খুলনা | সোমবার | ২৪ অগাস্ট ২০২৬ | ৯ ভাদ্র ১৪৩৩

মিরপুরে প্রাইভেট কার থেকে বিএনপি নেতাকে গুলি, আহত নারীসহ ২

খবর প্রতিবেদন |
০১:২৫ এ.এম | ০৮ অগাস্ট ২০২৬


রাজধানীর মিরপুর-১১ এলাকায় প্রাইভেট কারে এসে গুলি চালিয়েছে দুর্বৃত্তরা। এ ঘটনায় বিএনপি’র নেতা ও মাছের আড়তদার আলমগীর হোসেন (৪৫) এবং এক পথচারী নারী গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। আহত আলমগীরকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। শুক্রবার বিকেলে মিরপুর-১১ নম্বর সেকশনের ‘বি’ ব্লকের একটি চায়ের দোকানের সামনে এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, আলমগীর হোসেন স্থানীয় একটি চায়ের দোকানে কয়েকজনের সঙ্গে বসে ছিলেন। এ সময় একটি প্রাইভেট কার থেকে নেমে কয়েকজন দুর্বৃত্ত তাকে লক্ষ্য করে এলোপাতাড়ি গুলি ছোড়ে। এতে আলমগীরের মাথা ও পিঠে তিনটি গুলি লাগে। গুলিতে পথচারী জোসনা (৬৫) নামে এক নারীও আহত হন। তার পায়ে গুলি লেগেছে। তাকে স্থানীয় একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
ঢামেকে চিকিৎসাধীন আলমগীর হোসেন দাবি করেন, চারজন সশস্ত্র ব্যক্তি প্রাইভেট কার থেকে নেমে তাকে লক্ষ্য করে গুলি চালিয়ে দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে। হামলাকারীদের মধ্যে দু’জনকে তিনি চিনতে পেরেছেন বলে দাবি করেন। তাদের নাম রুবেল ও বাপ্পী এবং তারা যুবলীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত বলে অভিযোগ করেন। তবে কী কারণে তার ওপর হামলা হয়েছে, সে বিষয়ে তিনি নিশ্চিত নন।
আলমগীর জানান, তিনি পুরান ঢাকার সোয়ারীঘাটে তার ভাইয়ের সঙ্গে মাছের আড়তের ব্যবসা করেন। তিনি ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের লালবাগ-নবাবগঞ্জ রোড এলাকার ২৩ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপি’র সদস্য। বর্তমানে পরিবার নিয়ে মিরপুর-১১ নম্বরের ‘বি’ ব্লকে বসবাস করছেন।
পুলিশের একটি সূত্র জানিয়েছে, মাদক ব্যবসাকে কেন্দ্র করে স্থানীয় সন্ত্রাসী ল্যাংড়া রুবেলের সঙ্গে আলমগীরের বিরোধ ছিল। সেই বিরোধের জের ধরেই এ হামলার ঘটনা ঘটতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।
পল্লবী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) হাসান বাসির বলেন, স্থানীয় সন্ত্রাসী রুবেল ওরফে ল্যাংড়া রুবেল আলমগীরকে লক্ষ্য করে গুলি চালিয়েছে বলে প্রাথমিক তথ্য পাওয়া গেছে। এতে আলমগীর ও এক পথচারী নারী আহত হয়েছেন। হামলার প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনে তদন্ত চলছে।

প্রিন্ট

আরও সংবাদ