খুলনা | মঙ্গলবার | ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | ২৪ ভাদ্র ১৪৩৩

মোবাইলে আলো জ্বেলে অস্ত্রপচারে মৃত্যুশয্যায় লাভলী

হাবিবা ক্লিনিকের অমিত, রুপম ও রফিকের বিচারের দাবীতে মানববন্ধন

চিতলমারী প্রতিনিধি |
০৩:৫০ পি.এম | ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬


বাগেরহাটের চিতলমারীতে মোবাইলে আলো জ্বেলে ৩ ঘন্টা ব্যাপী অস্ত্রপচারে অপচিকিৎসায় মৃত্যু পথযাত্রী লাভলী ঘরামীর ক্ষতিপুরণ ও হাবিবা ক্লিনিক এন্ড বারিশ ডায়াগনস্টি সেন্টারের স্যাকমো অমিত মন্ডল, পরিচালক সাব্বির আহম্মেদ রুপম ও রফিকুল ইসলামের বিচারের দাবীতে উপজেলার সর্বস্তরের মানুষ মানববন্ধন করেছেন।

মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) বেলা ১২ টা থেকে ১ টা পর্যন্ত উপজেলা পরিষদ চত্বরে এ মানববন্ধন হয়। এর আগে সকাল ১১ টায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সামনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করতে গেলে রুপমের বড় ভাই জয়নুল পারভেজ সুমন নিজেকে যুবদল নেতা পরিচয় দিয়ে মানববন্ধনে বাধা দেন। এ সময় তিনি উপস্থিত গণমাধ্যম কর্মীদের নানা ধরনের হুমকি ও ভয়ভীতি প্রদর্শন করেন। উপজেলা পরিষদ চত্বরে ঘন্টাব্যাপী অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে সর্বস্তরের তিন শতাধিক নারী ও পুরুষ উপস্থিত ছিলেন।

মানববন্ধন শেষে বক্তব্য রাখেন সোনালী বৈদ্য, প্রহর কান্তি সরকার, লক্ষী রানা, সুমন করাতী, মোঃ ওয়াবায়দুল্লাহ, শাহা আলম ও মোঃ সালমান শেখ।

এ সময় বক্তারা বলেন, ‘মোবাইলে আলো জ্বেলে প্রায় ৩ ঘন্টা ধরে লাভলী ঘরামীর অপারেশন করা হয়েছে। হাবিবা ক্লিনিক এন্ড বারিশ ডায়াগনস্টি সেন্টারের স্যাকমো অমিত মন্ডল, পরিচালক সাব্বির আহম্মেদ রুপম ও রফিকুল ইসলাম এই অপচিকিৎসা করেছে। তাঁরা লাভলী ঘরামীর জরায়ু কেটে ফেলেছে। ছিদ্র করেছে মূত্রথলি। তাঁদের ভূল চিকিৎসার কারণে বেঁচে নেই তাঁর নবজাতকটি। সে আর কোন দিন মা হতে পারবেন না। বর্তমানে লাভলী ঘরামী মৃত্যুশয্যায়। আমরা হাবিবা ক্লিনিক এন্ড বারিশ ডায়াগনস্টি সেন্টারের স্যাকমো অমিত মন্ডল, পরিচালক সাব্বির আহম্মেদ রুপম ও রফিকুল ইসলামের বিচার ও মৃত্যু পথযাত্রী লাভলী ঘরামীর ক্ষতিপুরণের দাবীতে এ মানববন্ধ করেছি।’

চিতলমারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) খাদিজা আক্তার বলেন, ‘এ সংক্রান্ত একটি অভিযোগ হাতে পেয়েছি। ঘটনাটি খুবই দুঃখজনক। বিষয়টি আমরা উর্ধতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি। এর আগেও ওদের বিরুদ্ধে অন্য একটি ঘটনার অভিযোগ পেয়ে সিভিল সার্জন পরিদর্শন করেছে এবং এই ঘটনায় একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হচ্ছে।’

প্রিন্ট

আরও সংবাদ