খুলনা | বৃহস্পতিবার | ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | ২৬ ভাদ্র ১৪৩৩

রামপালে বাড়ছে ডেঙ্গুর সংক্রমণ, সচেতনতার অভাবকে দায়ী করছেন বিশেষজ্ঞরা

রামপাল (বাগেরহাট) প্রতিনিধি |
০৩:৪৭ পি.এম | ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬


রামপালে  দিন দিন বাড়ছে ডেঙ্গুর সংক্রমণ। গত বছরের তুলনায় চলতি সময়ে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা কিছুটা বেশি বলে জানিয়েছেন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসকরা। মশার বংশবিস্তার রোধে জনসচেতনতার ঘাটতিকেই সংক্রমণ বৃদ্ধির অন্যতম কারণ হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা। রামপাল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্রে জানা গেছে, চলতি বছর আজ পর্যন্ত মোট ১৪৫ জন ডেঙ্গু রোগী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নিয়েছেন। এর মধ্যে বর্তমানে কতজন ভর্তি রয়েছেন, সে বিষয়ে নির্দিষ্ট তথ্য পাওয়া যায়নি।

রামপাল উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা সুকান্ত কুমার জানান, আগের তুলনায় রামপালে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা কিছুটা বেড়েছে। ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি এবং মশার প্রজননস্থল ধ্বংসের ওপর গুরুত্ব দিতে হবে। শুধু চিকিৎসার মাধ্যমে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব নয়; এজন্য ব্যক্তি, পরিবার ও সামাজিক পর্যায়ে সম্মিলিতভাবে সচেতনতা বাড়ানো প্রয়োজন।

তিনি আরও বলেন, বাড়ির আশপাশে জমে থাকা পানি, পরিত্যক্ত পাত্র, টব, ডাবের খোসা, পুরোনো টায়ারসহ বিভিন্ন স্থানে এডিস মশা বংশবিস্তার করতে পারে। এসব স্থান নিয়মিত পরিষ্কার রাখা এবং কোথাও পানি জমতে না দেওয়ার বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে।

স্বাস্থ্য সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ডেঙ্গুর প্রকোপ কমাতে মশার প্রজননস্থল ধ্বংসের পাশাপাশি বাড়িঘর ও আশপাশের পরিবেশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখা জরুরি। জ্বর, মাথাব্যথা, শরীর ব্যথা, চোখের পেছনে ব্যথাসহ ডেঙ্গুর উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তারা।

সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি ও মশার বংশবিস্তার নিয়ন্ত্রণে কার্যকর উদ্যোগ ছাড়া রামপালে ডেঙ্গুর সংক্রমণ কমানো কঠিন। তাই স্থানীয় প্রশাসন, স্বাস্থ্য বিভাগ ও সাধারণ মানুষকে সমন্বিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা

প্রিন্ট

আরও সংবাদ