খুলনা | শনিবার | ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | ২১ ভাদ্র ১৪৩৩

যশোরে এতিমখানায় ঢুকে পড়ল বাস

ছয় জেলায় সড়কে ঝরল ১২ প্রাণ

নিজস্ব প্রতিবেদক |
১১:১০ পি.এম | ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬


দেশের ছয় জেলায় সড়ক দুর্ঘটনায় অন্তত ১২ জন নিহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার রাত থেকে শুক্রবার দুপুর পর্যন্ত যশোর, ফেনী, বগুড়া, কুষ্টিয়া, গোপালগঞ্জ ও কক্সবাজার জেলায় এসব দুর্ঘটনা ঘটে। এসব ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও কয়েকজন। সবচেয়ে বেশি প্রাণহানি ঘটেছে ফেনীতে। সেখানে পৃথক দু’টি দুর্ঘটনায় চারজন নিহত হয়েছেন। অন্যদিকে ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে যাত্রীবাহী বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে পড়ে অন্তত ২০ যাত্রী আহত হেেয়ছে। প্রতিবেদনে তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করেছেন সংশ্লিষ্ট জেলা ও উপজেলার প্রতিনিধিরা।
যশোর : জেলাতে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় দুই নারীসহ তিনজন নিহত হয়েছেন। শুক্রবার যশোর-সাতক্ষীরা মহাসড়কের কেশবপুর উপজেলা এবং যশোর-খুলনা মহাসড়কের অভয়নগর উপজেলায় এসব দুর্ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন অভয়নগর উপজেলার মশরহাটি গ্রামের হাকিম গাজীর ছেলে আমজেদ গাজী ও ল²ীপুর গ্রামের আব্দুল মালেকের স্ত্রী আসিরন বিবি এবং কেশবপুর উপজেলার মধ্যকুল গ্রামের রেজাউল ইসলামের স্ত্রী রোকেয়া বেগম।
পুলিশ জানিয়েছে, শুক্রবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে অভয়নগর উপজেলার উড়োতলা এলাকায় গড়াই পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী বাসের সঙ্গে একটি মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে মোটরসাইকেলচালক আমজেদ গাজী ঘটনাস্থলেই নিহত হন। এ সময় মোটরসাইকেলে থাকা তাঁর আত্মীয় আসিরন বিবি গুরুতর আহত হন। তাঁকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়।
নিহতের স্বজন ফরহাদ মোল্যা জানান, আমজেদ গাজী তাঁর ফুফু আসিরন বিবিকে সঙ্গে নিয়ে মোটরসাইকেলে করে বসুন্দিয়ায় মেয়ের বাড়িতে যাচ্ছিলেন। পথে মজুমদার অয়েল মিলের সামনে গড়াই পরিবহনের একটি বাসের সঙ্গে তাঁদের মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে দু’জন গুরুতর আহত হন।
অভয়নগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডাঃ নাজনীন নিগার জানান, সংঘর্ষের ঘটনায় দু’জনকে হাসপাতালে আনা হয়। তবে হাসপাতালে আনার আগেই আমজেদ গাজী মারা যান। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আসিরন বিবির মৃত্যু হয়।
নওয়াপাড়া হাইওয়ে থানার এসআই আমিনুল ইসলাম জানান, দুর্ঘটনাকবলিত বাসটিকে আটক করা হয়েছে। তবে বাসের চালক ও তাঁর সহকারী পালিয়ে গেছেন। তাঁদের আটকের চেষ্টা চলছে।
অপরদিকে কেশবপুরে এক পথচারী নারীকে চাপা দেওয়ার পর এতিমখানায় ঢুকে যায় একটি বাস। শুক্রবার সকালে যশোর-সাতক্ষীরা সড়কের উপজেলার মধ্যকুল উত্তরপাড়া হাফিজিয়া মাদ্রাসা ও এতিমখানার সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে। এ সময় রোকেয়া বেগম (৪৫) নামের এক নারী নিহত হয়েছেন।
নিহত রোকেয়া বেগম উপজেলার মধ্যকুল গ্রামের রেজাউল ইসলামের স্ত্রী। পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন, ফজরের নামাজের পর সকালে হাঁটতে বের হয়েছিলেন রোকেয়া। যশোরগামী স্টার ডিলাক্স পরিবহনের একটি বাস চাপা দিলে তিনি ঘটনাস্থলেই নিহত হন।
পুলিশ ও স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, শুক্রবার সকাল ছয়টার দিকে যাত্রীবিহীন বাসটি যশোরে যাচ্ছিল। বাসটি মধ্যকুল উত্তরপাড়া হাফিজিয়া মাদ্রাসা ও এতিমখানার সামনে গিয়ে সড়কের বাঁ পাশে থাকা পথচারী রোকেয়া বেগমকে চাপা দেয়। এরপর বাসটি সড়কের ডান পাশে ওই এতিমখানা ভবনের সামনের অংশে ভেঙে ভেতরে ঢুকে পড়ে। এ সময় বাসচালকের সহকারী মানিক ফকির আহত হন। তাঁকে উদ্ধার করে কেশবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। দুর্ঘটনার পরপর বাসের চালক পালিয়ে যান।
