খুলনা | শুক্রবার | ২৪ জুলাই ২০২৬ | ৮ শ্রাবণ ১৪৩৩

সফর সংক্ষিপ্ত করে আজ দেশে ফিরছেন স্পিকার : ৬ সেপ্টেম্বর সংসদের তৃতীয় অধিবেশন নির্বাচিত হবেন দেশের পরবর্তী রাষ্ট্রপতি

রাষ্ট্রপতি পদত্যাগ করছেন আজ!

খবর প্রতিবেদন |
০১:২৪ এ.এম | ২৪ জুলাই ২০২৬


রাষ্ট্রপতি মোঃ সাহাবুদ্দিন পদত্যাগ করতে যাচ্ছেন আজ। এদিন দুপুর নাগাদ পদত্যাগপত্র জাতীয় সংসদের স্পিকারের কাছে পাঠাবেন বলে নিশ্চিত করেছেন বঙ্গভবনের কর্মকর্তারা। এদিকে পদত্যাগের গুঞ্জনের মধ্যে সফর সংক্ষিপ্ত করে দেশে ফিরছেন জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ। চিকিৎসার জন্য বর্তমানে থাইল্যান্ড সফরে থাকা স্পিকার আজ শুক্রবার দেশে ফিরছেন। পূর্ব নির্ধারিত সময় অনুযায়ী তার আগামী ২৬ জুলাই রোববার দেশে ফেরার কথা ছিলো। সংবিধান অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতিকে স্পিকারের কাছে পদত্যাগপত্র জমা দিতে হবে। বৃহস্পতিবার সংসদ সচিবালয়ের একটি সূত্র গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।
সূত্রটি জানিয়েছে, আগামীকাল (আজ শুক্রবার) থাই এয়ারওয়েজে দুপুর ১২টা ১০ মিনিটে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছাবেন তিনি।
স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ গত ১৯ জুলাই চিকিৎসার জন্য ব্যাঙ্কক যান। সফরসূচি অনুযায়ী, আগামী ২৬ জুলাইয়ের জন্য ফিরতি টিকিট কাটা ছিল। কিন্তু সফরসূচি সংক্ষিপ্ত করে শুক্রবার দেশে ফিরতে স্পিকারকে সরকারের উচ্চ পর্যায় থেকে অনুরোধ করা হয়েছে বলে সংসদ সচিবালয়ের সূত্রে জানা গেছে।
সংসদ সচিবালয়ের এক কর্মকর্তা বলেন, সফরসূচি অনুযায়ী আগামী ২৬ জুলাই স্পিকারের দেশে ফেরার কথা ছিল। কিন্তু সরকারের উচ্চ পর্যায় থেকে তাকে দ্রুত দেশে ফিরতে অনুরোধ করা হয়েছে। সে কারণে তিনি শুক্রবারই দেশে ফিরবেন।
কী কারণে দ্রুত দেশে ফিরছেন স্পিকার এমন প্রশ্নের জবাবে ওই কর্মকর্তা বলেন, বৃহস্পতিবার থেকেই বিভিন্ন গুঞ্জন (রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ) শুনছি। সে কারণে হয়তো সফর সংক্ষিপ্ত করে দেশে ফিরছেন। আশা করি, সব কিছু কালকেই পরিষ্কার হয়ে যাবে।
সংসদ সচিবালয়ের একাধিক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ‘সফর সূচি অনুযায়ী আগামী ২৬ জুলাই স্পিকারের দেশে ফেরার কথা ছিল। কিন্তু সরকারের উচ্চ পর্যায় থেকে তাঁকে দ্রুত দেশে ফিরতে অনুরোধ করা হয়েছে। সে কারণে তিনি শুক্রবারই দেশে ফিরবেন। স্পিকার কখন দেশে পৌঁছাবেন এমন প্রশ্নের জবাবে ওই কর্মকর্তা বলেন, এখনো টিকিট হাতে পায়নি। তাই বলতে পারছি না। তবে তিনি শুক্রবারই দেশে ফিরবেন। জানা গেছে, শুক্রবার দুপুর ১২টা ১০ মিনিটে থাইএয়াওয়েজের একটি ফ্লাইটে তিনি ঢাকা অবতরণ করবেন।
বাংলাদেশের সংবিধানের ৫০ (৩) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, স্পিকারের স্বাক্ষরযুক্ত পত্রযোগে পদত্যাগ করতে পারবেন রাষ্ট্রপতি। সংবিধানের ৫৪ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে বা তিনি দায়িত্ব পালনে অক্ষম হলে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত জাতীয় সংসদের স্পিকার ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। সে ক্ষেত্রে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়া পর্যন্ত ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ।
