খুলনা | মঙ্গলবার | ২১ জুলাই ২০২৬ | ৬ শ্রাবণ ১৪৩৩

মাসব্যাপী বৃক্ষমেলা : বৃক্ষপ্রেমিদের দৃষ্টি কাড়লো মিক্স মসলা গাছের চারা

আল মাহমুদ প্রিন্স |
০১:৫৪ এ.এম | ২১ জুলাই ২০২৬


খুলনা বিভাগীয় বৃক্ষরোপণ অভিযান ও মাসব্যাপী বৃক্ষমেলায় ক্রেতা, দর্শনার্থীদের ও বৃক্ষপ্রেমিদের দৃষ্টি কেড়েছে মিক্স মসলা গাছের চারা। গাছটি দেখতে মেলায় রূপালী নার্সারি নামক স্টলে এসে ভীড় জমিয়েছিলো অনেকে। 
তথ্যানুসন্ধানে জানা গেছে, মিক্স মসলা গাছ বলতে মূলত অলস্পাইস (Allspice) বা মিট মসলা গাছকে বোঝায়। পিমেন্টা ডাইওকা (Pimenta dioica) নামের এই গাছটির পাতা ও ফল থেকে লবঙ্গ, দারুচিনি, জায়ফল ও গোলমরি এই চারটি মশলার সম্মিলিত গন্ধ পাওয়া যায়। অলস্পাইস গাছের ইতিহাস ও উৎস। এই গাছের আদি নিবাস আমেরিকা মহাদেশের ক্রান্তীয় অঞ্চল, বিশেষ করে ক্যারিবিয়ান দ্বীপপুঞ্জ এবং মধ্য আমেরিকা। জ্যামাইকা বর্তমানে এর প্রধান উৎপাদক। ১৬শ’ শতাব্দীতে ক্রিস্টোফার কলম্বাস যখন আমেরিকা আবিষ্কার করেন, তখন ক্যারিবিয়ান অঞ্চলে এই গাছের সন্ধান পান। এর সুবাস ও স্বাদ লবঙ্গ, জায়ফল এবং দারুচিনির মিশ্রণের মত হাওয়ায় ইউরোপীয়া একে ‘অলস্পাইস’ (Allspice) বা সর্ব-মসলা নাম দেয়। 
প্রাচীন মায়া সভ্যতায় মাংস সংরক্ষণ ও চকোলেট পানীয় সুস্বাদু করতে এই মশলা ব্যবহৃত হত। পরে ঔপনিবেশিক যুগে এটি সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়েছে।  গাছটি প্রায় ৯ মিটার (৩০ ফুট) পর্যন্ত লম্বা হতে পারে। এর কাঁচা ফল সবুজ থাকে এবং রোদে শুকানোর পর তা গাঢ লালচে-বাদামী রঙের মসলায় পরিণত হয়। 
উলে­খ্য, রান্নায় বিভিন্ন মশলার মিশ্রণ বা ‘গরম মসলা’ এবং ‘মিক্স মসলা গাছ’ সম্পূর্ণ ভিন্ন বিষয়। মিক্স মসলা বা গরম মসলার গুঁড়ো মানুষের তৈরি একটি মিশ্রণ, যা প্রাচীনকাল থেকে ভারতীয় উপমহাদেশে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। এই গাছের আদি নিবাস আমেরিকা মহাদেশের ক্রান্তীয় অঞ্চল। বিশেষ করে ক্যারিবিয়ান দ্বীপপুঞ্জ এবং মধ্য আমেরিকা। জ্যামাইকা বর্তমানে এর প্রধান উৎপাদক। 
১৬শ’ শতাব্দীতে ক্রিস্টোফার কলম্বাস যখন আমেরিকা আবিষ্কার করেন, তখন ক্যারিবিয়ান অঞ্চলে এই গাছের সন্ধান পেয়েছেন। এর সুবাস ও স্বাদ লবঙ্গ, জায়ফল এবং দারুচিনির মিশ্রণের মত হওয়ায় ইউরোপীয়রা একে ‘অলস্পাইস’ (Allspice) বা সর্ব-মসলা নাম দেয়। প্রাচীন মায়া সভ্যতায় মাংস সংরক্ষণ ও চকোলেট পানীয় সুস্বাদু করতে এই মসলা ব্যবহৃত হত। পরে ঔপনিবেশিক যুগে এটি সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়েছে।  
গাছটি প্রায় ৯ মিটার (৩০ ফুট) পর্যন্ত লম্বা হতে পারে। এর কাঁচা ফল সবুজ থাকে এবং রোদে শুকানোর পর তা গাঢ় লালচে-বাদামী রঙের মসলায় পরিণত হয়। উলে­খ্য, রান্নায় বিভিন্ন মশলার মিশ্রণ বা ‘গরম মসলা’ এবং ‘মিক্স মসলা গাছ’ সম্পূর্ণ ভিন্ন বিষয়। মিক্স মসলা বা গরম মসলার গুঁড়ো মানুষের তৈরি একটি মিশ্রণ, যা প্রাচীনকাল থেকে ভারতীয় উপমহাদেশে ব্যবহৃত হয়েছে। অনেকে এই গাছকে মিট মশলা গাছ নামেও চেনেন। একটি সুগন্ধিযুক্ত মসলা গাছ, যা পিমেন্টা ডাইওকা (Pimenta dioica) নামেও পরিচিত। এর শুকনো পাতা ও ফলকে অলস্পাইস মশলা হিসেবে ব্যবহার করছে। ২০২৫ সালে অলস্পাইস গাছ (Allspice Plant) অনেকে এই গাছকে মিট মশলা গাছ নামেও চেনেন। একটি সুগন্ধিযুক্ত মসলা গাছ, যা পিমেন্টা ডাইওকা। মিক্স মসলা চারা গাছটির দাম পাঁচ হাজার টাকা চাওয়া হয়েছে। 
বৈরী আবহাওয়ার কারণে গত শুক্রবারের তুলনায় গত রোববার চারা বিক্রিও কম হয়েছে। গতকাল সোমবার মেলার দশম দিন বৃক্ষমেলার স্টলগুলোতে সকল বয়সী নারী-পুরুষ, তরুণ-তরুণী ও স্কুল, কলেজগামী শিক্ষার্থীদের পদচারণায় মুখরিত মেলা অঙ্গণ। কেউ চারা কিনছে, কেউ প্রিয়জনকে নিয়ে মেলায় এসেছে ঘুরতে। 
খুলনা বিভাগীয় বৃক্ষরোপণ অভিযান ও বৃক্ষমেলার উদ্যোগ নিয়েছেন জেলা প্রশাসন এবং খুলনা সুন্দরবন পশ্চিম বন বিভাগ। সরকারি প্রতিষ্ঠানের ১০টি স্টলসহ মোট ৬২টি স্টল রয়েছে। মেলার নিয়ন্ত্রণ কক্ষ থেকে স্টলগুলো সার্বক্ষণিক খোঁজ-খবর নেওয়া হচ্ছে। গত ১১ জুলাই থেকে শুরু হওয়া এ মেলা ১১ আগস্ট শেষ হবে।
নিয়ন্ত্রণ কক্ষে দায়িত্বরত মোঃ জাকির হোসেন বলেন, গত রোববার দুই হাজার ৩৪১টি চারা বিক্রি হয়েছে। যার মূল্য দুই লাখ ৮৩ হাজার ৮৫০ টাকা।

প্রিন্ট

আরও সংবাদ