মধ্যকুল উত্তরপাড়া হাফিজিয়া মাদ্রাসা ও এতিমখানার পরিচালক গোলাম মোস্তফা বলেন, বাসটি তাঁদের মাদ্রাসা ও এতিমখানার সামনের অংশ ভেঙে ভেতরে ঢুকে যায়। এ ঘটনায় তাঁদের অনেক ক্ষতি হয়েছে। ঘটনার সময় মাদ্রাসায় ১০ থেকে ১২ জন শিক্ষার্থী ছিল। তবে তাদের কোনো ক্ষতি হয়নি।
কেশবপুর থানার উপ-পরিদর্শক মিনারা খাতুন বলেন, এ ঘটনায় থানায় কোনো অভিযোগ করা হয়নি
কেশবপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) রেকসোনা খাতুন বলেন, ‘এ ঘটনায় থানায় এখনো কোনো অভিযোগ করা হয়নি। মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য যশোর জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। বাসটি থানা হেফাজতে রয়েছে। দুর্ঘটনার পর বাসচালক পালিয়ে যান।’
গোপালগঞ্জ : জেলার টুঙ্গিপাড়ায় মোটরসাইকেল নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশের রেলিংয়ে ধাক্কা লেগে দুই কিশোর নিহত হয়েছে। এ ঘটনায় আরও একজন গুরুতর আহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধিসৌধ কমপ্লেক্সের সামনের সড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
টুঙ্গিপাড়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আইয়ুব আলী জানান, দুই পরিবারের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে মরদেহ দু’টি তাঁদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো লিখিত অভিযোগ বা মামলা হয়নি।
কুষ্টিয়া : জেলার মিরপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় আব্দুল লতিফ মালিথা (৬৫) নামের এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। শুক্রবার দুপুর ১টার দিকে কুষ্টিয়া-মেহেরপুর মহাসড়কের খয়েরপুর বাজার এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত আব্দুল লতিফ মালিথা খয়েরপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক এবং স্থানীয় মৃত সাবান মালিথার ছেলে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, জুমার নামাজ আদায়ের উদ্দেশ্যে বাইসাইকেলে করে মসজিদে যাচ্ছিলেন আব্দুল লতিফ। খয়েরপুর বাজার-সংলগ্ন মহাসড়ক পার হওয়ার সময় দ্রুতগতির একটি ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা তাঁকে ধাক্কা দেয়। এতে তিনি সড়কে ছিটকে পড়ে গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয়রা তাঁকে উদ্ধার করে মিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
মিরপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শহিদুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। লিখিত অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ফেনী : ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে পৃথক দু’টি সড়ক দুর্ঘটনায় চারজন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও পাঁচজন। শুক্রবার সকালে ছাগলনাইয়ার মুহুরীগঞ্জ ও মহিপাল এলাকায় দুর্ঘটনা দুটি ঘটে।
হাইওয়ে পুলিশ জানায়, সকাল ৭টার দিকে ছাগলনাইয়ার মুহুরীগঞ্জ দৌলতপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে যান্ত্রিক ত্র“টির কারণে একটি কাভার্ড ভ্যান মহাসড়কে দাঁড়িয়ে ছিল। সেটি সরিয়ে নিতে চালক ও হেলপার একটি লং ভেহিক্যালের সহায়তা নিচ্ছিলেন। এ সময় লং ভেহিক্যালের সঙ্গে বাঁধা অবস্থায় থাকা কাভার্ড ভ্যানটিকে সরানোর সময় ঢাকা থেকে চট্টগ্রামগামী ইউনিক পরিবহনের একটি বাস দ্রুতগতিতে এসে সেটির পেছনে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে কাভার্ড ভ্যানের চালক, হেলপার ও ইউনিক পরিবহনের বাসচালক গুরুতর আহত হন। তাঁদের উদ্ধার করে ফেনী জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তিনজনকেই মৃত ঘোষণা করেন। আহতদের মধ্যে একজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।
এদিকে সকাল সোয়া ৮টার দিকে মহিপাল এলাকায় একটি বাসের পেছনে কাভার্ড ভ্যানের ধাক্কায় তাবারক আলী ফটিক নামে এক যাত্রী নিহত হন।
ফেনী জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক গোলাম নবী জানান, পৃথক দুর্ঘটনায় মোট আটজনকে হাসপাতালে আনা হয়। তাঁদের মধ্যে চারজনের মৃত্যু হয়েছে। আহত চারজনের মধ্যে তিনজনের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাঁদের উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা ও চট্টগ্রামে পাঠানো হয়েছে।
ফাজিলপুর হাইওয়ে থানার উপপরিদর্শক আবু নোমান জানান, দুর্ঘটনাকবলিত বাস, কাভার্ড ভ্যান ও লং ভেহিক্যাল পুলিশ হেফাজতে রয়েছে। নিহতদের পরিচয় শনাক্তে পিবিআই কাজ করছে।