স্পিকার সাময়িকভাবে রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করলেও, সংবিধানের ১২৩ (১) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী পদ শূন্য হওয়ার ৯০ দিনের মধ্যে জাতীয় সংসদের সদস্যদের ভোটে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন করতে হবে।
বাংলাদেশে সর্বশেষ ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি ছিলেন অষ্টম জাতীয় সংসদের স্পিকার প্রয়াত জমির উদ্দিন সরকার। বিএনপি-জামায়াত নেতৃত্বাধীন চারদলীয় জোট সরকারের সময়ে ২০০২ সালে সাবেক রাষ্ট্রপতি এ কিউ এম বদরুদ্দোজা চৌধুরীর পদত্যাগের পর ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পান। তিনি ২১ জুন ২০০২ থেকে ৬ সেপ্টেম্বর ২০০২ পর্যন্ত এই পদে ৭৮ দিন দায়িত্ব পালন করেন।
রাষ্ট্রপতি পদত্যাগ করছেন আজ : রাষ্ট্রপতি মোঃ সাহাবুদ্দিন আজ শুক্রবার (২৪ জুলাই) পদত্যাগ করতে যাচ্ছেন। এদিন দুপুর নাগাদ পদত্যাগপত্র জাতীয় সংসদের স্পিকারের কাছে পাঠাবেন বলে নিশ্চিত করেছেন বঙ্গভবনের কর্মকর্তারা। এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানায় স্টার নিউজ।
প্রতিবেদনে বলা হয়, পরিবারের পক্ষ থেকে জানা গেছে, মোঃ সাহাবুদ্দিন শারীরিক ভাবে বেশ অসুস্থ। সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে সিটি স্ক্যান ও এমআরআই পরীক্ষায় তার নিউরো কেন্দ্রিক জটিল রোগ ধরা পড়েছে। তাই পদত্যাগ করে স্ত্রীসহ সিঙ্গাপুরে চিকিৎসার জন্য যেতে চান মোঃ সাহাবুদ্দিন।
সংবিধান মতে, রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালনে কেউ অপারগতা প্রকাশ করলে, স্পিকারের কাছে তিনি পদত্যাগপত্র জমা দেবেন। পদশূন্য হলে স্পিকার রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন। পরবর্তী ৯০ দিনের মধ্যে নির্বাচনের মাধ্যমে আসবেন নতুন রাষ্ট্রপতি।
এর আগে চলতি বছরের ৯ মে রাষ্ট্রপতি মোঃ সাহাবুদ্দিন চিকিৎসার জন্য যুক্তরাজ্যের লন্ডনে যান। চিকিৎসকের পরামর্শক্রমে ফলোআপ চিকিৎসা ও স্বাস্থ্য পরীক্ষা করেন তিনি। চিকিৎসা ও স্বাস্থ্য পরীক্ষা শেষে ৯ দিন পর ১৮ মে দেশে ফেরেন তিনি।
এদিকে রাষ্ট্রপ্রতির ইস্যুতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও বিভিন্ন গণমাধ্যমে বেরিয়ে এসেছে আরও স্পর্শকাতর তথ্য। সেখানে বলা হয়েছে, রাষ্ট্রপতি চিকিৎসার জন্য লন্ডনে গিয়ে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে ফোনে কথা বলেছেন। পরে গোয়েন্দা সংস্থাগুলো ওই ফোনালাপের বিষয়টি জানতে পারে। এরপরই তাকে পদত্যাগের বার্তা দেয়, বিএনপি সরকার।
তবে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে দণ্ডপ্রাপ্ত শেখ হাসিনার ফোনালাপ নিয়ে নির্দিষ্ট কোনো তথ্য নেই বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ। বৃহস্পতিবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে বিকেল সাড়ে ৩টার পর সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ কথা জানান তিনি।
এ বিষয়ে সরকারের পক্ষ থেকে কিছু বলা হয়নি বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি বলেন, কোনো কারণে রাষ্ট্রপতি পদত্যাগ করতে চাইলে সংবিধানে সে সুযোগ রয়েছে।
বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে পদত্যাগের গুঞ্জন নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমেদ বলেন, আপাতত এটি শুধু গুঞ্জন। যদি বিষয়টি বাস্তবে ঘটে, তখন সেটি নিয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ ও আলোচনা হবে।
উচ্চপর্যায় থেকে নতুন রাষ্ট্রপতি মনোনয়নে সিদ্ধান্ত : বৃহস্পতিবার দায়িত্বশীল সূত্রটি জানায়, সরকার ও সরকারি দল বিএনপির উচ্চপর্যায় থেকে নতুন রাষ্ট্রপতি মনোনয়নের বিষয়টি নিয়ে সিদ্ধান্ত নিচ্ছে। মনোনয়নে দেরি হলে স্পিকার মেজর (অবঃ) হাফিজ উদ্দিন আহমদ ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন। বর্তমান রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন যে খুব শিগগিরই পদত্যাগ করছেন এটি নিয়ে আর কোনো সংশয় নেই।
সরকারের ওই সূত্রটি জানায়, কে পরবর্তী রাষ্ট্রপতি পদে আসছেন এটি এখনই নিশ্চিত করে জানা যায়নি। তবে সাধারণত সরকারি দলের বিশ্বস্ত কেউ এই পদে নিয়োগ পেয়ে থাকেন।
সরকারের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ সূত্র জানিয়েছেন, আগামী ৬ সেপ্টেম্বর রোববার জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশন বসবে। সেখানেই নির্বাচিত হবেন দেশের পরবর্তী রাষ্ট্রপতি। 
সূত্রটি জানায়, রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন পদত্যাগ করলে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হবেন বর্তমান স্পিকার মেজর (অবঃ) হাফিজ উদ্দিন আহমদ। নির্ভরযোগ্য দু’টি সূত্রের একটিও নাম প্রকাশ করতে রাজি হয়নি।
রাষ্ট্রপতি অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে পদত্যাগ করতে পারেন। যদিও রাষ্ট্রপতি মোঃ সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগের বিষয়ে বৃহস্পতিবার দুপুর পর্যন্ত বঙ্গভবন বা সরকারের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য বা ঘোষণা পাওয়া যায়নি। তবে বঙ্গভবনকেন্দ্রিক একটি সূত্র জানিয়েছে, রাষ্ট্রপতি নিজে তার অধস্তন কর্মীদের শিগগিরই বঙ্গভবন ছেড়ে যাওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছেন। ওই সূত্রের ভাষ্য, পদত্যাগের পর তিনি কিছুদিন বিশ্রামে থাকবেন। চিকিৎসার জন্য বিদেশেও যেতে পারেন।
উল্লেখ্য, মোঃ সাহাবুদ্দিন ২০২৩ সালের ২৪ এপ্রিল বাংলাদেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নেন। আওয়ামী লীগের মনোনয়নে তিনি বিনা প্রতিদ্ব›িদ্বতায় নির্বাচিত হন। সাংবিধান অনুযায়ী, তার পাঁচ বছরের মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা ২০২৮ সালের এপ্রিলে।
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে বড় পরিবর্তন আসে। সেই সময় ফ্যাসিবাদী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পদত্যাগ করে দেশ ছাড়েন। পরবর্তী সময়ে সংসদ বিলুপ্ত, অন্তর্বতী সরকার গঠনসহ গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক প্রক্রিয়াগুলোতে রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন মোঃ সাহাবুদ্দিন।
