খুলনা | বৃহস্পতিবার | ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | ২৬ ভাদ্র ১৪৩৩

আবাসন ও শ্রেণিকক্ষ সংকট নিরসনে গুরুত্ব

খুবির অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও শিক্ষা-গবেষণা সক্ষমতা বাড়াতে ৩টি প্রকল্প প্রস্তাব চূড়ান্ত

খবর বিজ্ঞপ্তি |
০১:৫৯ এ.এম | ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬


খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও শিক্ষা-গবেষণার সক্ষমতা বাড়াতে তিনটি বড় উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাবনা চ‚ড়ান্ত করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় বাজেটের এসব প্রকল্পে আবাসিক হল ও শ্রেণিকক্ষের সংকট নিরসন, গবেষণাগার সম্প্রসারণসহ উচ্চশিক্ষার সুযোগ স¤প্রসারণকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
প্রকল্প প্রস্তাবনাগুলো সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে জমা দেওয়ার পূর্বে বুধবার বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন স্কুলের ডিন, রেজিস্ট্রার, ডিসিপ্লিন প্রধান, গ্রন্থাগারিক, ছাত্র বিষয়ক পরিচালক, প্রভোস্ট এবং বিভিন্ন বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত পরিচালকদের অংশগ্রহণে প্রস্তাবিত উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাবনাসমূহের উপর পর্যালোচনা সভা অনুুষ্ঠিত হয়।
বেলা ১১টায় প্রশাসনিক ভবনের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ রেজাউল করিম। সভায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রণীত উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাবনাসমূহের বিস্তারিত তথ্য উপস্থাপন করেন পরিকল্পনা ও উন্নয়ন বিভাগের পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) প্রফেসর ড. কাজী সাইফুল ইসলাম।
সভায় উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ রেজাউল করিম বলেন, ২০২৭ সালের ৩০ জুনের মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের চলমান উন্নয়ন প্রকল্পগুলোর অনেক কাজ দৃশ্যমান হবে। নতুন ডিপিপিতে আবাসিক হল নির্মাণ ও স¤প্রসারণ, শ্রেণিকক্ষের সংকট নিরসন ও গবেষণার সরমতা বৃদ্ধিকে অধিক গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। তিনি এই প্রকল্প প্রস্তাবনাসমূহের অনুমোদন, অর্থছাড় ও বাস্তবায়নের জন্য সংশ্লিষ্ট সকলকে সহযোগিতার আহŸান জানান।
তিনি আরও বলেন, জীববিজ্ঞান স্কুলের বিভিন্ন ডিসিপ্লিনের জন্য ফিল্ড ল্যাবরেটরি তৈরি, সবিদেশি শিক্ষার্থী ও গবেষকদের জন্য আবাসিক ভবন নির্মাণ, ইনোভেশন হাবের যথাযথ ব্যবহার, বধ্যভ‚মি স্মৃতি জাদুঘর চালুকরণ, একাডেমিক মাস্টারপ্ল্যানের রিভিশন, টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রাভিত্তিক কারিকুলাম সংশোধনসহ বিভিন্ন বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পরিকল্পনা রয়েছে। 
সভায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার প্রফেসর ড. মোঃ নূরুন্নবী বলেন, প্রস্তাবিত এসব উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের অবকাঠামো ও শিক্ষার পরিবেশে ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে। বিশেষ করে আবাসিক সুবিধা স¤প্রসারণের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের আবাসন সংকট অনেকাংশে নিরসন করা সম্ভব হবে।
সভায় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন স্কুলের ডিন, রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত), ডিসিপ্লিন প্রধান, গ্রন্থাগারিক, ছাত্র বিষয়ক পরিচালক, প্রভোস্ট ও বিভিন্ন বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত পরিচালকরা প্রস্তাবিত উন্নয়ন প্রকল্পসমূহের বিভিন্ন দিক নিয়ে মতামত ব্যক্ত করেন। একইসঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা, গবেষণা ও অবকাঠামোগত উন্নয়নে দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব ফেলবে এমন বৃহৎ পরিসরের প্রকল্প প্রস্তাবনা প্রণয়নের উদ্যোগকে তারা স্বাগত জানান।

প্রিন্ট

আরও সংবাদ