খুলনা | সোমবার | ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | ৬ আশ্বিন ১৪৩৩

খুলনা শহরের নানাবিধ উন্নয়নে পরামর্শমূলক কর্মশালা অনুষ্ঠিত

খবর বিজ্ঞপ্তি |
০১:৫২ এ.এম | ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬


আজকের বাস্তবতায় আধুনিক বিশ্বের ভাবনাটাই আমাদের ভাবতে হবে। শহর বর্ধিতকরণের নথিটি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অনুমোদনের অপেক্ষায় আছে। বর্ধিত অংশে এখনো পরিকল্পিতভাবে নগরায়নের সুযোগ আছে। নদী ও খালগুলি বাচিয়ে নতুন শহরের জন্য এখনি পরিকল্পনা নিতে হবে। আমাদের আজকের ভাবনাটা বাস্তবায়ন করতে পারলে আগামী প্রজন্মের জন্য একটি বাসযোগ্য শহর রেখে যাওয়া সম্ভব হবে। 
খুলনা সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু রবিবার সকালে নগরীর সিএসএস আভা সেন্টারে খুলনা শহরের জন্য জলবায়ু সহনশীলতা কৌশল বাস্তুসংস্থান, প্রকৃতি সংরক্ষণ ও জীববৈচিত্র্য বিষয়ক পরামর্শমূলক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এ কথা বলেন। খুলনা সিটি কর্পোরেশনের তত্ত¡াবধানে পরিচালিত ক্লাইমেট চেঞ্জ এডাপটেড আরবান ডেভেলপমেন্ট (সিসিএইউডি) প্রকল্পের আওতায় (ফেজ-২) এ্যাকোমপেনিং মেজর কনসালট্যান্ট (এএমসি) এ সভার আয়োজন করে। 
জলাবদ্ধতাকে ডেঙ্গুর সংক্রমণের অন্যতম একটি কারণ হিসেবে উল্লেখ করে প্রশাসক আরো বলেন, পনের থেকে কুড়ি বছর আগে পরিকল্পনা গ্রহণ করা হলে আজকের এই সংকটগুলি তৈরি হতো না। কর্মশালায় তিনি ময়ূর নদীকে কেন্দ্র করে রাজধানীর হাতিরঝিলের অনুরূপ একটি প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য প্রধানমন্ত্রীর কাছে প্রকল্প পেশ করার ইচ্ছা ব্যক্ত করেন এবং শুধু অবকাঠামোগত উন্নয়ন নয়, একই সাথে নগরবাসীর স্বাস্থ্য, শিক্ষা, ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনেও কেসিসি কাজ করবে বলে তিনি উল্লেখ করেন। 
নগরীতে ইকোসিস্টেম, প্রকৃতি সংরক্ষণ ও প্রাকৃতিক সম্পদ রক্ষায় করণীয় বিষয়গুলি উল্লেখ করে খুলনা মহানগরীকে স্বাস্থ্যকর ও বাসযোগ্য নগরী হিসেবে গড়ে তোলার জন্য কর্মশারায় উপস্থাপনযোগ্য বিষয়গুলিকে প্রাধান্য দিয়ে সকলকে কাজ করার আহবান জানান। 
কেসিসি’র প্রধান পরিকল্পনা কর্মকর্তা ও প্রকল্প পরিচালক আবির উল জব্বার-এর সভাপতিত্বে কর্মশালায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তৃতা করেন বন বিভাগের কঞ্জারভেটর অব ফরেস্ট ইমরান আহমেদ, কেসিসি’র প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রাজিব আহমেদ ও সচিব মোঃ রেজা রশীদ। খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থাপত্য, ফিশারিজ ও উড এন্ড ফরেস্টি ডিসিপ্লিনের শিক্ষকগণ সভায় উপস্থিত ছিলেন। সভা পরিচালনা করেন কেসিসি’র আর্কিটেক্ট রেজবিনা খানম। 

প্রিন্ট

আরও সংবাদ