গণঅভ্যুত্থানের পর থেকেই রাষ্ট্রপতির অপসারণের দাবি তুলেছিলেন আন্দোলনকারী ছাত্রনেতারা। তার পদত্যাগ দাবিতে বঙ্গভবন ঘেরাওসহ বিভিন্ন কর্মসূচিও পালন করে জুলাই আন্দোলন-সংশ্লিষ্ট সংগঠনগুলো। তবে ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বতী সরকার তাকে অপসারণে কোনো উদ্যোগ নেয়নি। শোনা যায় সাংবিধানিক শূন্যতার আশঙ্কায় তখন বৃহৎ রাজনৈতিক দল বিএনপি সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগ চায়নি।
তবে ২০২৫ সালের ১২ ডিসেম্বর অন্তর্বতী সরকারের সময়ে সাহাবুদ্দিন বলেছিলেন, ফেব্র“য়ারির নির্বাচনের পর মেয়াদের মাঝামাঝি সময়ে তিনি পদত্যাগ করতে চান। সেই সময় তিনি আরও বলেন, মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বতী সরকারের আচরণে তিনি অপমানিত বোধ করেছেন। এরপর বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর চলতি বছরের ২৪ ফেব্র“য়ারি এক সংবাদপত্রকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে সাহাবুদ্দিন বলেন, সরকার চাইলে তিনি দায়িত্বে থাকবেন, অন্যথায় স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করবেন।
সংবিধান অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতি পদত্যাগ করলে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত জাতীয় সংসদের স্পিকার ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন।
৫৪ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে কিংবা অনুপস্থিতি, অসুস্থতা বা অন্য কোনো কারণে তিনি দায়িত্ব পালনে অসমর্থ হলে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত স্পিকার রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন।
সংবিধানের ১২৩ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, পদত্যাগ, মৃত্যু বা অপসারণের কারণে রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে পরবর্তী ৯০ দিনের মধ্যে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন করতে হয়। সংসদ সদস্যদের ভোটে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন। ক্ষমতাসীন বিএনপি’র সংসদে সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকায় দলটির মনোনীত ব্যক্তিরই রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার কথা।
জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মাধ্যমে বিএনপি সরকার গঠন করলেও রাষ্ট্রপতি পরিবর্তনের বিষয়ে তাৎক্ষণিক কোনো সিদ্ধান্ত নেয়নি। যদিও সরকার পরিবর্তনের পর থেকেই রাষ্ট্রপতির ভবিষ্যৎ নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে নানা আলোচনা চলছিল, সরকার বা বিএনপি প্রকাশ্যে কখনো তার পদত্যাগ দাবি করেনি।
রাষ্ট্রপতি মোঃ সাহাবুদ্দিন শেষ পর্যন্ত পদত্যাগ করলে গণঅভ্যুত্থান এবং পরবর্তী জাতীয় নির্বাচনের পর দেশের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদে আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন ঘটবে। একই সঙ্গে সরকার গঠনের পর প্রথমবারের মতো নিজেদের মনোনীত একজনকে রাষ্ট্রপতি করার সুযোগ পাবে বিএনপি। পরবর্তী জাতীয় সংসদ নির্বাচন নতুন রাষ্ট্রপতির মেয়াদকালেই অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা থাকায়, কে হচ্ছেন দেশের পরবর্তী রাষ্ট্রপতি তা নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আগ্রহ  তৈরি হয়েছে।

প্রিন্ট

আরও সংবাদ