খুলনা | শুক্রবার | ০৭ অগাস্ট ২০২৬ | ২২ শ্রাবণ ১৪৩৩

১৪ বছরের কিশোরীকে গণধর্ষণের অভিযোগে দু’জনের যাবজ্জীবন

নিজস্ব প্রতিবেদক |
০১:৪৩ এ.এম | ০৭ অগাস্ট ২০২৬


নগরীর দৌলতপুরের ১৪ বছরের কিশোরীকে গণধর্ষণের অভিযোগে দু’জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সাথে তাদের দু’জনকে দুই লাখ টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেয়া হয়।
বৃহস্পতিবার বিকেলে খুলনার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১-এর বিচারক মুহাম্মদ আকরাম হোসেন এ রায় ঘোষণা করেছেন। দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন, দৌলতপুর থানার কুলিবাগান রেল কলোনি বস্তির রশিদের বাড়ির ভাড়াটিয়া মোঃ সুলতানের ছেলে হিরু এবং একই বস্তির বাসিন্দা ফরমান খাঁ’র ছেলে নজু খাঁ। রায় ঘোষণার পর তাদের দু’জনকে আদালত থেকে কারাগারে প্রেরণ করা হয়।
আদালতের বেঞ্চ সহকারী ইকবাল মাহমুদ নথরি বরাত দিয়ে জানান, ভিকটিম স্থানীয় একটি বিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেণির ছাত্রী। বিদ্যালয় থেকে ফিরে ২০১৩ সালের ৯ ফেব্র“য়ারি দুপুর আড়াইটার দিকে দৌলতপুর কুলিরবাগান রেল কলোনি বস্তির বাসায় বসে হাত ও পায়ের নখ কাটছিল কিশোরী। হঠাৎ তার পা কেটে যায়। এ সময়ে ওষুধ আনতে আসামি নজু খাঁ’র বাসায় যায়। ঘটনাস্থলে হিরু উপস্থিত ছিল। আসামি নজু খাঁ বলেন, আমার ঘরে কোনো ওষুধ নেই। বের হয়ে আসার সময় হাত টান দিয়ে ঘরের মধ্যে নিয়ে গিয়ে ওই দুইজন তাকে পালাক্রমে ধর্ষণ করেন। কিশোরীর মা ঘটনার সময় বাড়িতে ছিলেন না। খবর পেয়ে বাড়িতে ফিরে মেয়েকে নিয়ে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য যান। ঘটনার চারদিন পর কিশোরীর মা বাদী হয়ে দৌলতপুর থানায় নজু খাঁ ও হিরুর নাম উলে­খ করে মামলা দায়ের করেন। ওই বছরের ৩০ জুন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পুলিশের এসআই শফিকুল ইসলাম দুই আসামির বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। ২০১৪ সালের ২১ জানুয়ারি নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে তাদের দুইজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়। বৃহস্পতিবার এই মামলার রায় ঘোষণা করা হয়।

প্রিন্ট

আরও সংবাদ