খুলনা | মঙ্গলবার | ১৮ অগাস্ট ২০২৬ | ৩ ভাদ্র ১৪৩৩

শ্রমিক, মালিক বা পুলিশ—যে পক্ষই হোক চাঁদাবাজি বন্ধ করতে হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

খবর প্রতিবেদন |
০২:১৪ পি.এম | ১৮ অগাস্ট ২০২৬


মহাসড়কে চাঁদাবাজি বন্ধ করতে হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি বলেছেন, ‘মহাসড়কে যে চাঁদাবাজি হয়, সেটা মালিক পক্ষ থেকে হোক, শ্রমিক ফেডারেশনের পক্ষ থেকে হোক বা পুলিশের পক্ষ থেকে হোক—সবকিছু ক্যামেরায় যেহেতু রেকর্ড থাকবে, আশা করি এই প্রবণতাটা কমবে। আমি বিশ্বাস করি জনগণের সহযোগিতায় আমরা মহাসড়কে চাঁদাবাজি বন্ধ করতে পারব।’

আজ মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) দুপুরে নারায়ণগঞ্জের মেঘনাঘাট হাইওয়ের মনিটরিং সেন্টার থেকে এআই ক্যামেরা উদ্বোধনের পর পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে প্রধান অতিথির বক্তব্যে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এ কথা বলেন। হাইওয়ে পুলিশ এ উদ্বোধনী অনুষ্ঠান আয়োজন করে।

সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘মহাসড়কে থ্রি-হুইলার যেসব যানবাহন চলে—এগুলো চলার কথা না। শুধুমাত্র গ্যাস স্টেশনে গ্যাস নিতে আসার জন্য এবং যেগুলো বাজার এলাকা আছে, যেগুলো তাদের স্ট্যান্ড, ওগুলো আর ফিডার রোডে তারা যাওয়ার জন্য এই বিষয়টাই কনসিডার করার জন্য আমি মহাসড়কের পুলিশ প্রধানকে অনুরোধ করেছি। এগুলো আমরা একটা শৃঙ্খলা নিয়ে আসব। তবে কোনো অবস্থাতেই মহাসড়কে নন-মোটরাইজড ভেহিক্যাল অথবা থ্রি-হুইলারগুলো মহাসড়কে চলতে দেওয়া ঠিক নয়। এটা আমরা মেইনটেইন করব।’

লাইসেন্সবিহীন গাড়ি কীভাবে শনাক্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে এমন প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এগুলোর জন্য তো এআই দরকার নাই। যেগুলোর লাইসেন্স নাই, সেগুলো পুলিশ এমনিতেই ব্যবস্থা নেবে। এ সময় বাংলাদেশের সব মহাসড়কে এআই ক্যামেরা ব্যবস্থা পর্যায়ক্রমে চালু করার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন তিনি।

উদ্বোধনের সময়ে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে ট্রাফিক আইন লঙ্ঘন শনাক্ত ও জরিমানা আদায়ে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তিনির্ভর ‘অটো ফাইন সিস্টেম’ চালু হয়েছে। এর মাধ্যমে মহাসড়কের ২৫০ কিলোমিটার এলাকায় স্থাপিত ১ হাজার ৪২৭টি এআই ও সিসিটিভি ক্যামেরায় যানবাহনের গতিসীমা লঙ্ঘন, অবৈধ পার্কিং, উল্টোপথে চলাচলসহ বিভিন্ন ট্রাফিক আইন ভঙ্গ স্বয়ংক্রিয়ভাবে শনাক্ত করা হবে।

হাইওয়ে পুলিশের সক্ষমতা বৃদ্ধি শীর্ষক প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। প্রকল্পটি ২০১৮ সালে অক্টোবরে শুরু হয়ে শেষ হয় গত বছরের ৩০ জুনে। এই প্রকল্পের প্রথমে ব্যয় ধরা হয়েছিল ২৪৪ কোটি ২১ লাখ ২১ হাজার টাকা। চূড়ান্তে ১৪২ কোটি ৩৬ লাখ ৮৯ হাজার টাকায় ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান স্মার্ট টেকনোলজি লিমিটেডকে এই প্রকল্প বাস্তবায়ন করতে দায়িত্ব দেওয়া হয়।

প্রিন্ট

আরও সংবাদ