজ, বনজ, ভেষজ, ঔষধি ও শোভা বর্ধণকারী গাছের চারা স্টলে উঠাতে একটু বিলম্ব হচ্ছে। 
নন্দনপুর গ্রামের বাসিন্দা রূপালী নার্সারির আল-আমিন বলেন, শুক্রবার ছুটির থাকায় স্টলগুলোতে ছিল বেশ উপস্থিতি। নারী-পুরুষসহ মেলায় সব বয়সী লোকের উপস্থিতিও ছিল বেশি। 
মেসার্স নাজিফা নার্সারি সাকিবুল হাসান বলেন, বেচাকেনা জমে উঠেছে। গোল্ডেন হুক ক্যাকটাসসহ বিভিন্ন প্রজাতির গাছের চারা সাজিয়ে রাখা হয়েছে। 
নিজাম নার্সারির মোঃ নিজাম শেখ বলেন, আবহাওয়া ভালো থাকায় ক্রেতাদের উপস্থিতি বেড়েছে। বেচা-কেনাও দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। 
কুসুম কানন নার্সারি জাকির হোসেন বলেন, গাছের চারা ভালো বিক্রি হচ্ছে। 
গোলাপ কানন নার্সারির শেখ মোঃ আলাউদ্দিন বলেন, ফলজ ও বনজের চারা বেশি বিক্রি হচ্ছে। পাশাপাশি বিক্রি হচ্ছে অন্যান্য চারাও। 
নিয়ন্ত্রণ কক্ষে দায়িত্বরত মোঃ জাকির হোসেন বলেন, বৃহস্পতিবার দুই হাজার একটি বিভিন্ন প্রজাতির গাছের চারা বিক্রি হয়েছে। সর্বমোট বিক্রয় মূল্য তিন লাখ ২ হাজার একশ’ টাকা। 

প্রিন্ট

আরও সংবাদ