খুলনা | বুধবার | ১৯ অগাস্ট ২০২৬ | ৪ ভাদ্র ১৪৩৩

নগরীর আফিলগেটে ঝুঁকিপূর্ণ মাছের ড্রাম ও ট্রাক বাণিজ্য বন্ধ হয়নি : আতঙ্কে এলাকাবাসী

নিজস্ব প্রতিবেদক |
০২:০১ এ.এম | ১৯ অগাস্ট ২০২৬


খুলনা বাইপাস সড়কের আফিলগেট মোড় এলাকায় জাতীয় মহাসড়ক দখল করে ঝুঁকিপূর্ণ মাছের ড্রাম ও ট্রাকের বাণিজ্য বন্ধে একাধিক গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হলেও টনক নড়েনি স্থানীয় প্রশাসন বা হাইওয়ে পুলিশের। প্রশাসনের এই নীরবতা এবং অসাধু ব্যবসায়ীদের উদাসীনতায় আফিলগেট ওয়াসা ভবনের বিপরীতে দিন দিন তীব্র হচ্ছে যানজট ও দুর্ঘটনার ঝুঁকি। 
সরেজমিনে দেখা যায়, বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশের পরও বিন্দুমাত্র কমেনি অবৈধ দখলদারিত্ব। সিএন্ডবি (সড়ক ও জনপথ) বিভাগ এবং ব্যক্তিমালিকানাধীন জায়গা অবৈধভাবে দখল করে রাখা কতিপয় অসাধু ব্যবসায়ী আগের মতোই সড়ক জুড়ে পাম্প ও স্যালো মেশিন বসিয়ে মাছের ট্রাকে পানি ছিটিয়ে চলেছে। সড়কের অর্ধেকেরও বেশি অংশ জুড়ে সার্বক্ষণিক সারি সারি ট্রাক দাঁড় করিয়ে রাখায় দূরপাল্লার যানবাহনগুলোকে চরম ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে। পাম্পের পানিতে মহাসড়কের পিচ ঢালা অংশ ক্রমাগত পিচ্ছিল হয়ে মারাত্মক প্রাণঘাতী ফাঁদে পরিণত হয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দা ও মহাসড়কে চলাচলকারী চালকদের অভিযোগ, বিভিন্ন পত্রিকা ও গণমাধ্যমে এ বিষয়ে টানা সংবাদ প্রকাশ করা হলেও অজ্ঞাত কারণে প্রশাসন ও সংশ্লি¬ষ্ট কর্তৃপক্ষ কোনো দৃশ্যমান পদক্ষেপ নেয়নি। অসাধু ব্যবসায়ীরা প্রশাসনের এই নির্লিপ্ততাকে সুযোগ হিসেবে ব্যবহার করে আরও বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। দ্রুতগতির গাড়িগুলোকে আফিলগেট বাইপাস মোড়ে এসে হঠাৎ ব্রেক করতে গিয়ে প্রায় প্রতিদিনই ছোট-বড় দুর্ঘটনা ঘটেই চলেছে। ভুক্তভোগী সাধারণ মানুষ ও সচেতন মহলের তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে জানান, অবিলম্বে আফিলগেটের এই অবৈধ মাছের ট্রাক টার্মিনাল ও পানি ছিটানো বাণিজ্য স্থায়ীভাবে উচ্ছেদ করা না হলে যেকোনো মুহূর্তে বড় ধরনের প্রাণহানি ঘটতে পারে। স্থানীয় জনগণ একজন জনপ্রতিনিধি ইনুস সাহেব বলেন সড়ক ও জনপথ বিভাগ, হাইওয়ে পুলিশ এবং খুলনা জেলা প্রশাসনের নিকট দ্রুত মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে মহাসড়কটিকে নিরাপদ ও দখলমুক্ত করার জোর দাবি স্থানীয় ভুক্তভোগী সকল জনগণের।

প্রিন্ট

আরও সংবাদ