খুলনা | সোমবার | ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | ৬ আশ্বিন ১৪৩৩

মহানগরী জামায়াতের যুব ও ক্রীড়া বিভাগের খেলোয়াড়দের সঙ্গে মতবিনিময়

খবর বিজ্ঞপ্তি |
০১:১৪ এ.এম | ২৮ অগাস্ট ২০২৬


বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রয়ি কর্মপরিষদ সদস্য ও খুলনা মহানগরী আমীর মোহাম্মদ মাহফুজুর রহমান বলেছেন, খুলনা শহরে ডেঙ্গুর ভয়াবহ ও মহামারী রূপ ধারণ করেছে। প্রতিদিন যেভাবে ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বাড়ছে এবং মানুষের প্রাণহানি ঘটছে, তাতে এটি আর কেবল একটি সাধারণ স্বাস্থ্য সমস্যা নয়, বরং আমাদের জীবন ও অস্তিত্বের জন্য এক মারাত্মক হুমকি হিসেবে দেখা দিয়েছে। তিনি বলেন, খুলনার বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে তিল ধারণের ঠাঁই নেই। শিশু থেকে শুরু করে বৃদ্ধÑসব বয়সের মানুষই আজ ডেঙ্গুর শিকারে পরিণত হচ্ছেন। খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালসহ অন্যান্য ক্লিনিকগুলোতে ওয়ার্ডের মেঝেতে, বারান্দায় রোগীরা গাদাগাদি করে চিকিৎসা নিচ্ছেন। অনেক পরিবারে একাধিক সদস্য একসঙ্গে আক্রান্ত হয়ে শয্যাশায়ী। ডেঙ্গুর এই রূপ প্রমাণ করে যে, মশার উপদ্রব নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে আমাদের পূর্বপ্রস্তুতি ও ব্যবস্থাপনা কতটা দুর্বল ছিল। 
তিনি বলেন, বেসরকারি ক্লিনিক হাসপাতালে রোগিদের চাপ অব্যাহত থাকায় রুগি ও তার স্বজনদের আর্থিক ভোগান্তি হতে মুক্তি পেতে সকল সরকারি ও বেসরকারি ক্লিনিক হাসপাতাল গুলোতে বিনামূল্যে রক্ত পরীক্ষা, প্লাটিলেট সরবরাহ ও সুচিকিৎসার দাবি করেন তিনি। বৃহস্পতিবার বিকেলে নগরীর আল ফারুক সোসাইটি মিলনায়তনে খেলোয়াড়দের মতবিনিময়কালে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এ সব কথা বলেন। 
মহানগরী জামায়াতে ইসলামীর যুব ও ক্রীড়া বিভাগের সভাপতি মুকাররম বিল­াহ আনছারীর সভাপতিত্বে ও সোনাডাঙ্গা যুব ও ক্রীড়া বিভাগের সভাপতি মোর্তজা বিল­াহ’র পরিচালনায় বক্তৃতা করেন মহানগরী জামায়াতের অফিস সেক্রেটারি মীম মিরাজ হোসাইন, প্রচার ও মিডিয়া সেক্রেটারি মুহাম্মদ আব্দুল গফুর, আইটি বিভাগের সেক্রেটারি অধ্যাপক ইকবাল হোসাইন প্রমুখ। 
মহানগরী আমীর আরও বলেন, খুলনার বিভিন্ন ড্রেন, নর্দমা এবং ড্রেনেজ ব্যবস্থার বেহাল দশার কারণে জমে থাকা পানিতে এডিস মশার বংশবিস্তার দ্রæত বৃদ্ধি পাচ্ছে; বাসা-বাড়ির ছাদ, ফুলের টব, অব্যবহৃত পাত্র, এসি বা ফ্রিজের নিচে জমে থাকা পরিষ্কার পানিতে এডিস মশা ডিম পাড়ে, যা সম্পর্কে সাধারণ মানুষ অনেক সময় উদাসীন থাকেন; সিটি করপোরেশন ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে যে চিরুনি অভিযান বা স্প্রে ছিটানোর কথা, তা অনেক ক্ষেত্রে অনিয়মিত ও লোক দেখানো বলে প্রতীয়মান হয় বলে তিনি অভিযোগ করেন।

প্রিন্ট

আরও সংবাদ