খুলনা | রবিবার | ১৬ অগাস্ট ২০২৬ | ১ ভাদ্র ১৪৩৩

অবকাঠামো তৈরি করে গ্যাস-সংকট সমাধানে ২ বছর লাগবে : বাণিজ্যমন্ত্রী

খবর প্রতিবেদন |
০১:৪৪ এ.এম | ১৬ অগাস্ট ২০২৬


দেশে গ্যাস-সংকট উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া উল্লেখ করে বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদির বলেছেন, অবকাঠামো তৈরি করে এই পরিস্থিতি থেকে বের হতে বছর দুয়েক সময় লাগবে। শনিবার দুপুরে সিলেটে কৃষিবিষয়ক একটি কর্মশালা শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।
বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ‘গ্যাসের অভাবে সমস্ত মিল-ফ্যাক্টরি সাফার করছে (ভুগছে), এটা বাস্তব। কিন্তু এই বাস্তবতাটা আমরা উত্তরাধিকার সূত্রে পেয়েছি। ইনফ্রাস্ট্রাকচার (অবকাঠামো) তৈরি করেই এ থেকে বের হতে হবে।’ মালয়েশিয়া থেকে এলএনজি আমদানির চেষ্টা করা হচ্ছে জানিয়ে খন্দকার আবদুল মুক্তাদির বলেন, ‘মালয়েশিয়ার ছোট জাহাজগুলো অন্যত্র এঙ্গেজড (ব্যস্ত)। তারপরও সরকার চেষ্টা করছে এ রকম কোনো আপদকালীন সমাধান করে পরিস্থিতির কিছু উত্তরণ করা যায় কি না।’
বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ‘জ্বালানি সংকটের চ্যালেঞ্জ স্পষ্ট। অবকাঠামো তৈরি করে সংকট থেকে বের হতে যত টুকু সময় প্রয়োজন, সেটা দিতে হবে। আপদকালীন পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রচলিত ধ্যানধারণার বাইরে গিয়ে কাজ করছে সরকার।’ কর্মশালায় বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, সিলেট অঞ্চলে এখনো উল্লেখযোগ্য পরিমাণ অনাবাদি ও এক ফসলি জমি রয়েছে। দেশের অন্যান্য জায়গার তুলনায় এখানে তিন ফসলি জমির পরিমাণ অনেক কম।
ভৌগোলিক কারণে সিলেট অঞ্চলে চাষাবাদের ক্ষেত্রে দু’টি প্রধান সমস্যার কথা উল্লেখ করেন তিনি। মন্ত্রী বলেন, ‘প্রথমত, সিলেট একটি নিচু ও হাওড় অঞ্চল হওয়ায় বছরের একটি নির্দিষ্ট সময়ে এখানে পানি জমে থাকে। এই জলাবদ্ধ পানি নিষ্কাশনের সঠিক ব্যবস্থা করা গেলে সেখানে বড় আকারের আবাদ সম্ভব। দ্বিতীয়ত, শুকনো মৌসুমে সেচের পানির অভাবে অনেক জমিতে চাষ করা যায় না। যদি যথাযথ সেচ সুবিধা নিশ্চিত করা যায়, তবে এক ফসলি জমিকে দুই ফসলি এবং দুই ফসলি জমিকে সহজেই তিন ফসলিতে রূপান্তর করা সম্ভব।’

প্রিন্ট

আরও সংবাদ