খুলনা | বৃহস্পতিবার | ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | ২৬ ভাদ্র ১৪৩৩

নগরীতে কনসালটেশন কর্মশালায় কেসিসি প্রশাসক

অপচয় এবং দুর্নীতি রোধ করা সম্ভব হলে খুলনাকে আবারও সুন্দর শহর হিসেবে গড়ে তোলা অনেক সহজ হবে

খবর বিজ্ঞপ্তি |
০১:৫৮ এ.এম | ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬


খুলনা সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু বলেছেন শহরের পৃথক একটি সৌন্দর্য ছিল যা আমরা হারিয়ে ফেলেছি। কাউকে দোষারোপ না করে এই শহর সুন্দরভাগে গড়ে তুলতে নতুনভাবে কাজ শুরু করতে হবে। সে ক্ষেত্রে যার যে ভূমিকা আছে তা সঠিকভাবে পালন করতে হবে। অপচয় এবং দুর্নীতি রোধ করা সম্ভব হলে খুলনাকে আবারও একটি সুন্দর শহর হিসেবে গড়ে তোলা অনেক সহজ হবে।
তিনি বুধবার সকালে নগরীর সিএসএস আভা সেন্টারে আয়োজিত ‘ক্লাইমেট রিজিলিয়েন্স স্ট্রাটেজি ফর খুলনা সিটি’ শীর্ষক কনসালটেশন কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এ কথা বলেন। 
বাড়ির নক্শা অনুমোদন প্রক্রিয়ায় জলবায়ু সহনশীল কৌশল অন্তর্ভুক্ত করার লক্ষ্যে এ্যাকম্প্যানি মেজর কনসালট্যান্ট (এএমসি) ও খুলনা সিটি কর্পোরেশনের তত্ত¡াবধানে পরিচালিত ক্লাইমেট চেঞ্জ এডাপ্ট আরবান ডেভেলপমেন্ট (সিসিএইউডি) প্রোগ্রাম (ফেস-২) যৌথভাবে এ কর্মশালার আয়োজন করে।   
সড়কের প্রশস্ততা বারো ফুটের কম হলে বাড়ি নির্মাণের অনুমোদন দেয়া অনুচিত উল্লেখ করে প্রশাসক বলেন কেডিএ নির্মিত আবাসিক এলাকায় প্রয়োজনীয় অনেক কিছু নাই। অনেক জায়গা অব্যবহৃত অবস্থায় পড়ে আছে যার থেকে কিছু জায়গা ছাড়া হলে কেসিসি থেকে এসটিএস নির্মাণ করা সম্ভব। অর্থের সংস্থান রয়েছে কিন্তু জায়গার অভাবে এসটিএস নির্মাণ করা সম্ভব হচ্ছে না। 
তিনি বলেন, সবকিছুর মালিক রাষ্ট্র তথা জনগণ। তাই সকল সংস্থার সমন্বয়ের মাধ্যমে জনগণের কল্যাণে সিদ্ধান্ত নিতে হবে, কাজ করতে হবে। তবেই এ শহরকে একটি সুন্দর ও নান্দনিক শহরে পরিণত করা সম্ভব হবে। প্রশাসক নগরীতে কিছু নান্দনিক স্থাপনা এবং নিম্নআয়ের বসতিস্থলে বসবাসকারীদের জন্য বহুতল বিশিষ্ট ভবন নির্মাণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
সিসিএইউডি প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক ও কেসিসি’র চীফ প্লানিং অফিসার আবির উল জব্বার-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত কর্মশালায় বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন কেসিসি’র প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রাজিব আহমেদ, প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা রহিমা সুলতানা বুশরা, কেডিএ’র তত্ত¡াবধায়ক প্রকৌশলী মোঃ মুজিবুর রহমান ও সিসিএইউডি’র টীম লিডার মেহেদী আহসান। কেডিএ, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়, খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, পানি উন্নয়ন বোর্ড, গণপূর্ত অধিদপ্তর, কেএমপি’র ট্রাফিক বিভাগ, স্থাপত্য ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ ও বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব প্লানার্সের প্রতিনিধিগণ কর্মশালায় উপস্থিত ছিলেন।

প্রিন্ট

আরও সংবাদ