খুলনা | সোমবার | ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | ৩০ ভাদ্র ১৪৩৩

ইসলামী ব্যাংকের সামনে পাল্টাপাল্টি কর্মসূচি, সংঘর্ষে আহত ২৫

খবর প্রতিবেদন |
০৩:৪০ পি.এম | ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬


‘ইসলামী ব্যাংকের চাকরিচ্যুত কর্মকর্তা-কর্মচারী’ এবং ব্যাংকের লেনদেন স্বাভাবিক রাখার দাবিতে ‘সচেতন গ্রাহক ফোরাম’-এর পাল্টাপাল্টি অবস্থান কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ২৫ জন আহত হয়েছেন।

সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টার দিকে মতিঝিলে ইসলামী ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে এ ঘটনা ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সকালে ইসলামী ব্যাংকের সামনে ‘সচেতন গ্রাহক ফোরাম’ অবস্থান কর্মসূচি শুরু করলে ‘ইসলামী ব্যাংকের চাকরিচ্যুত কর্মকর্তা-কর্মচারী’ ব্যানারে অবস্থান নেওয়া অপরপক্ষের লোকজনের সঙ্গে সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়।

একপর্যায়ে উভয়পক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এতে ‘সচেতন গ্রাহক ফোরাম’-এর সহসভাপতিসহ উভয় পক্ষের অন্তত ২৫ জন আহত হন।

‘সচেতন গ্রাহক ফোরাম’-এর পক্ষ থেকে জানানো হয়, পেশাদার ব্যক্তিদের সমন্বয়ে পরিচালনা পর্ষদ গঠনের দাবি এবং ব্যাংক লুটেরা এস আলমের ‘অশুভ হস্তক্ষেপের’ প্রতিবাদে ইসলামী ব্যাংক সচেতন গ্রাহক ফোরামের উদ্যোগে সকালে ইসলামী ব্যাংক টাওয়ারের সামনে বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিলের আয়োজন করা হয়।

তাদের দাবি, কর্মসূচি শুরু হওয়ার পর আগে থেকে অবস্থান নেওয়া অবৈধ নিয়োগে চাকরিচ্যুত এস আলমের দোসররা ব্যাংকের শেয়ারহোল্ডার ও গ্রাহকদের ওপর হামলা চালায়।

এতে ইসলামী ব্যাংক সচেতন গ্রাহক ফোরামের সহসভাপতি ও ব্যবসায়ী মোতাছিম বিল­াহসহ অন্তত ২৫ জন আহত হন। আহতদের উদ্ধার করে বিভিন্ন হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে।

ইসলামী ব্যাংক সচেতন গ্রাহক ফোরামের সভাপতি অধ্যাপক নূর নবী মানিক এক বিবৃতিতে জানান, তাদের পূর্বনির্ধারিত শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে অবৈধ নিয়োগে চাকরিচ্যুত এস আলমের দোসররা হামলা চালিয়েছে।

তিনি ভিডিও ফুটেজ ও হামলার ছবি সাংবাদিকদের সামনে তুলে ধরে অভিযোগ করেন, পুলিশের সামনে ইসলামী ব্যাংকের গ্রাহকদের টেনেহিঁচড়ে নিয়ে যাওয়া হলেও পুলিশ কোনো পদক্ষেপ নেয়নি।

চাকরিচ্যুতদের পক্ষে শহিদুল ইসলাম জানান, জীবনের অধিকার ও চাকরি পুনর্বহালের ন্যায্য দাবিতে তারা টানা দ্বিতীয় দিনের মতো ব্যাংকের সামনে শান্তিপূর্ণ অবস্থান কর্মসূচি পালন করছিলেন। সেখানে উপস্থিত হওয়ার ২০ থেকে ২৫ মিনিটের মাথায় ‘গ্রাহক ফোরাম’-এর ব্যানারে একদল লোক তাদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। পরে পুলিশ গিয়ে তাদের সরিয়ে দেয়।

তিনি আরও বলেন, আমরা কারও পক্ষ নিয়ে আসিনি, শুধুমাত্র জীবন-জীবিকার তাগিদে আমাদের ন্যায্য দাবি জানাতে দাঁড়িয়েছিলাম। কিন্তু সেই শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে হামলা চালিয়ে আমাদের অন্তত ২৫ জন কর্মকর্তা-কর্মচারীকে আহত করা হয়েছে।

প্রিন্ট

আরও সংবাদ