খুলনা | বৃহস্পতিবার | ২৩ জুলাই ২০২৬ | ৭ শ্রাবণ ১৪৩৩

ইনফান্তিনোকে জাতিসংঘ মহাসচিব করতে চান ট্রাম্প

ক্রীড়া প্রতিবেদক |
০৩:৩২ পি.এম | ২২ জুলাই ২০২৬

 

বিশ্ব ফুটবলের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফার বর্তমান সভাপতি জিয়ানি ইনফান্তিনোকে জাতিসংঘের পরবর্তী মহাসচিব হিসেবে দেখতে চান মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। যুক্তরাষ্ট্রের সংবাদমাধ্যম ‘দ্য পোস্ট’-এর একটি বিশেষ প্রতিবেদনে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে।

এ বছর সফলভাবে বিশ্বকাপ আয়োজনের প্রক্রিয়ায় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সঙ্গে বেশ ঘনিষ্ঠ হয়ে ওঠেন ৫৬ বছর বয়সী সুইজারল্যান্ডে জন্মগ্রহণকারী ইনফান্তিনো। ট্রাম্পকে সন্তুষ্ট ও পাশে রাখতে তিনি কোনো চেষ্টার ত্রুটি করেননি, এমনকি গত ডিসেম্বর মাসে ট্রাম্পের হাতে ফিফার ইতিহাসেই প্রথম শান্তি পুরস্কার তুলে দেন ইনফান্তিনো। ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ একটি সূত্র জানিয়েছে, প্রেসিডেন্ট মনে করেন ইনফান্তিনো বিশ্বজুড়ে সর্বজনশ্রদ্ধেয় এবং মানুষকে এক সুতোয় বাঁধার একটি বিশেষ ক্ষমতা রয়েছে তাঁর।

চলতি বছরের ডিসেম্বরের শেষে পর্তুগালের আন্তোনিও গুতেরেস পদত্যাগ বা মেয়াদ শেষ করার পর নতুন মহাসচিব নির্বাচিত হবেন। পদটি নিশ্চিত করতে হলে ইনফান্তিনোকে ১৫ সদস্যের নিরাপত্তা পরিষদের (যেখানে স্থায়ী পাঁচ দেশের ভিটো ক্ষমতা রয়েছে) সমর্থন এবং পরবর্তীতে সাধারণ পরিষদের অনুমোদন পেতে হবে। তবে ইনফান্তিনো নিজে এই পদ চান কি না, কিংবা ট্রাম্প এ বিষয়ে তাঁর সঙ্গে কতটুকু আলোচনা করেছেন তা এখনো পরিষ্কার নয়।

ট্রাম্প মনে করছেন বর্তমান প্রার্থী তালিকায় একটি বড় সুযোগ রয়েছে, যাকে এক সূত্র "দুর্বল" প্রার্থী তালিকা বলে অভিহিত করেছেন। প্রধান প্রার্থীদের মধ্যে রয়েছেন চিলির সাবেক সমাজতান্ত্রিক প্রেসিডেন্ট মিশেল ব্যাচেলেট (যিনি যুক্তরাষ্ট্রের বাধার মুখে পড়তে পারেন) এবং আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার প্রধান আর্জেন্টিনার রাফায়েল গ্রোসি (ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জ বিতর্কের কারণে যুক্তরাজ্যের আপত্তির মুখে পড়তে পারেন)।

সাধারণত অঞ্চলভিত্তিক আবর্তনের নিয়ম অনুযায়ী এবার লাতিন আমেরিকা বা ক্যারিবীয় অঞ্চল থেকে মহাসচিব হওয়ার কথা ছিল (যে অঞ্চল থেকে সর্বশেষ ১৯৮২ থেকে ১৯৯১ সাল পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেছিলেন পেরুর হাভিয়ার পেরেস দে কুয়েয়ার)। ট্রাম্পের এই চিন্তাভাবনা সেই ভৌগোলিক প্রথাকে সম্পূর্ণ উল্টে দিতে পারে। তবে সংশ্লিষ্ট সূত্রের মতে, কেবল ভৌগোলিক নিয়ম ইনফান্তিনোর পথ আটকাতে পারবে না এবং ট্রাম্পের পাশাপাশি তিনি আরও একাধিক দেশের সমর্থন পেয়ে যেতে পারেন।

প্রিন্ট

আরও সংবাদ