খুলনা | বৃহস্পতিবার | ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | ৮ আশ্বিন ১৪৩৩

সংসদ সদস্য নজরুলের দ্বিতীয় স্ত্রীর আত্মহত্যা: প্ররোচনা দেওয়ার মামলায় ওবায়দুর কারাগারে

খবর প্রতিবেদন |
১১:৩৮ পি.এম | ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬


সংসদ সদস্য (এমপি) গাজী নজরুল ইসলামের দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়মের আত্মহত্যার পেছনে প্ররোচনা দেওয়ার অভিযোগে করা মামলায় তাঁর মামা ওবায়দুর রহমান গ্রেপ্তার হয়েছেন। আজ বুধবার ঢাকার বাইরে থেকে তাঁকে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)–২ ধরে ডিবির কাছে সোপর্দ করে। পরে আদালতে হাজির করা হলে বিচারক তাঁকে কারাগারে পাঠান।

আজ বুধবার তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুল ইসলামের আদালত এ আদেশ দেন।

ডিএমপির প্রসিকিউশন বিভাগের এসআই রফিকুল ইসলাম বলেন, শুনানিকালে আসামির পক্ষে জামিন আবেদন ছিল না। আসামিকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত।

মামলার তিন নম্বর আসামি ওবায়দুরকে আদালতে হাজির করে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের তেজগাঁও জোনাল টিমের ইন্সপেক্টর মোহাম্মদ সালাউদ্দিন।

আবেদনে বলা হয়, এ আসামি মরিয়মের আত্মহত্যার ঘটনার সঙ্গে জড়িত আছে মর্মে সাক্ষ্যপ্রমাণ পাওয়া যাচ্ছে। মরিয়মের বিয়ের আগে থেকে ওবায়দুল সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামের সঙ্গে বিভিন্ন ক্ষেত্রে যুক্ত ছিলেন বলে তদন্তে জানা যায়। মামলার তদন্ত এখনো চলছে। তদন্তের স্বার্থে তাঁকে রিমান্ডে চাওয়া হবে। মামলার সুষ্ঠু তদন্ত ও ন্যায়বিচারের স্বার্থে আসামিকে এখন কারাগারে আটক রাখা প্রয়োজন।

২০ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় সংসদ ভবনের উল্টো দিকের ন্যাম ভবনের একটি ফ্ল্যাট থেকে মরিয়মের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। এরপর রাতে সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলাম ও তাঁর প্রথম স্ত্রী মাকছুদাকে হেফাজতে নেয় পুলিশ। রাতেই আত্মহত্যার প্ররোচনার অভিযোগে সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলাম, মাকছুদা ইসলাম ও মরিয়মের মামা ওবায়দুর রহমানের বিরুদ্ধে মামলা করেন মরিয়মের বাবা এস এম মাসুম বিল্লাহ।

পরদিন শেরেবাংলা নগর থানার এসআই মো. শামসুজ্জোহা সরকারের আবেদনে গাজী নজরুল ইসলামকে চার দিন ও মাকছুদা বেগমের এক দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত। সেদিন রাতেই মামলার তদন্তভার পুলিশের গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) কাছে হস্তান্তর করা হয়। রিমান্ড শেষে মাকছুদা বেগমকে মঙ্গলবার কারাগারে পাঠানো হয়েছে। আর নজরুল ইসলাম চার দিনের রিমান্ডে রয়েছেন।

প্রিন্ট

আরও সংবাদ