খুলনা | রবিবার | ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | ৫ আশ্বিন ১৪৩৩

আটক তরুণের বাড়ি থেকে অপ্রতিমের আইফোন উদ্ধার, পুলিশ হেফাজতে ৩ জন

খবর প্রতিবেদন |
০২:০৭ পি.এম | ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

 

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) শিক্ষকের কিশোর ছেলে অপ্রতিম হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় অন্যতম সন্দেহভাজন তুহিনের বাড়ি থেকে নিহতের হারিয়ে যাওয়া আইফোনটি উদ্ধার করেছে পুলিশ। এই ঘটনায় এখন পর্যন্ত মোট তিন তরুণকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।

রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) রাতে বিষয়টি সংবাদমাধ্যমকে নিশ্চিত করেন কুমিল্লা কোটবাড়ি পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পরিদর্শক মফিজ উদ্দিন ভূঁইয়া।

পুলিশ জানায়, জেলা পুলিশের একটি বিশেষ দল কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের নিকটবর্তী লালমাই পাহাড়ের সানন্দা এলাকায় তুহিনের বাড়িতে অভিযান চালিয়ে মোবাইল ফোনটি উদ্ধার করে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কর্মকর্তারা মনে করছেন, এই উদ্ধার অভিযানটি মামলার তদন্তে একটি বড় অগ্রগতি এনে দিয়েছে।

কুমিল্লা সদর দক্ষিণ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ রকিবুল ইসলাম জানান, সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে রোববার বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে প্রথমে তুহিনকে আটক করা হয়।

সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, হত্যাকাণ্ডের শিকার অপ্রতিমের সঙ্গে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস এলাকায় প্রায় এক ঘণ্টা অবস্থান করেছিলেন তুহিন। পরবর্তীতে তাঁর দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে সন্ধ্যা আনুমানিক ৭টার দিকে আনাস এবং এর আধা ঘণ্টা পর ফাহিম নামের আরও দুই তরুণকে আটক করে পুলিশ।

ওসি মোহাম্মদ রকিবুল ইসলাম বলেন, ‘সন্দেহভাজন তিন তরুণকে পুলিশি হেফাজতে নিয়ে নিবিড়ভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। হত্যাকাণ্ডের মূল কারণ ও নেপথ্য পরিস্থিতি উদঘাটনে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।’

হত্যার শিকার ১৩ বছর বয়সী ইশায়াত শাহরিয়ার অপ্রতিম কুমিল্লা বর্ডার গার্ড পাবলিক স্কুলের সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল। সে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগমের একমাত্র সন্তান।

পুলিশ ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, গত শুক্রবার বিকেল থেকে নিখোঁজ ছিল অপ্রতিম। স্বজনেরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার কোনো সন্ধান পাননি। পরবর্তীতে শনিবার দুপুর আনুমানিক ১টার দিকে সানন্দা এলাকা থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

বর্তমানে আটক তিন তরুণকে জিজ্ঞাসাবাদের পাশাপাশি ল্যাব টেস্ট ও সিসিটিভি ফুটেজ বিস্তারিত বিশ্লেষণ করে অপ্রতিম হত্যাকাণ্ডের সঠিক চিত্র উদঘাটনের চেষ্টা চালাচ্ছে পুলিশ।

প্রিন্ট

আরও সংবাদ