খুলনা | বুধবার | ০৫ অগাস্ট ২০২৬ | ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩

আড়াই লক্ষাধিক ধর্মীয় উপাসনালয়ে কর্মরতরা পাবেন সম্মানি ভাতা

খবর প্রতিবেদন |
১১:১৩ পি.এম | ০৪ অগাস্ট ২০২৬


চলতি অর্থবছরে দেশের ২ লাখ ৫৬ হাজার ৭৪ জন ইমাম, মুয়াজ্জিন, খাদেম ও বিভিন্ন ধর্মীয় উপাসনালয়ের কর্মীরা সরকারি মাসিক সম্মানি ভাতা পাবেন। এ কর্মসূচির জন্য ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে ১ হাজার ১০০ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। মঙ্গলবার সচিবালয়ে ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আয়োজিত সভায় প্রধানমন্ত্রীর জনপ্রশাসন বিষয়ক উপদেষ্টা (মন্ত্রী পদমর্যাদা) মোঃ ইসমাইল জবিউল্লাহ এ তথ্য জানান।
বিএনপি নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নে ধর্মীয় উপাসনালয়ে কর্মরত ব্যক্তিবর্গের জন্য মাসিক সম্মানি ও প্রশিক্ষণভিত্তিক কল্যাণ ব্যবস্থা চালুর লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে এই সেল গঠন করা হয়।
জনপ্রশাসন উপদেষ্টা বলেন, ‘সরকার দেশের ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলোকে পর্যায়ক্রমে এই ভাতার আওতায় নিয়ে আসার পরিকল্পনা করেছে। চার বছরের মধ্যে দেশের শতভাগ ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানকে এ কর্মসূচির আওতায় আনার লক্ষ্যে প্রথম বছর দেশের মোট ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের প্রায় এক-চতুর্থাংশকে অন্তর্ভুক্ত করা হচ্ছে।’
চলতি অর্থবছরে যেসব উপাসনালয়ের কর্মরতরা ভাতা পাবেন, তার হিসাব দিতে গিয়ে ইসমাইল জবিউল্লাহ জানান, এবার ৮২ হাজার ৬৫৬টি মসজিদের ২ লাখ ৪৭ হাজার ৯৬৮ জন, ৩ হাজার মন্দিরের ৬ হাজার জন, ৭৫২টি বৌদ্ধ বিহারের ১ হাজার ৫০৪ জন এবং ৩০১টি গির্জার ৬০২ জন সুবিধাভোগী এ ভাতার আওতায় আসছেন।
ইসমাইল জবিউল্লাহ আরও উল্লেখ করেন, গত ২০২৫-২৬ অর্থবছরে পাইলট কর্মসূচির আওতায় দেশের ৬ হাজার ১৭টি নির্বাচিত ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের ১৩ হাজার ৯৪৯ জন ইমাম, মুয়াজ্জিন, খাদেম ও অন্য ধর্মীয় কর্মীদের সম্মানি প্রদান করা হয়েছিল।
ভাতার হার সম্পর্কে তিনি জানান, মাসিক ভিত্তিতে মসজিদের ইমাম, মন্দিরের পুরোহিত, বৌদ্ধ বিহারের অধ্যক্ষ ও গির্জার যাজকরা পাবেন ৫ হাজার টাকা করে। মুয়াজ্জিন, সেবাইত, বিহার উপাধ্যক্ষ ও সহকারী যাজকরা পাবেন ৩ হাজার টাকা এবং মসজিদের খাদেমদের প্রদান করা হবে ২ হাজার টাকা করে।
এ ছাড়া প্রত্যেক উপকারভোগী বছরে ২ হাজার টাকা করে উৎসব ভাতা পাবেন। উপকারভোগীদের চাহিদা বিবেচনা করে টাকা সরাসরি তাদের ব্যাংক এ্যাকাউন্টে কিংবা মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে পাঠিয়ে দেওয়া হবে।
 

প্রিন্ট

আরও সংবাদ