বগুড়া : জেলার শিবগঞ্জে এক নারী পথচারীকে বাঁচাতে গিয়ে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে পড়ে দুর্ঘটনার শিকার হয়েছে জনপ্রশাসন ও খাদ্য মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী এবং জয়পুরহাট-২ আসনের সংসদ সদস্য মোঃ আব্দুল বারীকে বহনকারী গাড়ি। এ ঘটনায় গুরুতর আহত পথচারী ফিরোজা বেগম (৫৫) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন।
শুক্রবার সকাল ৯টার দিকে মোকামতলা-জয়পুরহাট সড়কের শিবগঞ্জ উপজেলার গোপীনাথপুর এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত ফিরোজা বেগম শিবগঞ্জ উপজেলার কিচক ইউনিয়নের গোপীনাথপুর গ্রামের মৃত নিজাম উদ্দিনের স্ত্রী। শিবগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শাহিনুজ্জামান দুর্ঘটনার বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
কক্সবাজার : জেলার চকরিয়ায় ইটবোঝাই মিনিট্রাকের ধাক্কায় মর্তুজা বেগম (৪৯) নামে এক নারী নিহত হয়েছেন। শুক্রবার দুপুর আড়াইটার দিকে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের ডুলাহাজারা ইউনিয়নের রিংভং ছগির শাহ কাটা এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। আহত অবস্থায় চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে সন্ধ্যা ৭টার দিকে লোহাগাড়ায় তাঁর মৃত্যু হয়।
মালুমঘাট হাইওয়ে থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মোহাম্মদ সামশুজ্জামান জানান, দুর্ঘটনার পর মিনিট্রাকটি জব্দ করা হয়েছে। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।
ঝিনাইদহ : জেলার কালীগঞ্জে একটি যাত্রীবাহী বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশের খাদে পড়ে অন্তত ২০ জন যাত্রী আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। তবে আহতের প্রকৃত সংখ্যা আরও বেশি হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। শুক্রবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে যশোর-ঝিনাইদহ মহাসড়কের উপজেলার কেয়াবাগান এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। দুর্ঘটনাকবলিত বাসটি গড়াই পরিবহনের। বাসটির নম্বর কুষ্টিয়া-ব-১১০০৫৭।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, কুষ্টিয়া থেকে খুলনার উদ্দেশে যাওয়া গড়াই পরিবহনের যাত্রীবাহী বাসটি কেয়াবাগান এলাকায় পৌঁছালে এর সামনের একটি চাকা খুলে যায় বলে তারা দেখতে পান। পরে বাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশের খাদে পড়ে যায়। তবে কী কারণে চাকাটি খুলে গেছে, তা তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
দুর্ঘটনায় অন্তত ২০ জন আহত হয়েছে। আহতরা কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে না গিয়ে যশোরসহ বিভিন্ন স্থানে চিকিৎসা নিয়েছেন বলে জানা গেছে। ফলে আহতের প্রকৃত সংখ্যা তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি। খবর পেয়ে কালীগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে আহতদের উদ্ধার করে কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান।
কালীগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের ফায়ার ফাইটার দিপু বিশ্বাস বলেন, খবর পেয়ে তারা দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠান। আহতদের মধ্যে দুইজনের অবস্থা গুরুতর ছিল বলে জানান তিনি। তবে ওই রোগীদের পরবর্তীতে অন্য কোনো হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে কি না, সে বিষয়ে নিশ্চিত তথ্য জানাতে পারেননি তিনি।
কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) ডাঃ শিশির সানা বলেন, সকালে স্থানীয় লোকজন ও ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা আহত সাতজনকে হাসপাতালে নিয়ে আসেন। তাদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। তিনি বলেন, আহতদের মধ্যে কয়েকজন প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে বাড়ি চলে গেছেন। তবে শাবানা খাতুন (৩২) ও মাসুদ রানা (২৯) নামে দু’জনের অবস্থা তুলনামূলক গুরুতর হওয়ায় তাদের হাসপাতালে ভর্তি রেখে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

প্রিন্ট

আরও সংবাদ