খুলনা | রবিবার | ২৬ জুলাই ২০২৬ | ১০ শ্রাবণ ১৪৩৩

বৃক্ষমেলা : দৃষ্টি কাড়লো ১৭ বছর বয়সী বনসাই বটগাছ

আল মাহমুদ প্রিন্স |
০২:১০ এ.এম | ২৬ জুলাই ২০২৬


বনসাই। বনসাই হলো একটি জীবন্ত শিল্প। যেখানে বড় গাছকে বিশেষ যতœ ও ছাঁটাইয়ের মাধ্যমে টপের মধ্যে ছোট আকারে বাঁচিয়ে রাখা হয়। বনসাই গাছের চাহিদাও অনেক। মেলায় আসলে অনেকের বনসাই গাছের কথা মনে পড়ে। বনসাই দেখতে অবিকল একটি পূর্ণাঙ্গ বড় গাছের মত মনে হয়। এটি কোন আলাদা জাতের গাছ নয়, বরং একটি গাছকে ছোট রাখার বিশেষ পদ্ধতি। এক কথায় বলা যায় নিয়মিত ডালপালা ও শিকড় ছাঁটাই এবং তার পেঁচিয়ে বড় গাছকে ছোট রূপ দেওয়ার কৌশল। বিসমিল্লাহ নার্সারী নামক স্টলে টপে রাখা হয়েছে সতের বছর বয়সী বনসাই বটগাছটি। মূল্য চাওয়া হয়েছে তিন হাজার টাকা। খুলনা বিভাগীয় বৃক্ষরোপণ অভিযান ও বৃক্ষমেলায় ক্রেতা, বৃক্ষপ্রেমিদের দৃষ্টি কেড়েছে সতের বছর বয়সী এ বনসাই বটগাছটি।  
সরেজমিন ঘুরে জানা গেছে, একটি বনসাই গাছের মোটা কান্ড, শেঁকড়, ডালপালা ও পাতাগুলোর বিন্যাস দেখে মনে হয় এটি প্রকৃতির বহু পুরোনো এক বিশাল গাছ। গাছটির উচ্চতা সাধারণত কয়েক ইঞ্চি থেকে শুরু করে সর্বোচ্চ দুই-তিন ফুট পর্যন্ত হতে পারে। এগুলো ছোট, অগভীর এবং দৃষ্টিনন্দন চ্যাপ্টা টপ বা ট্রেতে রোপণ করা হয়, যা গাছের সৌন্দর্যে ভিন্ন মাত্রা যোগ করে। বট, অশ্বত্থ, পাইকাস, বোগেনভেলিয়া, জেমিনী বা কদমের মত শক্ত কান্ডের গাছ বনসাইয়ের জন্য খুব ভালো। বনসাই সোজা (Formal Upright), বাঁকা (Informal Upright) কিংবা ঝুড়ে পড়া (Cascade) বিভিন্ন সুন্দর ভঙ্গিমার হতে পারে। 
মেলায় কথা হয় মহানগরীর গল্লামারি এলাকার সাহিদুল ইসলাম সরদারে সাথে। মেলা থেকে তিনটি ফলজ গাছ কিনেছেন। একটি জলপাই, একটি আমগাছ ও একটি বনসাই বটগাছ কিনেছেন তিনি। মেলা থেকে এসব গাছ কিনে তিনি সন্তোষও প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, মেলায় বিভিন্ন স্টল ঘুরে পছন্দের চারাসহ বিভিন্ন ধরনের অন্যান্য মালামাল কেনা যায়। দামেও কম পাওয়া যায়।    
খুলনা বিভাগীয় বৃক্ষরোপণ অভিযান ও বৃক্ষমেলার উদ্যোগ নিয়েছে জেলা প্রশাসন এবং সুন্দরবন পশ্চিম বিভাগ। গত ১১ জুলাই থেকে শুরু হওয়া এ মেলা ১১ আগস্ট পর্যন্ত চলবে। 
মেলার নিয়ন্ত্রণ কক্ষে দায়িত্বে থাকা মোঃ জাকির হোসেন বলেন, শুক্রবার জুলাই চারা বিক্রি হয়েছে দুই হাজার ৭৮৬টি। যার মূল্য দাঁড়িয়েছে ৪ লাখ ৬২ হাজার ৪৫০ টাকা। 

প্রিন্ট

আরও সংবাদ