খুলনা | শনিবার | ২৫ জুলাই ২০২৬ | ৯ শ্রাবণ ১৪৩৩

সাহাবুদ্দিন বঙ্গভবন ছাড়ছেন কাল, পাবেন যেসব সুবিধা

খবর প্রতিবেদন |
০১:২৭ এ.এম | ২৫ জুলাই ২০২৬


অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে পদত্যাগ করেছেন রাষ্ট্রপতি মোঃ সাহাবুদ্দিন। ইতিমধ্যে সপরিবারে ভঙ্গভবন ছাড়ার প্রস্তুতিও সম্পন্ন করেছেন তিনি।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, সদ্যবিদায়ি রাষ্ট্রপতি আগামী রোববার সপরিবারে বঙ্গভবন ছাড়বেন, ইতিমধ্যে সব প্রস্তুতিও সম্পন্ন হয়েছে।
শুক্রবার তার পরিবারের এক সদস্য গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, বঙ্গভবন ছেড়ে মোঃ সাহাবুদ্দিন পরিবারসহ রাজধানীর গুলশানে নিজের বাসায় উঠবেন বলেও নিশ্চিত করেন তিনি।
মোঃ সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগপত্র গ্রহণের তথ্য নিশ্চিত করেছেন জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম।
রাষ্ট্রপতি পদ থেকে পদত্যাগের পর মোঃ সাহাবুদ্দিন আর রাষ্ট্রপতি হিসেবে সাংবিধানিক প্রাধান্য পাবেন না। তবে সাবেক রাষ্ট্রপতি হিসেবে আইন-নির্ধারিত অবসরভাতা ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা পাবেন।
২০১৬ সালের ‘রাষ্ট্রপতির অবসরভাতা, আনুতোষিক ও অন্যান্য সুবিধা আইন’ অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতি পদে নির্ধারিত সময় দায়িত্ব পালন শেষে পদত্যাগ বা মেয়াদ শেষ হলে সাবেক রাষ্ট্রপতির অবসরভাতা, আনুতোষিক ও অন্যান্য সুবিধার বিধান রয়েছে।
ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের সময় রাষ্ট্রপতি পদে নিয়োগ পাওয়া মোঃ সাহাবুদ্দিন ২০২৩ সালের ২৪ এপ্রিল দেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নেন। অর্থাৎ দুই বছরের বেশি সময় তিনি রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করেছেন।
আইন অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতি পদে অন্তত ছয় মাস দায়িত্ব পালন করে পদত্যাগ বা মেয়াদ শেষে পদ ছাড়লে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি আজীবন অবসরভাতা পাওয়ার অধিকারী হন। মোঃ সাহাবুদ্দিন যেহেতু ছয় মাসের অনেক বেশি সময় রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করেছেন, তাই তিনি ২০১৬ সালের ‘রাষ্ট্রপতির অবসরভাতা, আনুতোষিক ও অন্যান্য সুবিধা আইন’ অনুযায়ী আজীবন অবসরভাতা পাওয়ার অধিকারী। এছাড়া আইননির্ধারিত অন্যান্য সুবিধাও তার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে।
তবে পদত্যাগের পর সাবেক রাষ্ট্রপতি কী ধরনের রাষ্ট্রীয় প্রটোকল, নিরাপত্তা, সরকারি গাড়ি বা এসকর্ট সুবিধা পাবেন, তা সরাসরি অবসরভাতা ও অন্যান্য সুবিধা-সংক্রান্ত আইনে নির্ধারিত নেই। এসব বিষয়ে প্রযোজ্য সরকারি বিধি, নিরাপত্তা ব্যবস্থা, প্রটোকল-সংক্রান্ত নির্দেশনা বা সরকারের পৃথক সিদ্ধান্ত কার্যকর হবে।
সংবিধানের ৪৮(২) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী কার্যরত রাষ্ট্রপতির রাষ্ট্রীয় প্রাধান্যের কথা বলা হয়েছে। ফলে পদত্যাগের পর মোঃ সাহাবুদ্দিন রাষ্ট্রপতি হিসেবে ওই সাংবিধানিক প্রাধান্য আর পাবেন না।

প্রিন্ট

আরও সংবাদ