খুলনা | বুধবার | ০৫ অগাস্ট ২০২৬ | ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩

ভারতে উচ্চশিক্ষায় বৃত্তি পেলেন ৫৪১ বাংলাদেশি

খবর প্রতিবেদন |
০২:১১ এ.এম | ০৫ অগাস্ট ২০২৬


ভারত সরকারের ইন্ডিয়ান কাউন্সিল ফর কালচারাল রিলেশনস (আইসিসিআর) বৃত্তির আওতায় ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে বাংলাদেশের ৫৪১ জন শিক্ষার্থী উচ্চশিক্ষার সুযোগ পেয়েছেন। তাদের মধ্যে ৫০০ জন সুবর্ণ জয়ন্তী স্কলারশিপ, ৩৮ জন লতা মঙ্গেশকর ড্যান্স এ্যান্ড মিউজিক স্কলারশিপ এবং তিনজন কোয়াড স্কলারশিপ পেয়েছেন। মঙ্গলবার ঢাকায় ভারতীয় হাইকমিশনে আয়োজিত আইসিসিআর স্কলারশিপপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের বিদায়ী অনুষ্ঠানে এসব তথ্য জানানো হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, ভারতে অবস্থানকালে তারা বাংলাদেশ ও ভারতের বন্ধুত্বের দূত হিসেবে কাজ করবেন। তিনি শিক্ষার্থীদের নিজ নিজ বিষয়ে সাফল্য অর্জনের পাশাপাশি ভারতের বৈচিত্র্য সম্পর্কে জানার, স্থায়ী বন্ধুত্ব গড়ে তোলার এবং দুই দেশের মধ্যে সেতুবন্ধ হিসেবে ভূমিকা রাখার আহŸান জানান।
অনুষ্ঠানে ঢাকার ১২০ জনের বেশি শিক্ষার্থী অংশ নেন। তারা শিগগিরই ভারতের বিভিন্ন শীর্ষ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে প্রকৌশল, ফার্মেসি, চারুকলা, সংগীতসহ বিভিন্ন বিষয়ে স্নাতক, স্নাতকোত্তর ও পিএইচডি পর্যায়ে পড়াশোনা করতে যাবেন।
এ বছর সারা বাংলাদেশ থেকে ৭ হাজার ৭০০-এর বেশি আবেদন জমা পড়ে। লিখিত দক্ষতা পরীক্ষা ও সাক্ষাৎকারের মাধ্যমে মাত্র ৫৪১ জন শিক্ষার্থীকে চূড়ান্তভাবে বৃত্তির জন্য নির্বাচিত করা হয়।
হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, আবেদনকারীদের মধ্যে মাত্র ৬ শতাংশ এই বৃত্তি অর্জন করতে সক্ষম হয়েছেন। ভারত তাদের উন্মুক্ত হৃদয়ে স্বাগত জানাতে প্রস্তুত। সেখানে পড়াশোনার মাধ্যমে তারা ভারতের  বৈচিত্র্যময় সংস্কৃতি ও সমাজকে কাছ থেকে জানার সুযোগ পাবেন। তিনি শিক্ষার্থীদের অভিভাবকের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে বলেন, সন্তানদের উচ্চশিক্ষার জন্য ভারতের ওপর আস্থা রাখায় তাদের ধন্যবাদ প্রাপ্য।
আইসিসিআর বৃত্তি ভারত সরকারের একটি গুরুত্বপূর্ণ কর্মসূচি। এর আওতায় বাংলাদেশের মেধাবী শিক্ষার্থীরা প্রকৌশল, বিজ্ঞান, সাহিত্য, মানবিক ও চারুকলাসহ বিভিন্ন বিষয়ে ভারতের শীর্ষস্থানীয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সম্পূর্ণ বিনা খরচে স্নাতক, স্নাতকোত্তর ও পিএইচডি করার সুযোগ পান। এ বৃত্তির আওতায় শিক্ষার্থীদের টিউশন ফি’সহ বিশ্ববিদ্যালয়ের সব ধরনের ফি মওকুফ করা হয়। পাশাপাশি দৈনন্দিন ব্যয় নির্বাহের জন্য মাসিক ভাতাও প্রদান করা হয়।

প্রিন্ট

আরও সংবাদ