খুলনা | শনিবার | ২২ অগাস্ট ২০২৬ | ৬ ভাদ্র ১৪৩৩

কলকাতায় নিউমার্কেটে হোটেলে অগ্নিকান্ড

পাঁচজনের দেহ ফিরবে বেনাপোল দিয়ে, একজনের ভোমরা দিয়ে

নিজস্ব প্রতিবেদক |
০১:৩০ এ.এম | ২২ অগাস্ট ২০২৬


কলকাতার নিউমার্কেটে মির্জা গালিব স্ট্রিটের আবাসিক হোটেলে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় নিহত বাংলাদেশিদের মধ্যে পাঁচজনের মরদেহ দেশে ফেরত পাঠানো হবে বেনাপোল সীমান্ত দিয়ে। আরো একজনের মরদেহ ভোমরা সীমান্ত দিয়ে দেশে ফেরত পাঠানো হবে। 
আজকের পত্রিকার কুষ্টিয়া প্রতিনিধি ও কুষ্টিয়ার মোহিনী মিল এলাকার দেবাশীষ দত্ত, তার স্ত্রী আফসানা শারমীন, তিন বছর বয়সী সন্তান র্কুশীষ দত্ত, দেবাশীষের শ্বশুর মোঃ আকরাম আলী এবং ঢাকার সাভারের আহামেদ বাবুর মরদেহ বেনাপোল সীমান্ত দিয়ে পাঠানো হবে। 
অন্যদিকে সাতক্ষীরার বাসিন্দা এস এম আলিমুজ্জামানের মরদেহ ভোমরা সীমান্ত দিয়ে দেশে ফেরত পাঠানো হবে। 
তবে সাতক্ষীরার কালীগঞ্জের বাসিন্দা নিহত রেবতী সরকারের পরিবারের আর্জি অনুযায়ী কলকাতায় দেহ সৎকার করা হতে পারে। 
এ বিষয়ে কলকাতাস্থ বাংলাদেশের ডেপুটি হাইকমিশনার মোঃ খালেদ শুক্রবার বলেছেন, “রেবতী সরকারের ছেলে আর্জি জানিয়েছেন তারা তার মায়ের দেহ কলকাতাতেই সৎকার করতে আগ্রহী। আমরা তাদের জানিয়েছি, এটার জন্য স্থানীয় (পশ্চিমবঙ্গ সরকার) কর্তৃপক্ষের অনুমতি প্রয়োজন। বিষয়টি আমরা ঢাকার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে জানাব। সেই অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেব।” 
রেবতী সরকারের ছেলে অনিক সরকার জানান, “প্রয়োজনীয় নথি এবং আনুষ্ঠানিকতা শেষ হলে নিউমার্কেট থানার পুলিশ মায়ের মরদেহ আমাদের হাতে হস্তান্তর করবে। এরপর আমাদের ইচ্ছা এখানেই সৎকার করব।” 
প্রসঙ্গত, কলকাতার হোটেলে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় রাজ্য সরকার স্পেশাল ইনভেস্টিগেশন টিম গঠন করেছে। তদন্তকারীরা ইতিমধ্যেই নিহতদের পরিবারের সঙ্গে কথা বলেছেন। কিন্তু ময়নাতদন্তের রিপোর্ট চলে আসার পরেও এবং দূতাবাসের চিঠি পাওয়ার পরেও জেনারেল ডায়েরির কপি ইস্যু করেনি নিউ মার্কেট থানা। এমন ঘটনায় রীতিমত হয়রান নিহতের স্বজনেরা। 
ডেপুটি হাইকমিশনার জানিয়েছেন, জিডি  কপি না আসায় মৃতদেহ পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু করতে দেরি হচ্ছে। তবে শুক্রবার বিকেলের মধ্যেই দেশে ফেরত পাঠানোর বিষয়ে পেপার্স ওয়ার্ক শেষ করতে চায় কলকাতাস্থ বাংলাদেশ উপ দূতাবাস কর্তৃপক্ষ। আগামী শনিবারের মধ্যে মৃতদেহ বাংলাদেশে ফেরত পাঠানো হবে।

প্রিন্ট

আরও সংবাদ